ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

বিদেশে এস আলম গ্রুপ মালিকের সম্পদ জব্দের নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:০০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • / 166

ছবি সংগৃহীত

 

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং তার স্ত্রী ফারজানা পারভীনের নামে বিদেশে থাকা বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও বিনিয়োগ অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৪ জুন), দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক তিনটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  শ্যামল দত্ত ও তার স্ত্রী-সন্তানের ১৮ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের নির্দেশ

দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত নিম্নলিখিত সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন: সাইপ্রাসের লিমাসল জেলায় একটি দুইতলা বাড়ি

ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডসে: হ্যাজেক ইন্টারন্যাশনাল পিটিই লিমিটেডে ৩,৫০,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ, পিকক প্রপার্টি হোল্ডিংসসহ আরও ১৮টি কোম্পানিতে বিনিয়োগ, জার্সি ট্রাস্ট কোম্পানির অধীনে ৬টি ট্রাস্টে থাকা বিভিন্ন অঙ্কের বিনিয়োগ।

এইসব বিনিয়োগ ও সম্পদ বর্তমানে জব্দের আওতায় থাকবে এবং সেগুলোতে কোনো রকম লেনদেন বা পরিবর্তন করা যাবে না বলে আদালত জানিয়েছেন।

দুদকের আইনজীবীরা আদালতে জানান, এস আলম গ্রুপের কর্ণধার ও তার স্ত্রী অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে বিভিন্ন দেশে এই সম্পদ অর্জন করেছেন। অনুসন্ধানে এমন নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা থেকে স্পষ্ট যে এই বিনিয়োগগুলো বৈধ উৎস থেকে আসেনি।

ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও বিদেশে থাকা এই সম্পদ যাতে অপচয় বা স্থানান্তর না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই আদেশ চাওয়া হয়েছে।

এস আলম গ্রুপ বাংলাদেশে অন্যতম বড় শিল্পগোষ্ঠী। দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংক, পণ্য আমদানি-রপ্তানি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ জালিয়াতি, অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছে।

এই আদেশকে দেশের দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, বিদেশে পাচার করা অবৈধ সম্পদের বিরুদ্ধেও এখন আইনি পদক্ষেপ আরও সক্রিয় ও কার্যকর হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশে এস আলম গ্রুপ মালিকের সম্পদ জব্দের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৮:০০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

 

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং তার স্ত্রী ফারজানা পারভীনের নামে বিদেশে থাকা বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও বিনিয়োগ অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৪ জুন), দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক তিনটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিলো

দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত নিম্নলিখিত সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন: সাইপ্রাসের লিমাসল জেলায় একটি দুইতলা বাড়ি

ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডসে: হ্যাজেক ইন্টারন্যাশনাল পিটিই লিমিটেডে ৩,৫০,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ, পিকক প্রপার্টি হোল্ডিংসসহ আরও ১৮টি কোম্পানিতে বিনিয়োগ, জার্সি ট্রাস্ট কোম্পানির অধীনে ৬টি ট্রাস্টে থাকা বিভিন্ন অঙ্কের বিনিয়োগ।

এইসব বিনিয়োগ ও সম্পদ বর্তমানে জব্দের আওতায় থাকবে এবং সেগুলোতে কোনো রকম লেনদেন বা পরিবর্তন করা যাবে না বলে আদালত জানিয়েছেন।

দুদকের আইনজীবীরা আদালতে জানান, এস আলম গ্রুপের কর্ণধার ও তার স্ত্রী অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে বিভিন্ন দেশে এই সম্পদ অর্জন করেছেন। অনুসন্ধানে এমন নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা থেকে স্পষ্ট যে এই বিনিয়োগগুলো বৈধ উৎস থেকে আসেনি।

ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও বিদেশে থাকা এই সম্পদ যাতে অপচয় বা স্থানান্তর না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই আদেশ চাওয়া হয়েছে।

এস আলম গ্রুপ বাংলাদেশে অন্যতম বড় শিল্পগোষ্ঠী। দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংক, পণ্য আমদানি-রপ্তানি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ জালিয়াতি, অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছে।

এই আদেশকে দেশের দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, বিদেশে পাচার করা অবৈধ সম্পদের বিরুদ্ধেও এখন আইনি পদক্ষেপ আরও সক্রিয় ও কার্যকর হচ্ছে।