ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ঋণ তথ্যে ভুল দিলেই ৫ লাখ টাকা জরিমানা, শাস্তির মুখে ব্যাংকের কর্মকর্তারাও

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 399

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি)-তে ভুল তথ্য প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। একই সঙ্গে, দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নির্দেশনা জারি করেছে।

আরও পড়ুন  সম্পদের হিসাব না দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতের ঋণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঋণের সঠিক তথ্য সরবরাহ করা বাধ্যতামূলক। প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণগ্রহীতাদের সব ধরনের ঋণতথ্য মাসিক ভিত্তিতে সিআইবি সিস্টেমে আপলোড করতে হবে। এখন থেকে এ তথ্য পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিল করতে হবে, যা আগে ২০ তারিখ পর্যন্ত করা যেত।

ঋণ তথ্য আপলোডের সাত কর্মদিবসের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি থাকলে তা সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হালনাগাদ না করা হলে, ব্যাখ্যাসহ কারণ তিন দিনের মধ্যে সিআইবিকে জানাতে হবে। তবে সেই ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষায়িত বিভাগ সিআইবি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণ করে। ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণগ্রহীতা আগে কোনো ঋণ গ্রহণ করেছেন কি না, পরিশোধ করেছেন কি না, অথবা খেলাপি তালিকায় আছেন কি না—এসব তথ্য সিআইবি থেকে জানা যায়। পাশাপাশি, ঋণের জামানতের তথ্যও এতে সংযুক্ত থাকে।

ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা আনতে ও ঋণপ্রক্রিয়া শৃঙ্খলিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঋণ তথ্যে ভুল দিলেই ৫ লাখ টাকা জরিমানা, শাস্তির মুখে ব্যাংকের কর্মকর্তারাও

আপডেট সময় ১০:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি)-তে ভুল তথ্য প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। একই সঙ্গে, দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নির্দেশনা জারি করেছে।

আরও পড়ুন  ই-ট্রাফিক ব্যবস্থা: জরিমানা না দিলে পরোয়ানা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতের ঋণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঋণের সঠিক তথ্য সরবরাহ করা বাধ্যতামূলক। প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণগ্রহীতাদের সব ধরনের ঋণতথ্য মাসিক ভিত্তিতে সিআইবি সিস্টেমে আপলোড করতে হবে। এখন থেকে এ তথ্য পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিল করতে হবে, যা আগে ২০ তারিখ পর্যন্ত করা যেত।

ঋণ তথ্য আপলোডের সাত কর্মদিবসের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি থাকলে তা সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হালনাগাদ না করা হলে, ব্যাখ্যাসহ কারণ তিন দিনের মধ্যে সিআইবিকে জানাতে হবে। তবে সেই ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষায়িত বিভাগ সিআইবি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণ করে। ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণগ্রহীতা আগে কোনো ঋণ গ্রহণ করেছেন কি না, পরিশোধ করেছেন কি না, অথবা খেলাপি তালিকায় আছেন কি না—এসব তথ্য সিআইবি থেকে জানা যায়। পাশাপাশি, ঋণের জামানতের তথ্যও এতে সংযুক্ত থাকে।

ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা আনতে ও ঋণপ্রক্রিয়া শৃঙ্খলিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।