ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে দুই কমিশনারের চিঠি ফেরত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 31

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দপ্তরে দুই নির্বাচন কমিশনারের লেখা অভিযোগপত্রের অনুলিপি পাঠিয়েছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তবে চিঠি দুটি নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ নয়, বরং সংশ্লিষ্ট দুই কমিশনারের ব্যক্তিগত চিঠি হিসেবে বিবেচনা করায় এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তথ্য অধিকার (আরটিআই) আইনে পাওয়া নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ভারতের নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সাঁধু ও বিবেক যোশি জ্যেষ্ঠ উপনির্বাচন কমিশনার (ডিইসি) মনীশ গর্গের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে চিঠি দুটি লিখেছিলেন। চিঠি দুটি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছিল। পরে সেগুলো নিয়ে কী করা হয়েছিল, তা জানতে চেয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেন স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা অবসরপ্রাপ্ত কমোডর লোকেশ বাত্রা।

আরটিআই আবেদনের জবাবে পাওয়া নথিতে দেখা যায়, গত ৩ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ চিঠি দুটি সম্পর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের মতামত চাওয়ার প্রস্তাব দেয়। পরদিন ৪ আগস্টের একটি নোটে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনাররা চিঠি দুটি ব্যক্তিগতভাবে লিখেছেন। সেগুলো ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসিআই) আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ নয়।

আরও পড়ুন  রমজানে চলবে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযান, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘অলআউট অ্যাকশন’: ডিবিপ্রধান

নথি অনুযায়ী, চিঠি দুটির জবাবে শুধু প্রাপ্তিস্বীকার করা হয়েছিল। ৫ আগস্টের ওই প্রাপ্তিস্বীকারপত্রের অনুলিপি পাঠানো হয় কর্মী ও প্রশিক্ষণ বিভাগের (ডিওপিটি) সচিব, ওই বিভাগের প্রতিষ্ঠাপন কর্মকর্তা এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রধান ব্যক্তিগত সচিবের কাছে।

গত ৩ অক্টোবর হিন্দুস্তান টাইমস প্রথম চিঠি দুটির বিষয়বস্তু এবং সেগুলো ডিওপিটিতে পাঠানোর তথ্য প্রকাশ করে। তবে আরটিআইয়ের জবাবে জানা যায়, চিঠির অনুলিপি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছেও পাঠানো হয়েছিল। এর আগে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছিল, চিঠি দুটি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নয়, বরং দুই কমিশনার ব্যক্তিগতভাবে পাঠিয়েছিলেন বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপের আশঙ্কা

তথ্য অধিকার আইনের আওতায় লোকেশ বাত্রাকে দেওয়া নথিতে দেখা যায়, ৪ আগস্টের নোটে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ উল্লেখ করে, এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে ‘হস্তক্ষেপ’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। একই সঙ্গে মনীশ গর্গের বিষয়ে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় বিবেচনার জন্য বিষয়টি ডিওপিটির নথিতে সংরক্ষণের সুপারিশ করা হয়। গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে আরটিআই আবেদন করেছিলেন বাত্রা।

প্রায় একই ধরনের চিঠি দুটি গত ২৯ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিব টিভি সোমনাথনের কাছে পাঠানো হয়েছিল। সুখবীর সাঁধুর চিঠির সঙ্গে ২৮ জুলাই মনীশ গর্গের জারি করা একটি আদেশের অনুলিপিও যুক্ত ছিল। ওই আদেশে নিজের এবং নির্বাচন কমিশনের অন্য কর্মকর্তাদের কাজ বণ্টন করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের মহাপরিচালক সীমা খান্না এবং উপনির্বাচন কমিশনার সঞ্জয় কুমার।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ফাইল পাঠানো নিয়ে বিরোধ

হিন্দুস্তান টাইমসের ৩ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সীমা খান্নার অধীন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ফাইল পাঠানোর পদ্ধতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি ছিল দুই নির্বাচন কমিশনারের। এর আগে এসব ফাইল প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে পাঠানো হতো।

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠানো গোপনীয় চিঠিতে দুই কমিশনার অভিযোগ করেন, ২৮ জুলাই প্রশাসন বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব পান মনীশ গর্গ। ওই বিভাগের উপনির্বাচন কমিশনার ভানু প্রকাশ ইয়েতুরু ৯ আগস্ট পর্যন্ত ছুটিতে ছিলেন।

চিঠিতে বলা হয়, অতিরিক্ত দায়িত্ব পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গর্গ তাঁর সমপর্যায়ের ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কাজের দায়িত্ব বণ্টন করে একটি আদেশ জারি করেন। এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

এ বিষয়ে দুই কমিশনার ২০২৩ সালের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার আইনটির ১৮(১) ও ১৮(২) ধারা উল্লেখ করেন। বিবেক যোশি আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসন বিভাগ থেকে তিনি একটি ফাইল চাইলেও তা তাঁকে দেওয়া হয়নি।

আরটিআইয়ের জবাবে প্রাপ্তিস্বীকারের তথ্য

‘কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে’—লোকেশ বাত্রার এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা চিঠি দুটির প্রাপ্তিস্বীকার এবং বিভিন্ন কর্মকর্তার কাছে সেগুলোর অনুলিপি পাঠানোর তথ্য জানান।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও সীমা খান্নাকে ঘিরে চলমান বিতর্কের কারণে চিঠি দুটি এবং সেগুলোর জবাব নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, খান্নার উদ্যোগে চালু করা এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত নতুন তথ্যপ্রযুক্তি প্রোটোকলের কারণে ভোটার তালিকার তথ্যভান্ডারে প্রবেশাধিকার হারান নাম অন্তর্ভুক্তি বা বাদ দেওয়ার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা। এসব কর্মকর্তা নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা (ইআরও) হিসেবে পরিচিত।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। বিবেক যোশি ও সুখবীর সাঁধু বিভিন্ন সময়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছিলেন।

তবে নির্বাচন কমিশন এসব দাবি অস্বীকার করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নিয়ম মেনেই সব সিদ্ধান্ত হয় সর্বসম্মতিক্রমে অথবা সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে দুই কমিশনারের চিঠি ফেরত

আপডেট সময় ০৪:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দপ্তরে দুই নির্বাচন কমিশনারের লেখা অভিযোগপত্রের অনুলিপি পাঠিয়েছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তবে চিঠি দুটি নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ নয়, বরং সংশ্লিষ্ট দুই কমিশনারের ব্যক্তিগত চিঠি হিসেবে বিবেচনা করায় এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তথ্য অধিকার (আরটিআই) আইনে পাওয়া নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ভারতের নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সাঁধু ও বিবেক যোশি জ্যেষ্ঠ উপনির্বাচন কমিশনার (ডিইসি) মনীশ গর্গের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে চিঠি দুটি লিখেছিলেন। চিঠি দুটি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছিল। পরে সেগুলো নিয়ে কী করা হয়েছিল, তা জানতে চেয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেন স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা অবসরপ্রাপ্ত কমোডর লোকেশ বাত্রা।

আরটিআই আবেদনের জবাবে পাওয়া নথিতে দেখা যায়, গত ৩ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ চিঠি দুটি সম্পর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের মতামত চাওয়ার প্রস্তাব দেয়। পরদিন ৪ আগস্টের একটি নোটে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনাররা চিঠি দুটি ব্যক্তিগতভাবে লিখেছেন। সেগুলো ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসিআই) আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ নয়।

আরও পড়ুন  লুটপাট-অর্থপাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে সরকার: জোনায়েদ সাকি

নথি অনুযায়ী, চিঠি দুটির জবাবে শুধু প্রাপ্তিস্বীকার করা হয়েছিল। ৫ আগস্টের ওই প্রাপ্তিস্বীকারপত্রের অনুলিপি পাঠানো হয় কর্মী ও প্রশিক্ষণ বিভাগের (ডিওপিটি) সচিব, ওই বিভাগের প্রতিষ্ঠাপন কর্মকর্তা এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রধান ব্যক্তিগত সচিবের কাছে।

গত ৩ অক্টোবর হিন্দুস্তান টাইমস প্রথম চিঠি দুটির বিষয়বস্তু এবং সেগুলো ডিওপিটিতে পাঠানোর তথ্য প্রকাশ করে। তবে আরটিআইয়ের জবাবে জানা যায়, চিঠির অনুলিপি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছেও পাঠানো হয়েছিল। এর আগে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছিল, চিঠি দুটি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নয়, বরং দুই কমিশনার ব্যক্তিগতভাবে পাঠিয়েছিলেন বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপের আশঙ্কা

তথ্য অধিকার আইনের আওতায় লোকেশ বাত্রাকে দেওয়া নথিতে দেখা যায়, ৪ আগস্টের নোটে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ উল্লেখ করে, এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে ‘হস্তক্ষেপ’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। একই সঙ্গে মনীশ গর্গের বিষয়ে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় বিবেচনার জন্য বিষয়টি ডিওপিটির নথিতে সংরক্ষণের সুপারিশ করা হয়। গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে আরটিআই আবেদন করেছিলেন বাত্রা।

প্রায় একই ধরনের চিঠি দুটি গত ২৯ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিব টিভি সোমনাথনের কাছে পাঠানো হয়েছিল। সুখবীর সাঁধুর চিঠির সঙ্গে ২৮ জুলাই মনীশ গর্গের জারি করা একটি আদেশের অনুলিপিও যুক্ত ছিল। ওই আদেশে নিজের এবং নির্বাচন কমিশনের অন্য কর্মকর্তাদের কাজ বণ্টন করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের মহাপরিচালক সীমা খান্না এবং উপনির্বাচন কমিশনার সঞ্জয় কুমার।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ফাইল পাঠানো নিয়ে বিরোধ

হিন্দুস্তান টাইমসের ৩ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সীমা খান্নার অধীন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ফাইল পাঠানোর পদ্ধতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি ছিল দুই নির্বাচন কমিশনারের। এর আগে এসব ফাইল প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে পাঠানো হতো।

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠানো গোপনীয় চিঠিতে দুই কমিশনার অভিযোগ করেন, ২৮ জুলাই প্রশাসন বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব পান মনীশ গর্গ। ওই বিভাগের উপনির্বাচন কমিশনার ভানু প্রকাশ ইয়েতুরু ৯ আগস্ট পর্যন্ত ছুটিতে ছিলেন।

চিঠিতে বলা হয়, অতিরিক্ত দায়িত্ব পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গর্গ তাঁর সমপর্যায়ের ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কাজের দায়িত্ব বণ্টন করে একটি আদেশ জারি করেন। এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

এ বিষয়ে দুই কমিশনার ২০২৩ সালের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার আইনটির ১৮(১) ও ১৮(২) ধারা উল্লেখ করেন। বিবেক যোশি আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসন বিভাগ থেকে তিনি একটি ফাইল চাইলেও তা তাঁকে দেওয়া হয়নি।

আরটিআইয়ের জবাবে প্রাপ্তিস্বীকারের তথ্য

‘কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে’—লোকেশ বাত্রার এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা চিঠি দুটির প্রাপ্তিস্বীকার এবং বিভিন্ন কর্মকর্তার কাছে সেগুলোর অনুলিপি পাঠানোর তথ্য জানান।

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও সীমা খান্নাকে ঘিরে চলমান বিতর্কের কারণে চিঠি দুটি এবং সেগুলোর জবাব নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, খান্নার উদ্যোগে চালু করা এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত নতুন তথ্যপ্রযুক্তি প্রোটোকলের কারণে ভোটার তালিকার তথ্যভান্ডারে প্রবেশাধিকার হারান নাম অন্তর্ভুক্তি বা বাদ দেওয়ার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা। এসব কর্মকর্তা নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা (ইআরও) হিসেবে পরিচিত।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। বিবেক যোশি ও সুখবীর সাঁধু বিভিন্ন সময়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছিলেন।

তবে নির্বাচন কমিশন এসব দাবি অস্বীকার করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নিয়ম মেনেই সব সিদ্ধান্ত হয় সর্বসম্মতিক্রমে অথবা সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস