ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
তেলাপোকার আন্দোলন ইস্যুতে মুখ খুললেন মোদি ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বললেন লা লিগা সভাপতি গুগলের নতুন নিয়মে ব্যাকআপও গুনবে স্টোরেজ পূর্বশত্রুতার জেরে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা আটকের ঘণ্টা কয়েক পর মুক্তি পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা বেনজীরকে ফেরাতে নীতিগত সম্মতি, অতিরিক্ত তথ্য চেয়েছে দুবাই পুলিশ প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী

বেনজীরকে ফেরাতে নীতিগত সম্মতি, অতিরিক্ত তথ্য চেয়েছে দুবাই পুলিশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / 23

ছবি: সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে দুবাই পুলিশ। তবে প্রত্যর্পণের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের আগে কয়েকটি বিষয়ে ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। যদিও ঠিক কোন বিষয়গুলোতে তথ্য চাওয়া হয়েছে, তা প্রকাশ করেনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন  নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতায় ৫ জেলায় আহত অর্ধশত

দুদক জানায়, বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দুবাই পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে দুদক। যাচাই-বাছাই শেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দুবাই পুলিশের কাছে পাঠাবে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদ দুদকের মামলার আসামি হওয়ায় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় নথিসহ আবেদন পাঠানো হয়েছিল। সেই আবেদনের জবাবে দুবাই পুলিশ চারটি বিষয়ে অতিরিক্ত তথ্য ও ব্যাখ্যা চেয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দ্রুত এসব তথ্য পাঠাবেন।

দুদক জানায়, গত ১৪ জুন দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করে। এর দুই দিন পর, ১৬ জুন তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নথিসহ প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকায় বিশেষ প্রক্রিয়ায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ৮৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ছয়টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটিতে তিনি প্রধান আসামি এবং বাকি তিনটিতে সহযোগী আসামি।

এছাড়া, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় দুদক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। বর্তমানে সেই মামলার বিচার চলছে। দুদকের আবেদনের ভিত্তিতেই ওই মামলায় দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বেনজীরকে ফেরাতে নীতিগত সম্মতি, অতিরিক্ত তথ্য চেয়েছে দুবাই পুলিশ

আপডেট সময় ০৮:৪৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

 

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে দুবাই পুলিশ। তবে প্রত্যর্পণের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের আগে কয়েকটি বিষয়ে ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। যদিও ঠিক কোন বিষয়গুলোতে তথ্য চাওয়া হয়েছে, তা প্রকাশ করেনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন  সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪৫২ জন

দুদক জানায়, বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দুবাই পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে দুদক। যাচাই-বাছাই শেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দুবাই পুলিশের কাছে পাঠাবে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদ দুদকের মামলার আসামি হওয়ায় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় নথিসহ আবেদন পাঠানো হয়েছিল। সেই আবেদনের জবাবে দুবাই পুলিশ চারটি বিষয়ে অতিরিক্ত তথ্য ও ব্যাখ্যা চেয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দ্রুত এসব তথ্য পাঠাবেন।

দুদক জানায়, গত ১৪ জুন দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করে। এর দুই দিন পর, ১৬ জুন তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নথিসহ প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকায় বিশেষ প্রক্রিয়ায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ৮৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ছয়টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটিতে তিনি প্রধান আসামি এবং বাকি তিনটিতে সহযোগী আসামি।

এছাড়া, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় দুদক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। বর্তমানে সেই মামলার বিচার চলছে। দুদকের আবেদনের ভিত্তিতেই ওই মামলায় দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করে।