১০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :

ছেলের কোলে চড়ে ভোট দিলেন ১৩৫ বছরের আমেনা বেগম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৩:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 22

ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ছেলের কোলে চড়ে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন আমেনা বেগম নামের এক প্রবীণ নারী। পরিবারের দাবি, তার বয়স প্রায় ১৩৫ বছর।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি। আমেনা বেগম দক্ষিণ জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা। বয়সজনিত কারণে হাঁটতে না পারায় ছেলে শামসুল হক ঢালীর কোলে করেই কেন্দ্রে আসেন।

ভোট দেওয়ার পর আমেনা বেগম বলেন, আমার শরীরটা ভালো না। ছেলেরে কইছি, ভোটের দিন আমারে লইয়া যাইবা—আমি ভোট দিমু। হাঁটতে পারি না, তাই কোলে কইরা আনছে। আমি যারে ভালো পাই, তারেই ভোট দিছি। ভোট দিয়া ভালো লাগতেছে।

শামসুল হক ঢালী বলেন, তার মা নিজে থেকেই ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। “তিনি হাঁটতে পারেন না। বয়স অনেক হয়েছে। তাই কোলে করে নিয়ে এসেছি। ভোট দিতে পেরে মা খুব খুশি।

স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, আমেনা বেগমের সঠিক বয়স জানা না গেলেও তিনি এলাকার সবচেয়ে প্রবীণ নারী। তাকে ছেলের কোলে করে ভোট দিতে আসতে দেখে অনেকেই আবেগাপ্লুত হন।

কেন্দ্রে এ সময় উৎসুক মানুষের ভিড় দেখা যায়। অনেকেই মোবাইল ফোনে ছবিও ধারণ করেন। স্থানীয়দের মতে, শারীরিক সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ গণতান্ত্রিক চেতনারই বহিঃপ্রকাশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ছেলের কোলে চড়ে ভোট দিলেন ১৩৫ বছরের আমেনা বেগম

আপডেট সময় ০৩:৩৩:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ছেলের কোলে চড়ে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন আমেনা বেগম নামের এক প্রবীণ নারী। পরিবারের দাবি, তার বয়স প্রায় ১৩৫ বছর।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি। আমেনা বেগম দক্ষিণ জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা। বয়সজনিত কারণে হাঁটতে না পারায় ছেলে শামসুল হক ঢালীর কোলে করেই কেন্দ্রে আসেন।

ভোট দেওয়ার পর আমেনা বেগম বলেন, আমার শরীরটা ভালো না। ছেলেরে কইছি, ভোটের দিন আমারে লইয়া যাইবা—আমি ভোট দিমু। হাঁটতে পারি না, তাই কোলে কইরা আনছে। আমি যারে ভালো পাই, তারেই ভোট দিছি। ভোট দিয়া ভালো লাগতেছে।

শামসুল হক ঢালী বলেন, তার মা নিজে থেকেই ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। “তিনি হাঁটতে পারেন না। বয়স অনেক হয়েছে। তাই কোলে করে নিয়ে এসেছি। ভোট দিতে পেরে মা খুব খুশি।

স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, আমেনা বেগমের সঠিক বয়স জানা না গেলেও তিনি এলাকার সবচেয়ে প্রবীণ নারী। তাকে ছেলের কোলে করে ভোট দিতে আসতে দেখে অনেকেই আবেগাপ্লুত হন।

কেন্দ্রে এ সময় উৎসুক মানুষের ভিড় দেখা যায়। অনেকেই মোবাইল ফোনে ছবিও ধারণ করেন। স্থানীয়দের মতে, শারীরিক সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ গণতান্ত্রিক চেতনারই বহিঃপ্রকাশ।