যুদ্ধবিরতি: স্বস্তি ও শঙ্কার মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন দুবাই প্রবাসী বাংলাদেশিরা
- আপডেট সময় ১০:৫২:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
- / 33
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনায় বিশ্বজুড়ে যখন অস্থিরতা বিরাজ করছে, তখন ১০ দিনের সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির খবরে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইসহ বিভিন্ন মধ্যপ্রচ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মাঝে। তবে এই সাময়িক স্বস্তি ছাপিয়ে তাদের মনে বড় হয়ে দেখা দিয়েছে স্থায়ী শান্তির আকুতি।প্রবাসীরা বলছেন, যুদ্ধবিরতির এই খবরে তারা খুশি হলেও পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না, কারণ সংঘাত পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের অনিশ্চয়তা কাটছে না।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারের পাশাপাশি দুবাইয়ের স্থানীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। যুদ্ধের উত্তেজনার কারণে আমিরাতে পর্যটকের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটা কমে গেছে। পর্যটন খাতের ওপর নির্ভরশীল অনেক ব্যবসা ও কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি বর্তমানে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।
কাজ হারিয়ে অনেক প্রবাসীকে এখন মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। প্রবাসীদের দাবি, অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি তাদের মনে আংশিক স্বস্তি দিলেও কর্মক্ষেত্রের সংকট কাটাতে স্থায়ী সমাধান জরুরি।
উল্লেখ্য যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতের জেরে বিশ্বব্যাপী চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালী বন্ধের হুমকিতে তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয় এবং এর প্রভাবে বাংলাদেশেও জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যায়। এই পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিশ্ব নেতাদের প্রতি দ্রুত বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, যুদ্ধ কোনো সংকটের স্থায়ী সমাধান হতে পারে না, বরং আলোচনার মাধ্যমেই সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব।
বর্তমানে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে বিশ্ব নেতারা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। প্রবাসীরা প্রত্যাশা করেন, দ্রুত শান্তি ফিরে আসবে এবং তারা আবার স্বাভাবিক জীবন ও কর্মসংস্থানে ফিরতে পারবেন।
উল্লেখ্য: ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইল ও ইরানের যুদ্ধ শুরু হয়। এ যুদ্ধে বিশ্বব্যাপী চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে । বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ইরান বন্ধ করে দেয় । যার ফলে তেলের বাজার চড়া হয়ে যায় এবং বিভিন্ন দেশে তেলের সংকট দেখা দেয়। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে।
স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য বিশ্ব নেতারা কূটনৈতিক ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়।

























