০১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন
তথ্য উপদেষ্টা

বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশি শক্তিনির্ভর ছাত্র রাজনীতির অবসান প্রয়োজন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 90

ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পেশিশক্তিনির্ভর ছাত্ররাজনীতির অবসান জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক রাজনৈতিক চর্চার পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে তরুণরা দেশ গঠনের নেতৃত্ব দিতে পারে।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে (পিআইবি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘তারুণ্যের উৎসব’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে নতুন প্রজন্ম তৈরি হয়েছে, তারা আগামী দুই দশক বাংলাদেশকে প্রভাবিত করবে। তরুণদের দেশ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে, তাদের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যে সরকার বা রাজনৈতিক দল তরুণদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করবে, তারাই ভবিষ্যতে সফল হবে। আগামী দিনের বাংলাদেশ তরুণদের ওপর নির্ভর করছে।”

বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে এবং গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে।”

সরকার তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার জন্য নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলে জানান নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “তরুণদেরও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও সৃজনশীল কাজে যুক্ত হতে হবে। তাদের দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ ঘটাতে হবে, যাতে তারা দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাঙ্গনে ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ছাত্ররাজনীতির নামে সহিংসতা ও পেশিশক্তির ব্যবহার বন্ধ হওয়া জরুরি। তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটিয়ে তাদের দেশ গঠনের মূলধারায় আনতে হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

তথ্য উপদেষ্টা

বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশি শক্তিনির্ভর ছাত্র রাজনীতির অবসান প্রয়োজন

আপডেট সময় ১০:২২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পেশিশক্তিনির্ভর ছাত্ররাজনীতির অবসান জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক রাজনৈতিক চর্চার পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে তরুণরা দেশ গঠনের নেতৃত্ব দিতে পারে।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে (পিআইবি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘তারুণ্যের উৎসব’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে নতুন প্রজন্ম তৈরি হয়েছে, তারা আগামী দুই দশক বাংলাদেশকে প্রভাবিত করবে। তরুণদের দেশ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে, তাদের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যে সরকার বা রাজনৈতিক দল তরুণদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করবে, তারাই ভবিষ্যতে সফল হবে। আগামী দিনের বাংলাদেশ তরুণদের ওপর নির্ভর করছে।”

বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে এবং গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে।”

সরকার তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার জন্য নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলে জানান নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “তরুণদেরও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও সৃজনশীল কাজে যুক্ত হতে হবে। তাদের দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ ঘটাতে হবে, যাতে তারা দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাঙ্গনে ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ছাত্ররাজনীতির নামে সহিংসতা ও পেশিশক্তির ব্যবহার বন্ধ হওয়া জরুরি। তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটিয়ে তাদের দেশ গঠনের মূলধারায় আনতে হবে।”