ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য ন্যায্য অর্থায়ন চাইল বাংলাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 25

ছবি সংগৃহীত

 

 

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ন্যায্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য দ্রুত আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করতে বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো সংস্কারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে চতুর্থ ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ) লিডার্স মিটিংয়ে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ এ আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  দেশে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, মোট ভোটার ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘ডেভেলপমেন্ট রিসেট অ্যান্ড কোঅপারেশন’ শীর্ষক এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিভিএফের চেয়ার ও বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটলি। বৈঠকে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বৈঠকে সাইমুম পারভেজ বৈশ্বিক জলবায়ু কার্যক্রমের কেন্দ্রে ‘জাস্টিস, অ্যাম্বিশন অ্যান্ড সলিডারিটি’কে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জলবায়ু ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর কণ্ঠ আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন তিনি।

বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বন্যা, লবণাক্ততা ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব তুলে ধরে সাইমুম পারভেজ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন শুধু ভবিষ্যতের সংকট নয়, এটি বর্তমানে অস্তিত্বের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর স্বার্থ ও দাবিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। ঢাকা ডিক্লারেশন ২০১১ থেকে ঢাকা-গ্লাসগো ডিক্লারেশন ২০২১ পর্যন্ত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ইস্যুকে বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসতে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

সাইমুম পারভেজ বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে কথা বললে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষে সেই দাবিকে উপেক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বৈঠকে ভায়াবিলিটি কমপ্যাক্ট এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানান তিনি। পাশাপাশি জলবায়ুজনিত দুর্যোগের কারণে ব্যালান্স অব পেমেন্টসের ওপর তৈরি হওয়া চাপ মোকাবিলায় দ্রুত তারল্য সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রস্তাবিত ‘লাইফলাইন ফান্ড’ কার্যকর করার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থনের কথা জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের ক্ষেত্রে একটি বড় দুর্যোগই কয়েক বছরের উন্নয়ন অর্জনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই জলবায়ুজনিত ধাক্কার পর দ্রুত ও কার্যকর আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সক্ষম একটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রয়োজন।

চতুর্থ সিভিএফ লিডার্স মিটিংয়েও ভায়াবিলিটি কমপ্যাক্ট এগিয়ে নেওয়া, লাইফলাইন ফান্ড কার্যকর করা এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সাশ্রয়ী ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখতে আরও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানান সাইমুম পারভেজ। তিনি বাংলাদেশের ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন অনুযায়ী ২০৩৫ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ২০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন।

জলবায়ু ও অর্থায়নের দ্বৈত সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান ঋণের চাপের কারণে অনেক জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত থেকে অর্থ সরিয়ে ঋণ পরিশোধে ব্যয় করতে হচ্ছে।

আসন্ন কপ-৩১ সামনে রেখে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য চারটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন সাইমুম পারভেজ। এর মধ্যে রয়েছে পূর্বানুমেয়, সহজলভ্য, স্বল্পসুদে ও ন্যায্য জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা; লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড পুরোপুরি কার্যকর করে দ্রুত অর্থ ছাড় করা; ঋণ সহায়তা ও সহজ শর্তের অর্থায়ন বাড়াতে বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো সংস্কার করা এবং জলবায়ু জবাবদিহিতা জোরদারে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) পরামর্শমূলক মতামত কাজে লাগানো।

সাইমুম পারভেজ বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে স্কুল নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা, মৌলিক উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতা তৈরির মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে বাধ্য করা যাবে না। এ জন্য আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও ন্যায্য ও কার্যকর করার পাশাপাশি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রয়োজন রয়েছে।

বক্তব্যের শেষে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি। জলবায়ু কার্যক্রমকে সবার জন্য টেকসই ও ন্যায়সংগত উন্নয়নের চালিকাশক্তিতে পরিণত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত চতুর্থ সিভিএফ লিডার্স মিটিংয়ে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সাশ্রয়ী দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন, দ্রুত তারল্য সহায়তা এবং জলবায়ু সহনশীল উন্নয়নের সুযোগ তৈরির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য ন্যায্য অর্থায়ন চাইল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১১:৫৫:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ন্যায্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য দ্রুত আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করতে বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো সংস্কারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে চতুর্থ ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ) লিডার্স মিটিংয়ে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ এ আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  দেশে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, মোট ভোটার ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘ডেভেলপমেন্ট রিসেট অ্যান্ড কোঅপারেশন’ শীর্ষক এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিভিএফের চেয়ার ও বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটলি। বৈঠকে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বৈঠকে সাইমুম পারভেজ বৈশ্বিক জলবায়ু কার্যক্রমের কেন্দ্রে ‘জাস্টিস, অ্যাম্বিশন অ্যান্ড সলিডারিটি’কে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জলবায়ু ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর কণ্ঠ আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন তিনি।

বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বন্যা, লবণাক্ততা ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব তুলে ধরে সাইমুম পারভেজ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন শুধু ভবিষ্যতের সংকট নয়, এটি বর্তমানে অস্তিত্বের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর স্বার্থ ও দাবিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। ঢাকা ডিক্লারেশন ২০১১ থেকে ঢাকা-গ্লাসগো ডিক্লারেশন ২০২১ পর্যন্ত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ইস্যুকে বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসতে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

সাইমুম পারভেজ বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে কথা বললে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষে সেই দাবিকে উপেক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বৈঠকে ভায়াবিলিটি কমপ্যাক্ট এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানান তিনি। পাশাপাশি জলবায়ুজনিত দুর্যোগের কারণে ব্যালান্স অব পেমেন্টসের ওপর তৈরি হওয়া চাপ মোকাবিলায় দ্রুত তারল্য সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রস্তাবিত ‘লাইফলাইন ফান্ড’ কার্যকর করার পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থনের কথা জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের ক্ষেত্রে একটি বড় দুর্যোগই কয়েক বছরের উন্নয়ন অর্জনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই জলবায়ুজনিত ধাক্কার পর দ্রুত ও কার্যকর আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সক্ষম একটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রয়োজন।

চতুর্থ সিভিএফ লিডার্স মিটিংয়েও ভায়াবিলিটি কমপ্যাক্ট এগিয়ে নেওয়া, লাইফলাইন ফান্ড কার্যকর করা এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সাশ্রয়ী ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখতে আরও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানান সাইমুম পারভেজ। তিনি বাংলাদেশের ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন অনুযায়ী ২০৩৫ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ২০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন।

জলবায়ু ও অর্থায়নের দ্বৈত সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান ঋণের চাপের কারণে অনেক জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত থেকে অর্থ সরিয়ে ঋণ পরিশোধে ব্যয় করতে হচ্ছে।

আসন্ন কপ-৩১ সামনে রেখে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য চারটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন সাইমুম পারভেজ। এর মধ্যে রয়েছে পূর্বানুমেয়, সহজলভ্য, স্বল্পসুদে ও ন্যায্য জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা; লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড পুরোপুরি কার্যকর করে দ্রুত অর্থ ছাড় করা; ঋণ সহায়তা ও সহজ শর্তের অর্থায়ন বাড়াতে বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো সংস্কার করা এবং জলবায়ু জবাবদিহিতা জোরদারে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) পরামর্শমূলক মতামত কাজে লাগানো।

সাইমুম পারভেজ বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে স্কুল নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা, মৌলিক উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতা তৈরির মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে বাধ্য করা যাবে না। এ জন্য আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থাকে আরও ন্যায্য ও কার্যকর করার পাশাপাশি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রয়োজন রয়েছে।

বক্তব্যের শেষে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি। জলবায়ু কার্যক্রমকে সবার জন্য টেকসই ও ন্যায়সংগত উন্নয়নের চালিকাশক্তিতে পরিণত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত চতুর্থ সিভিএফ লিডার্স মিটিংয়ে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সাশ্রয়ী দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন, দ্রুত তারল্য সহায়তা এবং জলবায়ু সহনশীল উন্নয়নের সুযোগ তৈরির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।