ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি ঋণনির্ভর নয়, নিশ্চিত করলেন জেলেনস্কি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 484

ছবি: সংগৃহীত

 

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক চুক্তিতে কোনো ঋণ পরিশোধের শর্ত নেই। এটি সম্পূর্ণভাবে ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে করা হয়েছে।

সম্প্রতি কিছু গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, নতুন এই চুক্তির ফলে ইউক্রেন বিশাল অঙ্কের ঋণের বোঝায় জর্জরিত হতে পারে। তবে জেলেনস্কি এসব দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞ। তবে যদি এটি ঋণের শর্তে দেওয়া হতো, আমি তা কখনোই গ্রহণ করতাম না।”

আরও পড়ুন  ফ্রান্সের গোয়েন্দা সহযোগিতা: ইউক্রেনের নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্যোগ

তিনি আরও স্পষ্ট করেন, চুক্তিতে ৫০০ বিলিয়ন বা ১০০ বিলিয়ন ডলারের ঋণের কোনো শর্ত নেই। বরং এটি এমন একটি চুক্তি, যা ইউক্রেনের সামরিক শক্তি বজায় রাখার জন্য গঠন করা হয়েছে। এর অনুমোদনের জন্যও কোনো আলাদা শর্ত নেই।

জেলেনস্কি জানান, এই চুক্তিতে ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটি আরও শক্তিশালী সামরিক সহায়তা ও কৌশলগত নিরাপত্তা পাবে, যা চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি ইউক্রেনের জন্য কেবল অর্থনৈতিক নয়, সামরিক ও কূটনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে, এবং এই নতুন সমঝোতা উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করবে।

তবে এ নিয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই চুক্তি রাশিয়াকে আরও কূটনৈতিক চাপের মুখে ফেলতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেবে, তা সময়ই বলে দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তি ঋণনির্ভর নয়, নিশ্চিত করলেন জেলেনস্কি

আপডেট সময় ০৫:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক চুক্তিতে কোনো ঋণ পরিশোধের শর্ত নেই। এটি সম্পূর্ণভাবে ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে করা হয়েছে।

সম্প্রতি কিছু গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, নতুন এই চুক্তির ফলে ইউক্রেন বিশাল অঙ্কের ঋণের বোঝায় জর্জরিত হতে পারে। তবে জেলেনস্কি এসব দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞ। তবে যদি এটি ঋণের শর্তে দেওয়া হতো, আমি তা কখনোই গ্রহণ করতাম না।”

আরও পড়ুন  মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের হামলা, উত্তেজনা ছড়াল উপসাগরীয় অঞ্চলে

তিনি আরও স্পষ্ট করেন, চুক্তিতে ৫০০ বিলিয়ন বা ১০০ বিলিয়ন ডলারের ঋণের কোনো শর্ত নেই। বরং এটি এমন একটি চুক্তি, যা ইউক্রেনের সামরিক শক্তি বজায় রাখার জন্য গঠন করা হয়েছে। এর অনুমোদনের জন্যও কোনো আলাদা শর্ত নেই।

জেলেনস্কি জানান, এই চুক্তিতে ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটি আরও শক্তিশালী সামরিক সহায়তা ও কৌশলগত নিরাপত্তা পাবে, যা চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি ইউক্রেনের জন্য কেবল অর্থনৈতিক নয়, সামরিক ও কূটনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে, এবং এই নতুন সমঝোতা উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করবে।

তবে এ নিয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই চুক্তি রাশিয়াকে আরও কূটনৈতিক চাপের মুখে ফেলতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেবে, তা সময়ই বলে দেবে।