ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আরও কম্পন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 21

ছবি: সংগৃহীত

চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। একই রাতে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ওই অঞ্চলে আরও একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এ ছাড়া চীনের অন্য একটি এলাকাতেও ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের জাতীয় ভূকম্পনবিদ্যা কেন্দ্র (এনসিএস)। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভারতীয় সময় রাতের এসব ভূমিকম্পের ঘটনায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

এনসিএসের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় রাত ৮টা ৩ মিনিটে তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের অরুণাচল প্রদেশের পাঙ্গিন এলাকা থেকে প্রায় ৪৮৯ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৭৩ কিলোমিটার।

এর প্রায় ৩৯ মিনিট পর, রাত ৮টা ৪২ মিনিটে একই অঞ্চলে ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। এনসিএস জানিয়েছে, এর উৎপত্তিস্থল ছিল অরুণাচল প্রদেশের বাসার এলাকা থেকে প্রায় ৩২৩ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১৫ কিলোমিটার।

আরও পড়ুন  চীনের তিব্বত অঞ্চলে ভূমিকম্পে ১২৬ জন লোক নিহত ও ১৮৮ জন আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ

এদিকে, একই দিন ভারতীয় সময় রাত ৮টা ২৯ মিনিটে চীনের অন্য একটি এলাকায় ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এনসিএসের তথ্য অনুযায়ী, এর উৎপত্তিস্থল ছিল অরুণাচল প্রদেশের পাঙ্গিন এলাকা থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কিলোমিটার।

তিব্বতে ভূমিকম্পের ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যার কয়েক সপ্তাহ আগে গত আগস্টে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছিল। ওই দুর্যোগে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নেমে আসা বন্যার পানি নেপালের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বহু বাড়িঘর ও ভবন ভেসে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

তবে সর্বশেষ ভূমিকম্পগুলোতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

সূত্র: এনডিটিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আরও কম্পন

আপডেট সময় ১০:৪৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। একই রাতে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ওই অঞ্চলে আরও একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এ ছাড়া চীনের অন্য একটি এলাকাতেও ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের জাতীয় ভূকম্পনবিদ্যা কেন্দ্র (এনসিএস)। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভারতীয় সময় রাতের এসব ভূমিকম্পের ঘটনায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

এনসিএসের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় রাত ৮টা ৩ মিনিটে তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের অরুণাচল প্রদেশের পাঙ্গিন এলাকা থেকে প্রায় ৪৮৯ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৭৩ কিলোমিটার।

এর প্রায় ৩৯ মিনিট পর, রাত ৮টা ৪২ মিনিটে একই অঞ্চলে ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। এনসিএস জানিয়েছে, এর উৎপত্তিস্থল ছিল অরুণাচল প্রদেশের বাসার এলাকা থেকে প্রায় ৩২৩ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১৫ কিলোমিটার।

আরও পড়ুন  দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ছাতক

এদিকে, একই দিন ভারতীয় সময় রাত ৮টা ২৯ মিনিটে চীনের অন্য একটি এলাকায় ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এনসিএসের তথ্য অনুযায়ী, এর উৎপত্তিস্থল ছিল অরুণাচল প্রদেশের পাঙ্গিন এলাকা থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কিলোমিটার।

তিব্বতে ভূমিকম্পের ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যার কয়েক সপ্তাহ আগে গত আগস্টে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছিল। ওই দুর্যোগে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নেমে আসা বন্যার পানি নেপালের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বহু বাড়িঘর ও ভবন ভেসে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

তবে সর্বশেষ ভূমিকম্পগুলোতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

সূত্র: এনডিটিভি