ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :

সার্ক কার্যকর করতে একমত, বাংলাদেশ-নেপাল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 32

ছবি সংগৃহীত

 

সার্ককে পুনরায় কার্যকর করার বিষয়ে একমত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে আঞ্চলিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে সার্ককে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

বুধবার (২৯ জুলাই) স্পিকারের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দুই দেশের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন  হাজারীবাগে আগুনে পুড়ল বহুতল বাণিজ্যিক ভবন

সাক্ষাৎকালে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রসারের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জনের লক্ষ্যেই সার্ক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। সার্ককে পুনরায় কার্যকর করে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের সুযোগ এখনো রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ ক্ষেত্রে নেপালকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান কায়সার কামাল। নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

নেপালের ফেডারেল পার্লামেন্টে বাংলাদেশ-নেপাল পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠিত হয়েছে জেনে নেপাল সংসদের স্পিকার দোল প্রসাদ আরিয়ালকে ধন্যবাদ জানান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদেও শিগগির বাংলাদেশ-নেপাল পার্লামেন্টারি মৈত্রী গ্রুপ গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

দুই দেশের সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ কার্যকর হলে জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন কায়সার কামাল। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত করা, পারস্পরিক সংসদীয় সফর আয়োজন, আইন প্রণয়ন ও সুশাসনের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দুই দেশের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগও এতে বাড়বে বলে জানান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার।

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানির প্রসঙ্গ তুলে কায়সার কামাল বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুবসমাজ ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, পানি, জ্বালানি, আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও আলোচনার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। দুই দেশকে এসব সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জনের পথে বিভিন্ন সূচকে যে অগ্রগতি করছে, তারও প্রশংসা করেন নেপালের রাষ্ট্রদূত। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন অর্জনে সক্ষম হবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব দ্য মিশন প্রতিক কার্কি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সার্ক কার্যকর করতে একমত, বাংলাদেশ-নেপাল

আপডেট সময় ০৩:১৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

 

সার্ককে পুনরায় কার্যকর করার বিষয়ে একমত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে আঞ্চলিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে সার্ককে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

বুধবার (২৯ জুলাই) স্পিকারের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দুই দেশের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন  স্বৈরাচারের পক্ষে কেউ থাকলে এই বাংলাদেশে তার ঠাঁই হবে না: হাসনাত আবদুল্লাহ

সাক্ষাৎকালে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রসারের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জনের লক্ষ্যেই সার্ক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। সার্ককে পুনরায় কার্যকর করে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের সুযোগ এখনো রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ ক্ষেত্রে নেপালকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান কায়সার কামাল। নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

নেপালের ফেডারেল পার্লামেন্টে বাংলাদেশ-নেপাল পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠিত হয়েছে জেনে নেপাল সংসদের স্পিকার দোল প্রসাদ আরিয়ালকে ধন্যবাদ জানান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদেও শিগগির বাংলাদেশ-নেপাল পার্লামেন্টারি মৈত্রী গ্রুপ গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

দুই দেশের সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ কার্যকর হলে জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন কায়সার কামাল। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত করা, পারস্পরিক সংসদীয় সফর আয়োজন, আইন প্রণয়ন ও সুশাসনের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দুই দেশের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগও এতে বাড়বে বলে জানান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার।

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানির প্রসঙ্গ তুলে কায়সার কামাল বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুবসমাজ ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, পানি, জ্বালানি, আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও আলোচনার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। দুই দেশকে এসব সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

সাক্ষাৎকালে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন অভিযাত্রার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জনের পথে বিভিন্ন সূচকে যে অগ্রগতি করছে, তারও প্রশংসা করেন নেপালের রাষ্ট্রদূত। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন অর্জনে সক্ষম হবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব দ্য মিশন প্রতিক কার্কি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।