১১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাউফলে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৩০

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 60

ছবি সংগৃহীত

 

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ১২ ঘণ্টায় অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে উপজেলা বিএনপি।

শুক্রবার বিকেলে বাউফল উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, দাশপাড়া বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরীর বাড়ি, যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াসের কালাইয়ার বাড়ি, যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম ফিরোজের বাড়ি এবং মদনপুরা ইউনিয়নে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।

এ ছাড়া কেশবপুর ইউনিয়নে যুবদল নেতা আরিফ, আবু তাহের, অলিউল্লাহ, আফজাল বয়াতি, বাচ্চু মালাকার ও দেলোয়ারকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। কেশবপুর ইউনিয়নের সিকদার বাজারে বিএনপি সমর্থক মিজানের একটি ফার্মেসি তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

চন্দ্রদ্বীপ এলাকায় বিএনপি নেতা কামাল মেম্বার, সালাম শরীফ ও আলমগীর সরদারকে মারধর এবং স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগও তোলা হয়। কনকদিয়া ইউনিয়নে জামায়াতের বিজয়ী প্রার্থী মাসুদের আত্মীয় মাহামুদের নেতৃত্বে বিএনপি কর্মী আলমগীর গাজীকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপির।

সংবাদ সম্মেলনে তসলিম তালুকদার দাবি করেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন এখনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গত ১২ ঘণ্টায় জামায়াত-শিবিরের হামলায় বিএনপির প্রায় ৩০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

বাউফলে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৩০

আপডেট সময় ১০:১৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ১২ ঘণ্টায় অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে উপজেলা বিএনপি।

শুক্রবার বিকেলে বাউফল উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, দাশপাড়া বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরীর বাড়ি, যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াসের কালাইয়ার বাড়ি, যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম ফিরোজের বাড়ি এবং মদনপুরা ইউনিয়নে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।

এ ছাড়া কেশবপুর ইউনিয়নে যুবদল নেতা আরিফ, আবু তাহের, অলিউল্লাহ, আফজাল বয়াতি, বাচ্চু মালাকার ও দেলোয়ারকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। কেশবপুর ইউনিয়নের সিকদার বাজারে বিএনপি সমর্থক মিজানের একটি ফার্মেসি তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

চন্দ্রদ্বীপ এলাকায় বিএনপি নেতা কামাল মেম্বার, সালাম শরীফ ও আলমগীর সরদারকে মারধর এবং স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগও তোলা হয়। কনকদিয়া ইউনিয়নে জামায়াতের বিজয়ী প্রার্থী মাসুদের আত্মীয় মাহামুদের নেতৃত্বে বিএনপি কর্মী আলমগীর গাজীকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপির।

সংবাদ সম্মেলনে তসলিম তালুকদার দাবি করেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন এখনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গত ১২ ঘণ্টায় জামায়াত-শিবিরের হামলায় বিএনপির প্রায় ৩০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’