ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

মাদারীপুরে শ্রমিক দল নেতা হত্যাকাণ্ডের জেরে রণক্ষেত্র,শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 700

ছবি : সংগৃহীত

 

মাদারীপুর পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে শ্রমিক দল নেতা শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) পৌর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নস্যাৎ করতে অপপ্রচারে লিপ্ত কিছু ভারতীয় গণমাধ্যম: সেনাবাহিনী

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডের আসামি আক্তার হাওলাদারের সমর্থকদের সঙ্গে মামলার বাদী হাসান মুন্সির সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ভোররাতে আক্তার হাওলাদারের সমর্থকরা শ্রমিক দল নেতা হান্নান ঢালীর বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এরপর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, সকাল ১০টার দিকে নতুন মাদারীপুর এলাকায় দুইপক্ষ মুখোমুখি হলে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার এবং একের পর এক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং অভিযানকালে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাদী ও আসামিপক্ষের সমর্থকদের মধ্যেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নতুন মাদারীপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।’

মাদারিপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখন পর্য়ন্ত কোন পক্ষই মামলা দায়ের করেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদারীপুরে শ্রমিক দল নেতা হত্যাকাণ্ডের জেরে রণক্ষেত্র,শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

আপডেট সময় ০২:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

মাদারীপুর পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে শ্রমিক দল নেতা শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) পৌর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।

আরও পড়ুন  কালীগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ১২

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডের আসামি আক্তার হাওলাদারের সমর্থকদের সঙ্গে মামলার বাদী হাসান মুন্সির সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার ভোররাতে আক্তার হাওলাদারের সমর্থকরা শ্রমিক দল নেতা হান্নান ঢালীর বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এরপর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান, সকাল ১০টার দিকে নতুন মাদারীপুর এলাকায় দুইপক্ষ মুখোমুখি হলে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার এবং একের পর এক ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং অভিযানকালে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাদী ও আসামিপক্ষের সমর্থকদের মধ্যেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নতুন মাদারীপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।’

মাদারিপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখন পর্য়ন্ত কোন পক্ষই মামলা দায়ের করেনি।