ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হাসপাতাল বন্ধ না করে দোষীদের শাস্তি চাইলেন আদ্-দ্বীনে নিহতের বাবা শিশু সুরক্ষায় টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের স্লোভাকিয়া—মধ্য ইউরোপের পাহাড়, ইতিহাস ও আধুনিক অগ্রগতির দেশ মালয়েশিয়া পাচারের সময় টেকনাফে উদ্ধার ৫০ আটক ৯ ‘পাচারকারী’ সাভারে তিন পোশাক কারখানায় ছাঁটাই, কর্মহীন প্রায় ১৯’শ শ্রমিক উত্তরখানে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: একই পরিবারের ৩ সদস্য আইসিইউতে চারদিকে মেঘ, তবুও কমছে না গরম; অস্বস্তিতে ঢাকাবাসী রোববার থেকে বাড়ছে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন পুতিন ১৫ বছর বয়সেই ভারত দলে সূর্যবংশী, টি-টোয়েন্টির নতুন অধিনায়ক আইয়ার

মালয়েশিয়া পাচারের সময় টেকনাফে উদ্ধার ৫০ আটক ৯ ‘পাচারকারী’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • / 16

ছবি সংগৃহীত

 

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে মানবপাচারবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫০ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নয়জনকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শাহপরীর দ্বীপ ও বাহারছড়া উপকূলসংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে একটি সন্দেহভাজন নৌযানকে চিহ্নিত করা হয়।

কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, নৌযানটিকে থামার নির্দেশ দেওয়া হলেও সেটি দ্রুত গভীর সমুদ্রের দিকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে নৌকাটি আটক করা হয়। তল্লাশির সময় সেখানে থাকা ৫০ জনকে উদ্ধার করা হয় এবং পাচার কার্যক্রমে জড়িত সন্দেহে নয়জনকে আটক করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জন রোহিঙ্গা নাগরিক এবং বাকিরা দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা জানান, মানবপাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে টেকনাফ এলাকায় নিয়ে আসছিল। পরে তাদের বিভিন্ন গোপন স্থানে আটকে রেখে পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হতো। সুযোগ বুঝে সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল চক্রটির।

উদ্ধার হওয়া কয়েকজন জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ চাকরির প্রলোভনে বাড়ি ছেড়েছিলেন, আবার কয়েকজনকে জোরপূর্বক আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মানবপাচার আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।

কোস্ট গার্ড বলছে, উপকূলীয় এলাকায় মানবপাচার প্রতিরোধে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এই সংস্করণটি সংবাদপত্রে প্রকাশযোগ্য করে নতুন ভাষা, নতুন কাঠামো ও পেশাদার রিপোর্টিং স্টাইলে সাজানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়া পাচারের সময় টেকনাফে উদ্ধার ৫০ আটক ৯ ‘পাচারকারী’

আপডেট সময় ০৭:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে মানবপাচারবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫০ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নয়জনকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শাহপরীর দ্বীপ ও বাহারছড়া উপকূলসংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে একটি সন্দেহভাজন নৌযানকে চিহ্নিত করা হয়।

কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, নৌযানটিকে থামার নির্দেশ দেওয়া হলেও সেটি দ্রুত গভীর সমুদ্রের দিকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে নৌকাটি আটক করা হয়। তল্লাশির সময় সেখানে থাকা ৫০ জনকে উদ্ধার করা হয় এবং পাচার কার্যক্রমে জড়িত সন্দেহে নয়জনকে আটক করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জন রোহিঙ্গা নাগরিক এবং বাকিরা দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা জানান, মানবপাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে টেকনাফ এলাকায় নিয়ে আসছিল। পরে তাদের বিভিন্ন গোপন স্থানে আটকে রেখে পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হতো। সুযোগ বুঝে সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল চক্রটির।

উদ্ধার হওয়া কয়েকজন জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ চাকরির প্রলোভনে বাড়ি ছেড়েছিলেন, আবার কয়েকজনকে জোরপূর্বক আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মানবপাচার আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।

কোস্ট গার্ড বলছে, উপকূলীয় এলাকায় মানবপাচার প্রতিরোধে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এই সংস্করণটি সংবাদপত্রে প্রকাশযোগ্য করে নতুন ভাষা, নতুন কাঠামো ও পেশাদার রিপোর্টিং স্টাইলে সাজানো হয়েছে।