ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আনন্দবাজারের অফিসের সামনে আন্দোলন, ফটকে গেরুয়া রং

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 17

ছবি সংগৃহীত

 

পশ্চিমবঙ্গের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেদনের শিরোনামে ‘গেরুয়া গুন্ডামি’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদে কলকাতায় আনন্দবাজার পত্রিকার প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন গেরুয়া পোশাকধারী একদল ব্যক্তি। এ সময় ভবনের মূল ফটকে গেরুয়া উত্তরীয় ঝুলিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সামনের দেয়ালে গেরুয়া রং লেপে দেওয়া হয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২০ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ওই ঘটনার পর আনন্দবাজার পত্রিকা প্রথম পাতায় ‘গেরুয়া গুন্ডামি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গেটের ঐতিহ্যবাহী প্রতীক ভাঙচুরের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ

প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিজেপি ও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর একাংশ এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পত্রিকাটির সম্পাদক ও কয়েকজন সাংবাদিককে লক্ষ্য করে বিভিন্ন আপত্তিকর পোস্টও ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি ‘হিন্দু জাগরণ মঞ্চ’ নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে বউবাজার থানায় এফআইআর করা হয়।

এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও আপত্তি জানান। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে তিনি ‘গেরুয়া’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদ করে আনন্দবাজারকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান এবং তা না হলে গেরুয়া বসনধারীরা রাস্তায় নামবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতার প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিটে আনন্দবাজারের প্রধান কার্যালয়ের সামনে একটি সনাতনী সংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের অনেকের পরনে ছিল গেরুয়া পোশাক। তারা ‘জয় শ্রীরাম’ এবং ‘আনন্দবাজার ধিক ধিক ধিক্কার’ স্লোগান দেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীদের একজন আনন্দবাজারের অফিস ভবনের সামনের দেয়ালে গেরুয়া রং লেপে দিচ্ছেন। আরেকজনকে ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিতে দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তাদের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে আনন্দবাজার পত্রিকার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

সূত্র: এবিপি আনন্দ, বিবিসি বাংলা

নিউজটি শেয়ার করুন

আনন্দবাজারের অফিসের সামনে আন্দোলন, ফটকে গেরুয়া রং

আপডেট সময় ০৭:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

পশ্চিমবঙ্গের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেদনের শিরোনামে ‘গেরুয়া গুন্ডামি’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদে কলকাতায় আনন্দবাজার পত্রিকার প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন গেরুয়া পোশাকধারী একদল ব্যক্তি। এ সময় ভবনের মূল ফটকে গেরুয়া উত্তরীয় ঝুলিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সামনের দেয়ালে গেরুয়া রং লেপে দেওয়া হয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২০ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ওই ঘটনার পর আনন্দবাজার পত্রিকা প্রথম পাতায় ‘গেরুয়া গুন্ডামি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গেটের ঐতিহ্যবাহী প্রতীক ভাঙচুরের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

আরও পড়ুন  অর্থনৈতিক সংকট থেকে সামাজিক বিস্ফোরণ, টালমাটাল ইরানের শাসনব্যবস্থা

প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিজেপি ও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর একাংশ এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পত্রিকাটির সম্পাদক ও কয়েকজন সাংবাদিককে লক্ষ্য করে বিভিন্ন আপত্তিকর পোস্টও ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি ‘হিন্দু জাগরণ মঞ্চ’ নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে বউবাজার থানায় এফআইআর করা হয়।

এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও আপত্তি জানান। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে তিনি ‘গেরুয়া’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদ করে আনন্দবাজারকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান এবং তা না হলে গেরুয়া বসনধারীরা রাস্তায় নামবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতার প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিটে আনন্দবাজারের প্রধান কার্যালয়ের সামনে একটি সনাতনী সংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের অনেকের পরনে ছিল গেরুয়া পোশাক। তারা ‘জয় শ্রীরাম’ এবং ‘আনন্দবাজার ধিক ধিক ধিক্কার’ স্লোগান দেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীদের একজন আনন্দবাজারের অফিস ভবনের সামনের দেয়ালে গেরুয়া রং লেপে দিচ্ছেন। আরেকজনকে ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিতে দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তাদের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে আনন্দবাজার পত্রিকার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

সূত্র: এবিপি আনন্দ, বিবিসি বাংলা