ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত, তেলের দাম নিম্নমুখী যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালে, পাল্টা হামলা চালাবে না ইরান দুপুরের মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত: ইরান দেশের বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ পর্যালোচনায় সরকার: আইনমন্ত্রী রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য, বহুমুখীকরণে জোর সরকারের সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন শেখ হাসিনার সঙ্গে সাহাবুদ্দিনের ফোনালাপের তথ্য নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চাকরির পেছনে নয়, কর্মসংস্থান তৈরির আহ্বান মির্জা ফখরুলের

দেশের বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৩৯:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • / 13

ছবি: সংগৃহীত

 

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)। সোমবার, ২৭ জুলাই প্রকাশিত সংস্থাটির গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে। গবেষকদের মতে, বিষয়টি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ইএসডিওর গবেষণায় দেশের বাজার থেকে সংগ্রহ করা ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি ছিল শিশুদের জন্য তৈরি, যার চারটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। শিশুদের এসব টুথপেস্টে প্রতি ১০০ গ্রামে ২০ থেকে ১৪০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু; মোট প্রাণহানি ৩১

গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন ইএসডিওর রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি অ্যাসোসিয়েট ড. ফয়জুন নাহার। তিনি জানান, খুচরা দোকান, সুপারশপ ও পাইকারি বাজার থেকে নমুনা সংগ্রহ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি অব এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজিতে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, মোট নমুনার ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশে মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে, আর আটটি নমুনায় শনাক্তযোগ্য মাত্রায় এর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

গবেষণা অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লোরাইড জেল’-এ। এতে প্রতি ১০০ গ্রামে ৩২০টি কণা শনাক্ত হয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ এই ব্র্যান্ড ব্যবহার করেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘ক্লোজ আপ রেড হট’ ও ‘ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ’-এ ১৬০টি করে, ‘কোডোমো আলট্রা শিল্ড ফর্মুলা (স্ট্রবেরি)’-তে ১৪০টি, ‘সিগন্যাল গ্রিন টি’-তে ১২০টি এবং ‘পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট’ ও ‘হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার’-এ ১০০টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।

‘সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্ট’-এ ৮০টি এবং ‘পেপসোডেন্ট সেনসিটিভ এক্সপার্ট’, ‘হোয়াইট প্লাস রেড’, ‘হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ জেল’, ‘সিগন্যাল হোয়াইটেনিং’, ‘মেরিল বেবি (স্ট্রবেরি)’ ও ‘মেডিপ্লাস টিজিপি ফর্মুলা’-য় ৬০টি করে কণা শনাক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া ‘এমপিএম হারবাল’, ‘মেডিপ্লাস ডিএস’, ‘পেপসোডেন্ট জার্মিচেক’, ‘মেরিল বেবি (অরেঞ্জ)’, ‘ম্যাজিক হারবাল’, ‘মেসওয়াক’ এবং ‘ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ স্যাশে’-তে ৪০টি করে কণা পাওয়া গেছে। ‘ডেন্টিন জেল’, ‘পেপসোডেন্ট কিডস (অরেঞ্জ)’, ‘ক্লোজআপ লেমন সি সল্ট’, ‘ব্রাশ আপ হোয়াইটেনিং জেল’ ও ‘হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ’-এ প্রতি ১০০ গ্রামে ২০টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব শিশুদের টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘কোডোমো আলট্রা শিল্ড ফর্মুলা (স্ট্রবেরি)’, ‘মেরিল বেবি (স্ট্রবেরি)’, ‘মেরিল বেবি (অরেঞ্জ)’ এবং ‘পেপসোডেন্ট কিডস (অরেঞ্জ)’।

অন্যদিকে, ‘প্যারোডন্ট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার’, ‘জেনফ্রেশ’, ‘প্যারাস্যুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো)’, ‘সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল’, ‘কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ’, ‘ক্লোজআপ রেড হট জিঙ্ক ফ্রেশ টেকনোলজি’, ‘কোডোমো (অরেঞ্জ)’ এবং ‘কোলগেট অ্যাকটিভ সল্ট’-এ শনাক্তযোগ্য মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে ‘কোডোমো (অরেঞ্জ)’ ও ‘প্যারাস্যুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো)’ শিশুদের জন্য তৈরি টুথপেস্ট।

গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী মাইক্রোপ্লাস্টিক শ্বাসতন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র, রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা, হৃদ্‌রোগ-সংবহনতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এর সম্ভাব্য প্রভাবের মধ্যে প্রদাহ, অঙ্গের ক্ষতি, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, প্রজননক্ষমতা হ্রাস এবং ভ্রূণের বিকাশে বিরূপ প্রভাবের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণার অংশ হিসেবে ২ হাজার ৭৬০ জনের ওপর পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, ৪২ শতাংশ উত্তরদাতা কখনো মাইক্রোপ্লাস্টিক সম্পর্কে শোনেননি। অন্যদিকে, ২৭ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা এ বিষয়ে সচেতন।

ইএসডিওর মহাসচিব শাহরিয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, উৎপাদন ব্যয় কমানোর উদ্দেশ্যে কিছু ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়। তার দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল এবং ভোক্তা অধিকার আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক

আপডেট সময় ০৯:৩৯:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

 

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)। সোমবার, ২৭ জুলাই প্রকাশিত সংস্থাটির গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে। গবেষকদের মতে, বিষয়টি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ইএসডিওর গবেষণায় দেশের বাজার থেকে সংগ্রহ করা ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি ছিল শিশুদের জন্য তৈরি, যার চারটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। শিশুদের এসব টুথপেস্টে প্রতি ১০০ গ্রামে ২০ থেকে ১৪০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৬

গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন ইএসডিওর রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি অ্যাসোসিয়েট ড. ফয়জুন নাহার। তিনি জানান, খুচরা দোকান, সুপারশপ ও পাইকারি বাজার থেকে নমুনা সংগ্রহ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি অব এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজিতে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, মোট নমুনার ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশে মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে, আর আটটি নমুনায় শনাক্তযোগ্য মাত্রায় এর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

গবেষণা অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লোরাইড জেল’-এ। এতে প্রতি ১০০ গ্রামে ৩২০টি কণা শনাক্ত হয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ এই ব্র্যান্ড ব্যবহার করেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘ক্লোজ আপ রেড হট’ ও ‘ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ’-এ ১৬০টি করে, ‘কোডোমো আলট্রা শিল্ড ফর্মুলা (স্ট্রবেরি)’-তে ১৪০টি, ‘সিগন্যাল গ্রিন টি’-তে ১২০টি এবং ‘পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট’ ও ‘হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার’-এ ১০০টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।

‘সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্ট’-এ ৮০টি এবং ‘পেপসোডেন্ট সেনসিটিভ এক্সপার্ট’, ‘হোয়াইট প্লাস রেড’, ‘হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ জেল’, ‘সিগন্যাল হোয়াইটেনিং’, ‘মেরিল বেবি (স্ট্রবেরি)’ ও ‘মেডিপ্লাস টিজিপি ফর্মুলা’-য় ৬০টি করে কণা শনাক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া ‘এমপিএম হারবাল’, ‘মেডিপ্লাস ডিএস’, ‘পেপসোডেন্ট জার্মিচেক’, ‘মেরিল বেবি (অরেঞ্জ)’, ‘ম্যাজিক হারবাল’, ‘মেসওয়াক’ এবং ‘ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ স্যাশে’-তে ৪০টি করে কণা পাওয়া গেছে। ‘ডেন্টিন জেল’, ‘পেপসোডেন্ট কিডস (অরেঞ্জ)’, ‘ক্লোজআপ লেমন সি সল্ট’, ‘ব্রাশ আপ হোয়াইটেনিং জেল’ ও ‘হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ’-এ প্রতি ১০০ গ্রামে ২০টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব শিশুদের টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘কোডোমো আলট্রা শিল্ড ফর্মুলা (স্ট্রবেরি)’, ‘মেরিল বেবি (স্ট্রবেরি)’, ‘মেরিল বেবি (অরেঞ্জ)’ এবং ‘পেপসোডেন্ট কিডস (অরেঞ্জ)’।

অন্যদিকে, ‘প্যারোডন্ট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার’, ‘জেনফ্রেশ’, ‘প্যারাস্যুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো)’, ‘সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল’, ‘কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ’, ‘ক্লোজআপ রেড হট জিঙ্ক ফ্রেশ টেকনোলজি’, ‘কোডোমো (অরেঞ্জ)’ এবং ‘কোলগেট অ্যাকটিভ সল্ট’-এ শনাক্তযোগ্য মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে ‘কোডোমো (অরেঞ্জ)’ ও ‘প্যারাস্যুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো)’ শিশুদের জন্য তৈরি টুথপেস্ট।

গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী মাইক্রোপ্লাস্টিক শ্বাসতন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র, রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা, হৃদ্‌রোগ-সংবহনতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এর সম্ভাব্য প্রভাবের মধ্যে প্রদাহ, অঙ্গের ক্ষতি, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, প্রজননক্ষমতা হ্রাস এবং ভ্রূণের বিকাশে বিরূপ প্রভাবের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণার অংশ হিসেবে ২ হাজার ৭৬০ জনের ওপর পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, ৪২ শতাংশ উত্তরদাতা কখনো মাইক্রোপ্লাস্টিক সম্পর্কে শোনেননি। অন্যদিকে, ২৭ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা এ বিষয়ে সচেতন।

ইএসডিওর মহাসচিব শাহরিয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, উৎপাদন ব্যয় কমানোর উদ্দেশ্যে কিছু ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়। তার দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল এবং ভোক্তা অধিকার আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।