ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

গাজায় যুদ্ধবিরতির আলোচনায় অচলাবস্থা, ১০ ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির ঘোষণা হামাসের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • / 196

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পথ সুগম করতে হামাস জানিয়েছে, তারা ১০ জন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত। তবে একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে দিয়েছে, ইসরায়েলের অসহযোগিতা এই আলোচনা কঠিন করে তুলেছে। খবর আল জাজিরার।

বুধবার হামাসের পক্ষ থেকে এ বিবৃতি আসে এমন সময়ে, যখন ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় অন্তত ৭৪ জন নিহত হয়েছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, অচিরেই একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস

হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যে আলোচনাগুলো চলছে, সেগুলোর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সমাধান আসেনি। বিশেষ করে গাজায় জরুরি ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোর নিরাপদ ব্যবস্থা, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য নিশ্চিত গ্যারান্টির বিষয়গুলো এখনো ঝুলে রয়েছে।

হামাসের ঊর্ধ্বতন নেতা তাহের আল-নুনু বলেন, “আমরা সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছি এবং জনগণের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় প্রয়োজনীয় নমনীয়তাও দেখিয়েছি। গণহত্যা বন্ধ, অবরুদ্ধ গাজায় স্বাধীনভাবে ও সম্মানের সঙ্গে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং স্থায়ী যুদ্ধ অবসানই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, “যতক্ষণ না আমাদের জনগণ একটি নিরাপদ ও স্বাধীন জীবন ফিরে পায়, ততক্ষণ আমরা যুদ্ধবিরতির পথ খোলা রাখতে চাই। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সদিচ্ছার অভাব এবং কার্যকর উদ্যোগ না থাকলে এই আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়া কঠিন।”

বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে মানবিক বিপর্যয় চরমে, অন্যদিকে কূটনৈতিক চেষ্টায় অগ্রগতি না থাকায় গাজায় যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মহলের অনেকেই কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এই আলোচনার প্রতি সমর্থন জানালেও, স্থায়ী সমাধান কতটা সম্ভব হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। গাজা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে যুদ্ধ থামানোর আহ্বানও।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় যুদ্ধবিরতির আলোচনায় অচলাবস্থা, ১০ ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির ঘোষণা হামাসের

আপডেট সময় ১১:০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পথ সুগম করতে হামাস জানিয়েছে, তারা ১০ জন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত। তবে একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে দিয়েছে, ইসরায়েলের অসহযোগিতা এই আলোচনা কঠিন করে তুলেছে। খবর আল জাজিরার।

বুধবার হামাসের পক্ষ থেকে এ বিবৃতি আসে এমন সময়ে, যখন ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় অন্তত ৭৪ জন নিহত হয়েছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, অচিরেই একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি কারাগার থেকে ১৮৩ ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি: শান্তির আশায় নতুন পদক্ষেপ

হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যে আলোচনাগুলো চলছে, সেগুলোর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সমাধান আসেনি। বিশেষ করে গাজায় জরুরি ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোর নিরাপদ ব্যবস্থা, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য নিশ্চিত গ্যারান্টির বিষয়গুলো এখনো ঝুলে রয়েছে।

হামাসের ঊর্ধ্বতন নেতা তাহের আল-নুনু বলেন, “আমরা সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছি এবং জনগণের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় প্রয়োজনীয় নমনীয়তাও দেখিয়েছি। গণহত্যা বন্ধ, অবরুদ্ধ গাজায় স্বাধীনভাবে ও সম্মানের সঙ্গে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং স্থায়ী যুদ্ধ অবসানই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, “যতক্ষণ না আমাদের জনগণ একটি নিরাপদ ও স্বাধীন জীবন ফিরে পায়, ততক্ষণ আমরা যুদ্ধবিরতির পথ খোলা রাখতে চাই। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সদিচ্ছার অভাব এবং কার্যকর উদ্যোগ না থাকলে এই আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়া কঠিন।”

বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে মানবিক বিপর্যয় চরমে, অন্যদিকে কূটনৈতিক চেষ্টায় অগ্রগতি না থাকায় গাজায় যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মহলের অনেকেই কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এই আলোচনার প্রতি সমর্থন জানালেও, স্থায়ী সমাধান কতটা সম্ভব হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। গাজা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে যুদ্ধ থামানোর আহ্বানও।