ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, প্লাবনের শঙ্কায় নিম্নাঞ্চল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / 66

ছবি: সংগৃহীত

 

উজানের ঢল ও টানা ভারি বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে নীলফামারীর ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার, ২২ জুলাই সকাল ৯টার পর থেকে নদী তীরবর্তী বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে। পানি আরও বাড়লে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৪ মিটার। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার হওয়ায় পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  সিকিমে টানা ভূমিকম্পে কাঁপল অঞ্চল, কম্পন টের বাংলাদেশেও

পানি বৃদ্ধির ফলে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এছাড়া জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিচু এলাকাও প্লাবনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে। পানি আরও বাড়তে থাকলে এসব এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, বুধবার সকাল ৯টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তিনি বলেন, পানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, প্লাবনের শঙ্কায় নিম্নাঞ্চল

আপডেট সময় ১২:৩১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

 

উজানের ঢল ও টানা ভারি বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে নীলফামারীর ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার, ২২ জুলাই সকাল ৯টার পর থেকে নদী তীরবর্তী বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে। পানি আরও বাড়লে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৪ মিটার। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার হওয়ায় পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় জনগণের নির্ভরযোগ্য আস্থা আনসার-ভিডিপি: প্রধানমন্ত্রী

পানি বৃদ্ধির ফলে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এছাড়া জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিচু এলাকাও প্লাবনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে। পানি আরও বাড়তে থাকলে এসব এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, বুধবার সকাল ৯টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তিনি বলেন, পানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।