০১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

মাদারীপুরে রাতে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 39

ছবি: সংগৃহীত

 

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় গভীর রাতে নিজ ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় এক গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোররাতে উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহমান বেপারী কান্দি এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

নিহত গৃহবধূর নাম রোকেয়া বেগম (৫৫)। তিনি জন্মান্ধ আবুল মৃধার স্ত্রী। স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় স্বামী আবুল মৃধা এবং তাদের দুই সন্তান আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়া একই ঘরে অবস্থান করছিলেন।

ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, গৃহবধূ হত্যার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মাদারীপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদারীপুরে রাতে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:২৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় গভীর রাতে নিজ ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় এক গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোররাতে উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহমান বেপারী কান্দি এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

নিহত গৃহবধূর নাম রোকেয়া বেগম (৫৫)। তিনি জন্মান্ধ আবুল মৃধার স্ত্রী। স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় স্বামী আবুল মৃধা এবং তাদের দুই সন্তান আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়া একই ঘরে অবস্থান করছিলেন।

ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, গৃহবধূ হত্যার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মাদারীপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।