সংরক্ষিত নারী আসন: বিএনপির ৩৭ আসনে শতাধিক নেত্রীর দৌড়ঝাঁপ
- আপডেট সময় ০১:২৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 19
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর এবার আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে আনুপাতিক হারে বিএনপির ভাগে ৩৭টি আসন পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব আসনে মনোনয়ন পেতে ইতোমধ্যে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেত্রী জোর লবিং ও তদবির শুরু করেছেন।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র রমজান মাসের মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।
মনোনয়ন প্রত্যাশী ও আলোচিত নামসমূহ
বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকা নেত্রী, বিগত নির্বাচনে বঞ্চিত হওয়া প্রার্থী এবং তরুণ প্রজন্মের নেত্রীদের সমন্বয়ে একটি তালিকা তৈরির কাজ চলছে। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে:
শীর্ষ নেত্রী: শিরিন সুলতানা, আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, নাজমুন নাহার বেবী।
সাবেক সংসদ সদস্য: শাম্মী আকতার, নিলোফার চৌধুরী মনি, আসিফা আশরাফী পাপিয়া, রাশেদা বেগম হীরা, রেহেনা আকতার রানু।
সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী ব্যক্তিত্ব: বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, কনক চাঁপা এবং হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ।
তরুণ ও সক্রিয় নেত্রী: নিপুণ রায় চৌধুরী, অপর্ণা রায়, শাহানা আকতার সানু, জেবা আমিন খান, সানজিদা ইসলাম (তুলি), ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, হেলেন জেরিন খান এবং সৈয়দা আদিবা হোসেন।
মনোনয়ন প্রত্যাশী নেত্রীরা নিজ নিজ রাজনৈতিক ত্যাগ ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরছেন। ঢাকা-১৪ আসনে পরাজিত প্রার্থী এবং ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি জানিয়েছেন, তিনি সরকারে থেকে দেশের জন্য কাজ করতে আগ্রহী। অন্যদিকে, বিলকিস আকতার জাহান শিরিন বিশ্বাস করেন, দলের প্রতি আনুগত্য ও দুঃসময়ে পাশে থাকার মূল্যায়ন করবে হাই কমান্ড।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের মতে, দলের আন্দোলন-সংগ্রামে কার অবদান কতটুকু এবং কাদের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি পরিচ্ছন্ন—তা বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবার সংরক্ষিত আসনে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি শিক্ষিত ও দক্ষ তরুণ নেত্রীদের বড় একটি অংশকে সংসদে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।




















