ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জ্বালানি সংকটে বড় স্বস্তি: দেশে আসছে এলএনজি ও এলপিজি-র ৫টি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে ‘চাঁদা আদায় এখনই বন্ধ করতে হবে’, ইরানকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি ৫ বছর আগেই হৃদরোগের ঝুঁকি শনাক্ত করবে এআই: অক্সফোর্ড বিজ্ঞানীদের সাফল্য চুক্তি মানছে না ইরান: হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের ভূমিকায় ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি আজকের নামাজের সময়সূচি: ১০ এপ্রিল ২০২৬ মিশন শেষে ফিরছে আর্টেমিস-২, সামনে রয়েছে বিপজ্জনক ধাপ রাজধানীর এলিফেন্ট রোডে আবাসিক ভবনে আগুন দেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব: ২৬ দিনে প্রাণ হারাল ১৬৬ শিশু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিসে বাংলাদেশের স্বর্ণজয়

হরমুজ প্রণালিতে ‘চাঁদা আদায় এখনই বন্ধ করতে হবে’, ইরানকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 12

ছবি সংগৃহীত

 

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজ থেকে ইরানের ‘ফি’ বা চাঁদা আদায়ের খবরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড এখনই বন্ধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এই বার্তার কথা জানানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “শোনা যাচ্ছে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজ থেকে ইরান ফি নিচ্ছে। তারা যেন এটি না করে এবং করে থাকলে তা এখনই বন্ধ করা উচিত।”

আরও পড়ুন  পরমাণু ইস্যুতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: ট্রাম্পের আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করলেন খামেনি, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা

তিনি আরও দাবি করেন, “আমার কারণে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। খুব শিগগিরই তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে, তাতে ইরানের সহযোগিতা থাকুক বা না থাকুক।”

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে ইরান শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ফি নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। মূলত সাম্প্রতিক যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই এই কৌশল নিয়েছে তেহরান। যদিও এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরপরই ট্রাম্পের এমন কঠোর মন্তব্য সামনে এলো। এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল।

স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখে, তবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথকে ঘিরে তৈরি হওয়া নতুন উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

হরমুজ প্রণালিতে ‘চাঁদা আদায় এখনই বন্ধ করতে হবে’, ইরানকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ১২:১১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

 

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজ থেকে ইরানের ‘ফি’ বা চাঁদা আদায়ের খবরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড এখনই বন্ধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এই বার্তার কথা জানানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “শোনা যাচ্ছে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজ থেকে ইরান ফি নিচ্ছে। তারা যেন এটি না করে এবং করে থাকলে তা এখনই বন্ধ করা উচিত।”

আরও পড়ুন  ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ

তিনি আরও দাবি করেন, “আমার কারণে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। খুব শিগগিরই তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে, তাতে ইরানের সহযোগিতা থাকুক বা না থাকুক।”

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে ইরান শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ফি নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। মূলত সাম্প্রতিক যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই এই কৌশল নিয়েছে তেহরান। যদিও এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরপরই ট্রাম্পের এমন কঠোর মন্তব্য সামনে এলো। এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল।

স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখে, তবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথকে ঘিরে তৈরি হওয়া নতুন উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।