ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত ১ লাখ পরিবারকে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / 132

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের হাওর অঞ্চলে অতিবৃষ্টি ও উজানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত এক লাখ পরিবারকে আর্থিক ও খাদ্য সহায়তার আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। মন্ত্রী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে পরিবার চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে এবং তাদের জীবনমান সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানান, সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশের কিছু এলাকায় ৪০ শতাংশ ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে এবং প্রায় ৬০ শতাংশ ফসল বর্তমানে পানির নিচে তলিয়ে আছে। এই সংকট মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আগামী তিন মাস নিয়মিতভাবে আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে।
দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাঁধ ও পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত সাংবাদিক আনিস আলমগীর

হাওর অঞ্চলে বারবার ফসলের ক্ষতির কারণ উদঘাটনে উচ্চপর্যায়ের একটি দল শিগগিরই সুনামগঞ্জ সফর করবে বলে জানান মন্ত্রী। এই প্রতিনিধি দলে কৃষিমন্ত্রী, অর্থ উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। এছাড়া ক্রমবর্ধমান বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
এ বছর বজ্রপাতে ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে হাওর ও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের সুরক্ষায় বিশেষ টাওয়ার ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ধান কাটার সময় কৃষকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুবিধার্থে সাইরেনের মাধ্যমে আগাম সতর্কবার্তা প্রদানের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি ও সতর্কতা, দুর্যোগকালীন খাদ্য সহায়তা এবং দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন—এই তিন স্তরে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতেও মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে এবং বরাদ্দকৃত সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত ১ লাখ পরিবারকে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

 

দেশের হাওর অঞ্চলে অতিবৃষ্টি ও উজানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত এক লাখ পরিবারকে আর্থিক ও খাদ্য সহায়তার আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। মন্ত্রী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে পরিবার চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে এবং তাদের জীবনমান সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানান, সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশের কিছু এলাকায় ৪০ শতাংশ ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে এবং প্রায় ৬০ শতাংশ ফসল বর্তমানে পানির নিচে তলিয়ে আছে। এই সংকট মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আগামী তিন মাস নিয়মিতভাবে আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে।
দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাঁধ ও পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  বছর শুরুর মাসেই ৫৫৯ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮৭

হাওর অঞ্চলে বারবার ফসলের ক্ষতির কারণ উদঘাটনে উচ্চপর্যায়ের একটি দল শিগগিরই সুনামগঞ্জ সফর করবে বলে জানান মন্ত্রী। এই প্রতিনিধি দলে কৃষিমন্ত্রী, অর্থ উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। এছাড়া ক্রমবর্ধমান বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
এ বছর বজ্রপাতে ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে হাওর ও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের সুরক্ষায় বিশেষ টাওয়ার ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ধান কাটার সময় কৃষকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুবিধার্থে সাইরেনের মাধ্যমে আগাম সতর্কবার্তা প্রদানের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি ও সতর্কতা, দুর্যোগকালীন খাদ্য সহায়তা এবং দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন—এই তিন স্তরে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতেও মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে এবং বরাদ্দকৃত সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।