ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর ডিজাইন শেষ: প্রধানমন্ত্রী জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া সকলের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে শিবগঞ্জে পোনামাছ অবমুক্ত বাংলাদেশ-হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় কমাতে ব্যবস্থা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরে গিয়ে আবেগাপ্লুত রাষ্ট্রপতি, দেখলেন প্রামাণ্যচিত্র হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনা, নিহত ২ সেনাসদস্য রাজধানীর যেসব এলাকায় বৃহস্পতিবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ থাকবে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য-মাননীয়’ নয়

চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর ডিজাইন শেষ: প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 8

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার যাতায়াতে সময় ও দূরত্ব কমাতে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

আরও পড়ুন  এইডস ঝুঁকিতে দেশ: চট্টগ্রামে নতুন রোগী ৭৫

তিনি বলেন, অর্থায়ন পাওয়া সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এতে ট্রেনের গড় গতি বাড়ার পাশাপাশি যাতায়াতের সময়ও কমবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব কমানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে দূরত্ব কমবে এবং ট্রেনের গড় গতি বাড়বে। ফলে অল্প সময়ে দুই শহরের মধ্যে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের উদ্যোগের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ উদ্যোগের আওতায় টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইনের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন। অন্যদিকে, টঙ্গী-আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে ট্রেনের গতি বৃদ্ধির মাধ্যমে যাতায়াত আরও দ্রুত হবে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর ডিজাইন শেষ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৪৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার যাতায়াতে সময় ও দূরত্ব কমাতে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

আরও পড়ুন  সাভারের হেমায়েতপুরে সেনাবাহিনীর অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

তিনি বলেন, অর্থায়ন পাওয়া সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এতে ট্রেনের গড় গতি বাড়ার পাশাপাশি যাতায়াতের সময়ও কমবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব কমানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে দূরত্ব কমবে এবং ট্রেনের গড় গতি বাড়বে। ফলে অল্প সময়ে দুই শহরের মধ্যে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের উদ্যোগের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ উদ্যোগের আওতায় টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইনের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন। অন্যদিকে, টঙ্গী-আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে ট্রেনের গতি বৃদ্ধির মাধ্যমে যাতায়াত আরও দ্রুত হবে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।