সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধে জার্মান চ্যান্সেলরের সমর্থন
- আপডেট সময় ০৩:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 11
অ্যালগরিদম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ভুয়া তথ্যের হাত থেকে শিশুদের রক্ষা করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎস। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক পডকাস্ট এবং পরবর্তী ভাষণে তিনি ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বাধ্যতামূলক সীমা আরোপের প্রস্তাবকে সমর্থন করেন।
চ্যান্সেলর মেরৎস জানান, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা এবং ক্ষতিকর কনটেন্ট শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে অপূরণীয় ক্ষতি করছে। তিনি একে সমাজের জন্য একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেন।
চ্যান্সেলর তাঁর বক্তব্যে শিশুদের সুরক্ষায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি তুলে ধরেন:
এআই ও অ্যালগরিদমের প্রভাব: তিনি স্বীকার করেন যে, আগে তিনি এই বিষয়ে নমনীয় থাকলেও বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত কনটেন্টের নেতিবাচক প্রভাব তিনি আর উপেক্ষা করতে পারছেন না।
মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা: কিশোর-কিশোরীদের অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের ফলে সৃষ্ট ব্যক্তিত্বের সংকট এবং সামাজিক আচরণের বিচ্যুতি নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ভুয়া তথ্য মোকাবিলা: সমাজকে ভেতর থেকে দুর্বল করতে পারে এমন কৃত্রিমভাবে তৈরি মিথ্যা খবর ছড়ানো বন্ধ করা অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন।
জার্মানির ক্ষমতাসীন জোট সরকার এখন অস্ট্রেলিয়ার আদলে শিশুদের জন্য এই ডিজিটাল সুরক্ষা আইন প্রণয়নের কথা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। সিডিইউ এবং এসপিডি উভয় দলই এই লক্ষে একযোগে কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করে একটি যুগান্তকারী আইন পাস করেছিল। জার্মানির এই সম্ভাব্য পদক্ষেপ সেই বৈশ্বিক আন্দোলনেরই অংশ।























