ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

জাপানে ৫০ বছর পর সবচেয়ে বড় দাবানল নিয়ন্ত্রণে, নিহত ১

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • / 521

ছবি: সংগৃহীত

 

জাপানে ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে এসেছে। গ্রামাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়া এই দাবানলে অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২১০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে, যার ফলে ৪ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।

ওফুনাতো শহরের মেয়র কিয়োশি ফুচিগামি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, “আমরা একটি বিমান জরিপের মাধ্যমে মূল্যায়ন করেছি এবং নিশ্চিত হয়েছি যে আগুন এখন আর ছড়ানোর কোনো ঝুঁকি নেই। এটি এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”

আরও পড়ুন  ই*স*রা*য়ে*লে দাবানলে তাণ্ডব, জনপদ খালি, রুট ৩৮ বন্ধ

এই দাবানল প্রায় ২ হাজার ৯০০ হেক্টর (৭,১৭০ একর) এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল, যা ম্যানহাটনের প্রায় অর্ধেক আকারের সমান। এটি ছিল জাপানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দাবানল, যা ১৯৭৫ সালে হোক্কাইডো দ্বীপে ঘটে যাওয়া দাবানলের থেকেও অনেক বড়।

অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়ার পর, বুধবার থেকে আর্দ্র পরিবেশ দাবানল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বব্যাপী গরমের মাত্রা বাড়ছে, এবং গত বছর জাপানে রেকর্ড গ্রীষ্মকাল কেটেছে। বিশেষত, ফেব্রুয়ারিতে ওফুনাতোতে মাত্র ২.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি পড়েছে, যা পূর্ববর্তী ১৯৬৭ সালের রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছে।

১৯৭০-এর দশকে সর্বোচ্চ দাবানল প্রবণতার পর, জাপানে দাবানলের সংখ্যা কমে এসেছে। ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে জাপানে এসব ঘটনা ঘটে থাকে, যখন বাতাস শুকিয়ে গিয়ে গতি বাড়ে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতি বছর প্রায় ১,৩০০টি দাবানলের ঘটনা ঘটে।

এই ভয়াবহ দাবানল জাপানে আরও একটি সতর্কবার্তা দিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্বকে সামনে এনে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাপানে ৫০ বছর পর সবচেয়ে বড় দাবানল নিয়ন্ত্রণে, নিহত ১

আপডেট সময় ০৩:০৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

 

জাপানে ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে এসেছে। গ্রামাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়া এই দাবানলে অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২১০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে, যার ফলে ৪ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।

ওফুনাতো শহরের মেয়র কিয়োশি ফুচিগামি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, “আমরা একটি বিমান জরিপের মাধ্যমে মূল্যায়ন করেছি এবং নিশ্চিত হয়েছি যে আগুন এখন আর ছড়ানোর কোনো ঝুঁকি নেই। এটি এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”

আরও পড়ুন  মার্কিন চাপে নতি স্বীকার : জাতিসংঘে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে না জাপান

এই দাবানল প্রায় ২ হাজার ৯০০ হেক্টর (৭,১৭০ একর) এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল, যা ম্যানহাটনের প্রায় অর্ধেক আকারের সমান। এটি ছিল জাপানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দাবানল, যা ১৯৭৫ সালে হোক্কাইডো দ্বীপে ঘটে যাওয়া দাবানলের থেকেও অনেক বড়।

অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়ার পর, বুধবার থেকে আর্দ্র পরিবেশ দাবানল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বব্যাপী গরমের মাত্রা বাড়ছে, এবং গত বছর জাপানে রেকর্ড গ্রীষ্মকাল কেটেছে। বিশেষত, ফেব্রুয়ারিতে ওফুনাতোতে মাত্র ২.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি পড়েছে, যা পূর্ববর্তী ১৯৬৭ সালের রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছে।

১৯৭০-এর দশকে সর্বোচ্চ দাবানল প্রবণতার পর, জাপানে দাবানলের সংখ্যা কমে এসেছে। ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে জাপানে এসব ঘটনা ঘটে থাকে, যখন বাতাস শুকিয়ে গিয়ে গতি বাড়ে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতি বছর প্রায় ১,৩০০টি দাবানলের ঘটনা ঘটে।

এই ভয়াবহ দাবানল জাপানে আরও একটি সতর্কবার্তা দিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্বকে সামনে এনে।