ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের আধিপত্যের লড়াই: কুপিয়ে হত্যা করা হলো ‘এলেক্স ইমনকে’ শান্তি আলোচনা থেকে ইরান কি হার না মানার বার্তা দিতে চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্তি, বৈচিত্র্য আর বিশ্বনেতৃত্বের প্রতীক হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্তি, বৈচিত্র্য আর বিশ্বনেতৃত্বের প্রতীক হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু দুই কলেজ শিক্ষককে পার্সেলে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকি মারা গেছেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে ঝালকাঠিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর নিহত মীরসরাইয়ে ৬০ কেজি গাঁজাসহ কাভার্ড ভ্যান জব্দ, গ্রেপ্তার ২

রংপুরে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে ঢলে পড়লেন শিক্ষক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 40

ছবি সংগৃহীত

রংপুর নগরের একটি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন মেহেদী হাসান (৩৩) নামে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। শনিবার বিকেলে ঢাকা-দিনাজপুর মহাসড়কের পর্যটন মোটেলের বিপরীত পাশে ‘মেসার্স সুরমা ফিলিং অ্যান্ড সার্ভিসিং সেন্টারে’ এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত মেহেদী হাসান রংপুর সদর উপজেলার বালাচড়াহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তিনি রংপুর নগরের নিউ ইঞ্জিনিয়ারপাড়ার বাসিন্দা এবং বেগম রোকেয়া কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ আবদুল মতিনের ছেলে। তিনি রংপুর জিলা স্কুল এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে মেহেদী হাসান ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী মজনু মিয়ার সঙ্গে কথা বলছিলেন। কথা শেষে কিছুটা সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ তিনি মাটিতে ঢলে পড়েন। আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে প্রাইম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেলের প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর

নিহতের বাবা আবদুল মতিন জানান, মেহেদী হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মাহবুব হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক সাদ্দাম সরকার জানান, “উনি হঠাৎ করে পড়ে যান এবং ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলেন না। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে অটোতে করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি।”

বালাচড়াহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আফরোজা পারভীন অত্যন্ত শোকাহত হয়ে বলেন, “বিকেল চারটার দিকে স্কুল থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন মেহেদী। কিছুক্ষণ পরই খবর পাই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠাবান শিক্ষক ছিলেন।”

তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, সহকর্মী এবং বন্ধু মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রংপুরে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে ঢলে পড়লেন শিক্ষক

আপডেট সময় ০৩:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

রংপুর নগরের একটি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন মেহেদী হাসান (৩৩) নামে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। শনিবার বিকেলে ঢাকা-দিনাজপুর মহাসড়কের পর্যটন মোটেলের বিপরীত পাশে ‘মেসার্স সুরমা ফিলিং অ্যান্ড সার্ভিসিং সেন্টারে’ এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত মেহেদী হাসান রংপুর সদর উপজেলার বালাচড়াহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তিনি রংপুর নগরের নিউ ইঞ্জিনিয়ারপাড়ার বাসিন্দা এবং বেগম রোকেয়া কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ আবদুল মতিনের ছেলে। তিনি রংপুর জিলা স্কুল এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে মেহেদী হাসান ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী মজনু মিয়ার সঙ্গে কথা বলছিলেন। কথা শেষে কিছুটা সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ তিনি মাটিতে ঢলে পড়েন। আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে প্রাইম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  টাকা ছাড়াও যা লাগবে তেল কিনতে: অপচয় ও মজুত ঠেকাতে বিপিসির নতুন নির্দেশনা

নিহতের বাবা আবদুল মতিন জানান, মেহেদী হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মাহবুব হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক সাদ্দাম সরকার জানান, “উনি হঠাৎ করে পড়ে যান এবং ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলেন না। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে অটোতে করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি।”

বালাচড়াহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আফরোজা পারভীন অত্যন্ত শোকাহত হয়ে বলেন, “বিকেল চারটার দিকে স্কুল থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন মেহেদী। কিছুক্ষণ পরই খবর পাই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠাবান শিক্ষক ছিলেন।”

তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, সহকর্মী এবং বন্ধু মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।