ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

মাইক্রোবাস থেকে ছুঁড়ে ফেলা বস্তায় মিলল যুবকের মরদেহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 124

ছবি সংগৃহীত

 

মাগুরার এক যুবকের বস্তাবন্দি ও গলাকাটা মরদেহ ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (৫ মে) রাত প্রায় ৮টার দিকে উপজেলার হাটখোলা গ্রামের একটি নির্জন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক এবং ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়েছে।

নিহত রবিউল ইসলাম (৩৫) মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সিন্দাইন গ্রামের বাসিন্দা গোলাম সারোয়ারের ছেলে। তিনি পেশায় পাওয়ার ট্রিলার চালক ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাস বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামের বটতলা এলাকার নির্জন স্থানে এসে থামে। এ সময় গাড়ি থেকে একটি বস্তা রাস্তার পাশে ফেলে রেখে দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা এগিয়ে যান।

আরও পড়ুন  ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মাইক্রোবাসটি পালানোর চেষ্টা করলে এলাকাবাসী ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। গাড়িতে থাকা কয়েকজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হন, আর অন্যরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা বস্তার মুখ খুলে ভেতরে এক যুবকের গলাকাটা ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নযুক্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আটক দুজনকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। আটককৃতরা হলেন বোয়ালমারী উপজেলার আন্দারকোঠা গ্রামের শাহাজাদা এবং একই এলাকার পংকজ সাহার ছেলে তপু শাহা।

নিহতের মামা মুশা মোল্যা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে রবিউল ইসলাম একই গ্রামের হাফেজ মোল্যার ছেলে শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামে তার জামাইবাড়িতে যান। সেখানে একটি পাওনা মোটরসাইকেল নিয়ে শাহিদুলের জামাইয়ের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শাহিদুল রবিউলকে ওই স্থানে রেখে চলে আসেন এবং এরপর থেকেই রবিউলের খোঁজ মিলছিল না। বর্তমানে শাহিদুল ইসলাম ও তার জামাই শহিদুল হক পলাতক রয়েছেন।

বোয়ালমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে এবং আটককৃত দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মাইক্রোবাস থেকে ছুঁড়ে ফেলা বস্তায় মিলল যুবকের মরদেহ

আপডেট সময় ১১:৫৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

মাগুরার এক যুবকের বস্তাবন্দি ও গলাকাটা মরদেহ ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (৫ মে) রাত প্রায় ৮টার দিকে উপজেলার হাটখোলা গ্রামের একটি নির্জন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক এবং ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়েছে।

নিহত রবিউল ইসলাম (৩৫) মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সিন্দাইন গ্রামের বাসিন্দা গোলাম সারোয়ারের ছেলে। তিনি পেশায় পাওয়ার ট্রিলার চালক ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাস বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামের বটতলা এলাকার নির্জন স্থানে এসে থামে। এ সময় গাড়ি থেকে একটি বস্তা রাস্তার পাশে ফেলে রেখে দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা এগিয়ে যান।

আরও পড়ুন  মিটফোর্ডে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

মাইক্রোবাসটি পালানোর চেষ্টা করলে এলাকাবাসী ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। গাড়িতে থাকা কয়েকজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হন, আর অন্যরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা বস্তার মুখ খুলে ভেতরে এক যুবকের গলাকাটা ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নযুক্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আটক দুজনকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। আটককৃতরা হলেন বোয়ালমারী উপজেলার আন্দারকোঠা গ্রামের শাহাজাদা এবং একই এলাকার পংকজ সাহার ছেলে তপু শাহা।

নিহতের মামা মুশা মোল্যা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে রবিউল ইসলাম একই গ্রামের হাফেজ মোল্যার ছেলে শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে বোয়ালমারীর হাটখোলা গ্রামে তার জামাইবাড়িতে যান। সেখানে একটি পাওনা মোটরসাইকেল নিয়ে শাহিদুলের জামাইয়ের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শাহিদুল রবিউলকে ওই স্থানে রেখে চলে আসেন এবং এরপর থেকেই রবিউলের খোঁজ মিলছিল না। বর্তমানে শাহিদুল ইসলাম ও তার জামাই শহিদুল হক পলাতক রয়েছেন।

বোয়ালমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে এবং আটককৃত দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।