ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ক্ষেপণাস্ত্র তাক করতেই হরমুজ থেকে পিছু হটল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ: দাবি ইরানের আবারও আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে: ডা. শফিকুর রহমান দুই মামলায় জামিনের পর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক মন্ত্রী নুরুজ্জামান ৯ ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় কমানোর নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি মেডিকেল ও বিজনেস ভিসা চালু করছে ভারত হাঙ্গেরিতে পিটার ম্যাগিয়ারের বিজয়: অবসান ঘটল দীর্ঘ ১৬ বছরের অরবান শাসনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভাঙ্গায় বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ২, আহত ৩৫ ইরানের সব বন্দরে মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরু: কঠোর অবস্থানে সেন্টকোম ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, প্রধান অভিযুক্তসহ গ্রেফতার ৭

৯ ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় কমানোর নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 19

ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় সরকারি ব্যয়ে কঠোর কৃচ্ছ্রসাধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (১৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে পরিচালন ব্যয় কমাতে ৯টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে খরচ কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী নির্দেশিত ৯টি ক্ষেত্র হলো:
১. জ্বালানি সাশ্রয়:** সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দকৃত জ্বালানির ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

২. বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও ঋণ স্থগিত: সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন  সরকারের শীর্ষ থেকে তৃণমূল পর্যন্ত পচন ধরেছে: বিএনপির মহাসমাবেশে মির্জা আব্বাস

৩. অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয়: প্রশিক্ষণ খাত ছাড়া অন্যান্য অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৪. আপ্যায়ন ও সেমিনার: সভা/সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ এবং সেমিনার/কনফারেন্স আয়োজন ব্যয় ২০ শতাংশ কমাতে হবে।

৫. ভ্রমণ ব্যয়: সরকারি কাজে ভ্রমণ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৬. সরঞ্জাম ক্রয় বন্ধ: সরকারি খাতে নতুন গাড়ি, জলযান, আকাশযান এবং কম্পিউটার ক্রয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ থাকবে।

৭. বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাশ্রয়: সরকারি কার্যালয়গুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৮. ভবন শোভাবর্ধন: আবাসিক ভবনের শোভাবর্ধন ব্যয় ২০ শতাংশ এবং অনাবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৯. ভূমি অধিগ্রহণ স্থগিত: সরকারি প্রকল্পের জন্য নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত ব্যয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ রাখতে হবে।

পরিপত্রে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তসমূহ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতেই সরকার এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

৯ ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় কমানোর নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি

আপডেট সময় ০৩:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় সরকারি ব্যয়ে কঠোর কৃচ্ছ্রসাধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (১৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে পরিচালন ব্যয় কমাতে ৯টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে খরচ কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী নির্দেশিত ৯টি ক্ষেত্র হলো:
১. জ্বালানি সাশ্রয়:** সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দকৃত জ্বালানির ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

২. বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও ঋণ স্থগিত: সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন  দেশকে দারিদ্র ও ক্ষুধামুক্ত করতে কাজ করছে সরকার:হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

৩. অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয়: প্রশিক্ষণ খাত ছাড়া অন্যান্য অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৪. আপ্যায়ন ও সেমিনার: সভা/সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ এবং সেমিনার/কনফারেন্স আয়োজন ব্যয় ২০ শতাংশ কমাতে হবে।

৫. ভ্রমণ ব্যয়: সরকারি কাজে ভ্রমণ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৬. সরঞ্জাম ক্রয় বন্ধ: সরকারি খাতে নতুন গাড়ি, জলযান, আকাশযান এবং কম্পিউটার ক্রয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ থাকবে।

৭. বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাশ্রয়: সরকারি কার্যালয়গুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।

৮. ভবন শোভাবর্ধন: আবাসিক ভবনের শোভাবর্ধন ব্যয় ২০ শতাংশ এবং অনাবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ কমাতে হবে।

৯. ভূমি অধিগ্রহণ স্থগিত: সরকারি প্রকল্পের জন্য নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত ব্যয় শতভাগ (সম্পূর্ণ) বন্ধ রাখতে হবে।

পরিপত্রে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তসমূহ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতেই সরকার এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করেছে।