১০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর: ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১৩:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 27

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দেড় বছর পর দেশজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে ঐতিহাসিক গণভোট। বড় কোনো সংঘাত ছাড়াই বৃহস্পতিবার সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভোটের সময়সূচি ও পরিবেশ
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে একটানা বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। জুলাই সনদের ৪৮ দফা সংস্কার বাস্তবায়নে জনগণের সম্মতি নিতে একই সঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়। বিচ্ছিন্ন কিছু অভিযোগ ছাড়া দেশের ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণের পরিবেশ ছিল নিয়ন্ত্রণে। উল্লেখ্য, প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়েছে।

হতাহতের খবর
ভোট চলাকালে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, মানিকগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও গাইবান্ধায় মোট ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সহিংসতায় মৃত্যুর হার ছিল নগণ্য। মৃতদের মধ্যে পাঁচজনই ভোটকেন্দ্রে অসুস্থ বোধ করার পর মারা যান। অন্য এক ব্যক্তির ক্ষেত্রে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

দলগুলোর প্রতিক্রিয়া ও অভিযোগ
আওয়ামী লীগবিহীন এই নির্বাচনে ৫০টি রাজনৈতিক দলের মোট ২০২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মূল লড়াই হয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মধ্যে।

জামায়াতে ইসলামী: ১১ দলীয় এই জোট তিনটি আসনের নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ তুলেছে।

এনসিপি: দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ সন্তোষজনক থাকলেও পরবর্তী সময়ে তারা কিছু অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ: তারাও বিভিন্ন স্থানে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এনেছে।
নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবারের নির্বাচন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক পর্যায়ে যায়নি এবং কোথাও ভোট স্থগিত করার প্রয়োজন পড়েনি। কমিশনের কর্মকর্তাদের ধারণা অনুযায়ী, এবার ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর: ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক

আপডেট সময় ০৬:১৩:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দেড় বছর পর দেশজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে ঐতিহাসিক গণভোট। বড় কোনো সংঘাত ছাড়াই বৃহস্পতিবার সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভোটের সময়সূচি ও পরিবেশ
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে একটানা বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। জুলাই সনদের ৪৮ দফা সংস্কার বাস্তবায়নে জনগণের সম্মতি নিতে একই সঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়। বিচ্ছিন্ন কিছু অভিযোগ ছাড়া দেশের ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণের পরিবেশ ছিল নিয়ন্ত্রণে। উল্লেখ্য, প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়েছে।

হতাহতের খবর
ভোট চলাকালে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, মানিকগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও গাইবান্ধায় মোট ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সহিংসতায় মৃত্যুর হার ছিল নগণ্য। মৃতদের মধ্যে পাঁচজনই ভোটকেন্দ্রে অসুস্থ বোধ করার পর মারা যান। অন্য এক ব্যক্তির ক্ষেত্রে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

দলগুলোর প্রতিক্রিয়া ও অভিযোগ
আওয়ামী লীগবিহীন এই নির্বাচনে ৫০টি রাজনৈতিক দলের মোট ২০২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মূল লড়াই হয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মধ্যে।

জামায়াতে ইসলামী: ১১ দলীয় এই জোট তিনটি আসনের নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ তুলেছে।

এনসিপি: দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ সন্তোষজনক থাকলেও পরবর্তী সময়ে তারা কিছু অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ: তারাও বিভিন্ন স্থানে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এনেছে।
নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবারের নির্বাচন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক পর্যায়ে যায়নি এবং কোথাও ভোট স্থগিত করার প্রয়োজন পড়েনি। কমিশনের কর্মকর্তাদের ধারণা অনুযায়ী, এবার ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে।