ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

গাড়ি বি/স্ফো/রণে লিবিয়ার গোয়েন্দাপ্রধান নি/হ/ত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৩:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 57

ছবি সংগৃহীত

লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার ফাওজি মানসুরি গাড়ি বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় পূর্বাঞ্চলের প্রধান শহর বেঙ্গাজির হাওয়ারি এলাকায় নিজ বাড়ির বাইরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

দুটি নিরাপত্তা সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিস্ফোরণে কী ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছিল, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফাওজি মানসুরির নিহত হওয়ার ঘটনা লিবিয়ার চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আবারও আলোচনায় এনেছে। ২০২০ সালে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে দেশটিতে বড় ধরনের সংঘাত বন্ধ হলেও বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রশাসন ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব এখনো রয়েছে।

আরও পড়ুন  মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালনায় সতর্ক থাকার আহ্বান পুলিশের

২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত বিদ্রোহে দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০১৪ সালে লিবিয়া পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) দেশটির পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। তাদের প্রধান ঘাঁটি বেঙ্গাজিতে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার রাজধানী ত্রিপোলিতে অবস্থান করছে এবং দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাড়ি বি/স্ফো/রণে লিবিয়ার গোয়েন্দাপ্রধান নি/হ/ত

আপডেট সময় ১০:১৩:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার ফাওজি মানসুরি গাড়ি বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় পূর্বাঞ্চলের প্রধান শহর বেঙ্গাজির হাওয়ারি এলাকায় নিজ বাড়ির বাইরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

দুটি নিরাপত্তা সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিস্ফোরণে কী ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছিল, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফাওজি মানসুরির নিহত হওয়ার ঘটনা লিবিয়ার চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আবারও আলোচনায় এনেছে। ২০২০ সালে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে দেশটিতে বড় ধরনের সংঘাত বন্ধ হলেও বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রশাসন ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব এখনো রয়েছে।

আরও পড়ুন  মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালনায় সতর্ক থাকার আহ্বান পুলিশের

২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত বিদ্রোহে দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০১৪ সালে লিবিয়া পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) দেশটির পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। তাদের প্রধান ঘাঁটি বেঙ্গাজিতে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার রাজধানী ত্রিপোলিতে অবস্থান করছে এবং দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।