ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর ডিজাইন শেষ: প্রধানমন্ত্রী জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া সকলের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে শিবগঞ্জে পোনামাছ অবমুক্ত বাংলাদেশ-হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় কমাতে ব্যবস্থা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরে গিয়ে আবেগাপ্লুত রাষ্ট্রপতি, দেখলেন প্রামাণ্যচিত্র হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনা, নিহত ২ সেনাসদস্য রাজধানীর যেসব এলাকায় বৃহস্পতিবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ থাকবে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য-মাননীয়’ নয়

জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া সকলের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 23

ছবি সংগৃহীত

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরতে স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাদুঘরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  আবু সাঈদের ছবি না থাকলে সেটি কোনো ডকুমেন্টারি নয়: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরে রাষ্ট্রপতি লংওয়াক টু ডেমোক্রেসি ওয়াকওয়ে, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বিভিন্ন ঐতিহাসিক চিত্র, দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনা, মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘর ঘুরে দেখেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি এবং গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। তবে এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হয়েছে। শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের ঋণ রাষ্ট্র কখনো শোধ করতে পারবে না। দেশে যেন আর কখনো এ ধরনের মর্মান্তিক ও নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ না ঘটে, সে বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতনসামগ্রী এবং জোরপূর্বক গুমের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। শহীদদের চিঠি, স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন দেখে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁদের আত্মত্যাগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন।

পরে জাদুঘর প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন রাষ্ট্রপতি এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় তাঁর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানসহ রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া সকলের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৭:২১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরতে স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাদুঘরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  নতুন রাষ্ট্রপতি কে, আলোচনায় একাধিক নাম

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরে রাষ্ট্রপতি লংওয়াক টু ডেমোক্রেসি ওয়াকওয়ে, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বিভিন্ন ঐতিহাসিক চিত্র, দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনা, মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘর ঘুরে দেখেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি এবং গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। তবে এর জন্য অনেক বড় মূল্য দিতে হয়েছে। শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের ঋণ রাষ্ট্র কখনো শোধ করতে পারবে না। দেশে যেন আর কখনো এ ধরনের মর্মান্তিক ও নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ না ঘটে, সে বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতনসামগ্রী এবং জোরপূর্বক গুমের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। শহীদদের চিঠি, স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন দেখে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁদের আত্মত্যাগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন।

পরে জাদুঘর প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন রাষ্ট্রপতি এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় তাঁর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানসহ রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।