ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সামোয়া: পলিনেশিয়ার ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিলন সমৃদ্ধ খাদ্য ভান্ডার গড়ার প্রত্যয়: ‘কৃষক’ পরিচয়ে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন ডাকসুতে অন্তর্কোন্দল: সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে ফাতেমা জুমার ক্ষোভ ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে ঢাবি ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা কুষ্টিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত অর্থনীতি সংস্কারে বড় পরিকল্পনা: শেয়ারবাজার ও বিনিয়োগ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল ইউরোপের আরেক দেশ মোটরসাইকেলে এসে গ্রামবাসীকে ব্রাশফায়ার, নিহত ৫০ ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা : প্রতিমন্ত্রী ইশরাক ভোক্তা অধিকারের অভিযানে বাঁধা: পুলিশ মামলা না নেওয়ায় মিলনের বিস্ময়

বাধার মুখে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি রুমিন ফারহানা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 16

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। উত্তেজিত নেতাকর্মীরা রুমিন ফারহানার পুষ্পস্তবক ছিঁড়ে ফেলেছেন বলেও জানা গেছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কর্মী-সমর্থকদের পাহারায় শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে রাত পৌনে ১২টার দিকে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছান রুমিন ফারহানা। এ সময় পুষ্পস্তবক নিয়ে শহীদ বেদীর সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন রুমিন ফারহানা ও তার কর্মী-সমর্থকরা। সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে রুমিন ফারহানার আনা পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে না পেরে কর্মী-সমর্থকদের পাহারায় শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।

আরও পড়ুন  ভোটের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে: রুমিন ফারহানা

সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুবকর সরকার বলেন, আমরা যথাযথভাবে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে রাত ১২টা ১ মিনিটে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরাও শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনারে আসেন। ফুল দেওয়া নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে থাকলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাধার মুখে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ১০:৩১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। উত্তেজিত নেতাকর্মীরা রুমিন ফারহানার পুষ্পস্তবক ছিঁড়ে ফেলেছেন বলেও জানা গেছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কর্মী-সমর্থকদের পাহারায় শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে রাত পৌনে ১২টার দিকে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছান রুমিন ফারহানা। এ সময় পুষ্পস্তবক নিয়ে শহীদ বেদীর সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন রুমিন ফারহানা ও তার কর্মী-সমর্থকরা। সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে রুমিন ফারহানার আনা পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে না পেরে কর্মী-সমর্থকদের পাহারায় শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।

আরও পড়ুন  রাজারবাগে শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা, জাতীয় দিবসে পুলিশ বাহিনীর গর্বিত উপস্থিতি

সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুবকর সরকার বলেন, আমরা যথাযথভাবে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে রাত ১২টা ১ মিনিটে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরাও শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনারে আসেন। ফুল দেওয়া নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে থাকলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।