ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ-ভুটান বৈঠকে সার্ক পুনরুজ্জীবনের আহ্বান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 23

ছবি সংগৃহীত

 

জার্মানি যাওয়ার পথে ঢাকায় স্বল্প সময়ের যাত্রাবিরতিতে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগেকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান তারা। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানানো হয়।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগের মুক্ত দ্বার — ড. মুহাম্মদ ইউনূস

পরে ভিভিআইপি লাউঞ্জে প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশ হিসেবে ভুটানের ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রশংসা করা হয়।

আলোচনায় ভুটানের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি) প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের আগ্রহের কথা জানানো হয়। প্রয়োজনীয় পেশাজীবী, দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি সরবরাহের মাধ্যমে প্রকল্পটিতে অবদান রাখার প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ।

এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের সম্মিলিত কল্যাণ ও আঞ্চলিক সমৃদ্ধির জন্য সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে ভুটানের সমর্থন ও সহযোগিতা চাওয়া হয়। এ সময় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আঞ্চলিক সহযোগিতার ভাবনার কথাও স্মরণ করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী জার্মানির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ-ভুটান বৈঠকে সার্ক পুনরুজ্জীবনের আহ্বান

আপডেট সময় ০৫:০৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

জার্মানি যাওয়ার পথে ঢাকায় স্বল্প সময়ের যাত্রাবিরতিতে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগেকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান তারা। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানানো হয়।

আরও পড়ুন  ঢাকায় ট্রানজিট নিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

পরে ভিভিআইপি লাউঞ্জে প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশ হিসেবে ভুটানের ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রশংসা করা হয়।

আলোচনায় ভুটানের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি) প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের আগ্রহের কথা জানানো হয়। প্রয়োজনীয় পেশাজীবী, দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি সরবরাহের মাধ্যমে প্রকল্পটিতে অবদান রাখার প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ।

এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের সম্মিলিত কল্যাণ ও আঞ্চলিক সমৃদ্ধির জন্য সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে ভুটানের সমর্থন ও সহযোগিতা চাওয়া হয়। এ সময় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আঞ্চলিক সহযোগিতার ভাবনার কথাও স্মরণ করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী জার্মানির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।