ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সংসদ থেকে বিরোধী দলের আবারও ওয়াকআউট: ‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে বড় নিয়োগ, আবেদন শেষ ১০ এপ্রিল পুলিশে ২৭০৩ কনস্টেবল নিয়োগ: জেলাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ৩ হাজারের বেশি পাম্পে তেল নেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব, ছুরিকাঘাতে আহত ৩ সেনা কর্মকর্তা ও ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণা: দেশবাসীকে সেনাবাহিনীর সতর্কবার্তা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন রুট ঘোষণা; অমান্য করলেই ধ্বংসের হুঁশিয়ারি চোখের নিচের কালো দাগ: নিছক দাগ নাকি বড় কোনো রোগের সংকেত সেন্ট লুসিয়া প্রকৃতি, পাহাড় আর সমুদ্রের মোহনীয় দ্বীপ গৌরনদীতে ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ল ট্রাক

৯ দিন পর ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ডা.শফিকুর রহমান: আমির হামজা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 579

ছবি: সংগৃহীত

 

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন আগামী ৯ দিন পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান হবেন।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর আসনে নির্বাচনি প্রচারণায় নারীদের উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রীর পশ্চিম তীর যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করলো ইসরায়েল

মুফতি আমির হামজা বলেন, আমাদের আমিরে জামায়াতের ওপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মেয়েদের চরিত্র হননের দুরভিসন্ধি চালানো হয়েছে। আশা করছি আর ৯ দিন সময় আছে, এই ৯ দিন পর ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান। এটাই পৃথিবীর ইতিহাস বলে।

আমির হামজা বলেন, এর আগে যার যার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল, মিথ্যা কথা ছড়িয়েছিল যাদের নামে, আল্লাহ তাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়েছে। যেসব ষড়যন্ত্র বিরোধী দলের লোকরা শুরু করেছে তাদেরকে বলব ২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি একটা অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল বারাক ওবামার। ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হয়েছিল। এরপর জো বাইডেনের অ্যাকাউন্টও হ্যাক হয়েছিল নির্বাচনের ৭ দিন আগে। ৭ দিন পরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন তিনি।

আমরা আগামীতে দেখব ইনশাআল্লাহ জামায়াতে ইসলামী আগামী রাষ্ট্র ক্ষমতায়। ডা. শফিকুর রহমান মানবিক একজন যিনি সবার জন্য মায়া করে থাকেন, তার কাছে দল-মত কোনো বিভেদ নেই, বর্ণ ধর্ম নেই তার কাছে সবাই সমান। এরাম একটা মানুষ ক্ষমতায় আসলে সবাই শান্তিতে থাকতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, মেয়েরা যেন বাড়িতে বসে সম্মানজনক কাজ করতে পারে। তারা যেন নিরাপত্তার সাথে নিরাপদে কিছু টাকা আয় করে সংসারের হাল ধরতে পারে। হস্তশিল্পের কিছু কাজ আছে এগুলো আমরা শিখিয়ে আপনাদের আয়ের ব্যবস্থা করে দেব। এটা আমরা বাস্তবে করিয়ে দেখিয়ে দেব। প্রত্যেকের যদি সম্মানজনক কাজ হয়, প্রতি মাসে অন্তত চলার মত যদি টাকা পাই তাহলে কেউ কি আগুনের শয়তান ধরার সুযোগ পাবে। আমরা এই ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি, এজন্য আপনাদের সাথে রাখতে চাচ্ছি।

আমির হামজা বলেন, আশা করছি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন। আর এই দেশটাকে নিরাপদে রাখার জন্য আগামীতে কেউ যেন সন্ত্রাসী ফ্যাসিস্ট না হয়ে উঠতে পারে এ রকম একটা শান্ত বাংলাদেশ তৈরি করতে হ্যাঁ ভোট দেবেন। দাঁড়িপাল্লায় তো ভোট দেওয়াই লাগছে, পাশাপাশি হ্যাঁ ভোট দেওয়া লাগবে। পাশাপাশি দুইটা ভোট থাকবে, আপনারা হ্যাঁ-তে ভোট দেবেন।

তিনি বলেন, চার-পাঁচটা দিন কষ্ট করেন। আল্লাহর যদি ইচ্ছা হয় তাহলে আমরা সামনে শান্তির সূর্য দেখতে পারব। আমাদের সময়টা যদি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হই তাহলে আমাদের সারা জীবন আফসোস করা লাগবে। প্রশ্ন আসতেই পারে এই ভোটের জন্য আফসোস কিসের? আল্লাহর বিধান যদি আমরা কায়েম করতে না পারি মানুষের তৈরি বিধান দিয়ে কী হবে তা আপনারা দেখছেন না ৫৪ বছরে। কেউ আমরা শান্তিতে নেই।

সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নিয়ে আমির হামজা বলেন, সন্ত্রাসী কাজকারবার বেশি হয় কুষ্টিয়া জেলায়। আমরা চাই সন্ত্রাসীদের মাজা ভেঙে দিতে। আমরা চাই আপনারা ঘরের দরজা খুলে ঘুমাবেন। আসলে দরজা খুলে না। দরজা খুলে ঘুমালে যেভাবে নিরাপত্তা বোধ করেন সেভাবে আপনারা নিরাপদে থাকবেন। সবাই দাঁড়িপাল্লার পক্ষে থাকবেন বলে আশা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

৯ দিন পর ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ডা.শফিকুর রহমান: আমির হামজা

আপডেট সময় ০৩:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন আগামী ৯ দিন পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান হবেন।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর আসনে নির্বাচনি প্রচারণায় নারীদের উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  পিতার মত কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল খননের সূচনা প্রধানমন্ত্রীর

মুফতি আমির হামজা বলেন, আমাদের আমিরে জামায়াতের ওপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মেয়েদের চরিত্র হননের দুরভিসন্ধি চালানো হয়েছে। আশা করছি আর ৯ দিন সময় আছে, এই ৯ দিন পর ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান। এটাই পৃথিবীর ইতিহাস বলে।

আমির হামজা বলেন, এর আগে যার যার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল, মিথ্যা কথা ছড়িয়েছিল যাদের নামে, আল্লাহ তাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়েছে। যেসব ষড়যন্ত্র বিরোধী দলের লোকরা শুরু করেছে তাদেরকে বলব ২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি একটা অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল বারাক ওবামার। ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হয়েছিল। এরপর জো বাইডেনের অ্যাকাউন্টও হ্যাক হয়েছিল নির্বাচনের ৭ দিন আগে। ৭ দিন পরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন তিনি।

আমরা আগামীতে দেখব ইনশাআল্লাহ জামায়াতে ইসলামী আগামী রাষ্ট্র ক্ষমতায়। ডা. শফিকুর রহমান মানবিক একজন যিনি সবার জন্য মায়া করে থাকেন, তার কাছে দল-মত কোনো বিভেদ নেই, বর্ণ ধর্ম নেই তার কাছে সবাই সমান। এরাম একটা মানুষ ক্ষমতায় আসলে সবাই শান্তিতে থাকতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, মেয়েরা যেন বাড়িতে বসে সম্মানজনক কাজ করতে পারে। তারা যেন নিরাপত্তার সাথে নিরাপদে কিছু টাকা আয় করে সংসারের হাল ধরতে পারে। হস্তশিল্পের কিছু কাজ আছে এগুলো আমরা শিখিয়ে আপনাদের আয়ের ব্যবস্থা করে দেব। এটা আমরা বাস্তবে করিয়ে দেখিয়ে দেব। প্রত্যেকের যদি সম্মানজনক কাজ হয়, প্রতি মাসে অন্তত চলার মত যদি টাকা পাই তাহলে কেউ কি আগুনের শয়তান ধরার সুযোগ পাবে। আমরা এই ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি, এজন্য আপনাদের সাথে রাখতে চাচ্ছি।

আমির হামজা বলেন, আশা করছি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন। আর এই দেশটাকে নিরাপদে রাখার জন্য আগামীতে কেউ যেন সন্ত্রাসী ফ্যাসিস্ট না হয়ে উঠতে পারে এ রকম একটা শান্ত বাংলাদেশ তৈরি করতে হ্যাঁ ভোট দেবেন। দাঁড়িপাল্লায় তো ভোট দেওয়াই লাগছে, পাশাপাশি হ্যাঁ ভোট দেওয়া লাগবে। পাশাপাশি দুইটা ভোট থাকবে, আপনারা হ্যাঁ-তে ভোট দেবেন।

তিনি বলেন, চার-পাঁচটা দিন কষ্ট করেন। আল্লাহর যদি ইচ্ছা হয় তাহলে আমরা সামনে শান্তির সূর্য দেখতে পারব। আমাদের সময়টা যদি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হই তাহলে আমাদের সারা জীবন আফসোস করা লাগবে। প্রশ্ন আসতেই পারে এই ভোটের জন্য আফসোস কিসের? আল্লাহর বিধান যদি আমরা কায়েম করতে না পারি মানুষের তৈরি বিধান দিয়ে কী হবে তা আপনারা দেখছেন না ৫৪ বছরে। কেউ আমরা শান্তিতে নেই।

সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নিয়ে আমির হামজা বলেন, সন্ত্রাসী কাজকারবার বেশি হয় কুষ্টিয়া জেলায়। আমরা চাই সন্ত্রাসীদের মাজা ভেঙে দিতে। আমরা চাই আপনারা ঘরের দরজা খুলে ঘুমাবেন। আসলে দরজা খুলে না। দরজা খুলে ঘুমালে যেভাবে নিরাপত্তা বোধ করেন সেভাবে আপনারা নিরাপদে থাকবেন। সবাই দাঁড়িপাল্লার পক্ষে থাকবেন বলে আশা করছি।