ট্রাফিকে এআই ক্যামেরার সঙ্গে ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ প্রযুক্তি আনছে ডিএমপি
- আপডেট সময় ১২:৩১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
- / 8
রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই ক্যামেরার পাশাপাশি ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ প্রযুক্তির ক্যামেরা যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। কম খরচে নজরদারির আওতা বাড়ানো এবং ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন আরও কার্যকর করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ডিএমপি সদর দপ্তরে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বর্তমানে ব্যবহৃত এআই ক্যামেরাগুলো কার্যকর হলেও তুলনামূলক ব্যয়বহুল। সে কারণে কম খরচে রাজধানীর আরও বেশি এলাকায় নজরদারি বাড়াতে ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এসব ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো গেলে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে ডিএমপি আশা করছে।
এআই ক্যামেরা চালুর পর নগরবাসীর ইতিবাচক সাড়ার কথাও উল্লেখ করেন আনিছুর রহমান। তিনি বলেন, মাত্র দুই মাসের মধ্যেই মানুষ ট্রাফিক আইন মেনে চলা, সিগন্যাল অনুসরণ এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগে সহযোগিতা করছেন। এতে বোঝা যায়, নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই নিয়ম মেনে চলছেন।
রাজধানীর যানজটের কারণ তুলে ধরে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, ঢাকায় যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহনের মিশ্র চলাচল, অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, আনফিট গাড়ি এবং উন্নত গণপরিবহনের অভাব যানজটের অন্যতম কারণ।
তিনি আরও বলেন, পথচারীদের যত্রতত্র রাস্তা পারাপারের প্রবণতাও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক ক্ষেত্রেই ট্রাফিক সিগন্যাল চালু থাকলেও পথচারীরা নির্ধারিত সময় অপেক্ষা না করে রাস্তা পার হন, যা যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে।
মো. আনিছুর রহমান জানান, রাজধানীর কোন এলাকায় কখন যানজট বেশি হয়, সে বিষয়ে ডিএমপির সুস্পষ্ট ধারণা রয়েছে। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। বর্তমানে রাজধানীর প্রায় ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টা ট্রাফিক সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপ সামাল দিতে শুধু ম্যানুয়াল পদ্ধতির ওপর নির্ভর না করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।





















