ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

না ফেরার দেশে বলিউডের দাপুটে অভিনেতা ভরত কাপুর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 16

ছবি সংগৃহীত

 

বলিউডের রুপালি পর্দার এক সময়ের চিরচেনা ও দাপুটে অভিনেতা ভরত কাপুর আর নেই। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ৩টার দিকে মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।

সত্তর দশকে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করা ভরত কাপুর তাঁর সংযত অভিনয় ও চমৎকার সংলাপ উপস্থাপনের মাধ্যমে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন। বড় পর্দার পাশাপাশি থিয়েটারেও ছিল তাঁর সমান বিচরণ। বিশেষ করে খলনায়কের সহচর, আইনজীবী কিংবা পুলিশ—প্রতিটি চরিত্রেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাবলীল।

আরও পড়ুন  আহত সাইফ আলী খানের মেরুদণ্ডে আঘাত নিয়ে শঙ্কায় চিকিৎসকরা

তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে— ‘নুরি’ (১৯৭৯), ‘রাম বলরাম’ (১৯৮০), ‘লাভ স্টোরি’ (১৯৮১), ‘বাজার’ (১৯৮২), ‘আখরি রাস্তা’ (১৯৮৬), ‘স্বর্গ’ (১৯৯০), ‘খুদা গাওয়া’ (১৯৯২) এবং ‘মীনাক্ষী: এ টেল অফ থ্রি সিটিজ’ (২০০৪)।

সিনেমার পাশাপাশি ভারতীয় টেলিভিশনেরও জনপ্রিয় মুখ ছিলেন তিনি। ‘ক্যাম্পাস’, ‘শাঁস’, ‘আমানত’, ‘তারা’ ও ‘চুনোতি’-র মতো কালজয়ী সব মেগা ধারাবাহিকের মাধ্যমে তিনি ঘরে ঘরে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। মূল চরিত্রে না থেকেও শুধু অভিনয় দক্ষতা দিয়ে আলাদা নজর কাড়তে পারতেন তিনি।

ভরত কাপুরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তাঁর দীর্ঘ ৫০ বছরের বন্ধু ও সহকর্মী অবতার গিল। তিনি জানান, অভিনেতা বেশ কয়েকদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে ভরত কাপুর স্ত্রী লোপা এবং দুই ছেলে রাহুল ও সাগরকে রেখে গেছেন। এর আগে তাঁর একমাত্র কন্যা কবিতা অকালপ্রয়াত হন।

তাঁর প্রয়াণে বলিউডের অভিনয় জগতে এক শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে পর্দার এই গুণী শিল্পী আজীবন বেঁচে থাকবেন তাঁর অসংখ্য জনপ্রিয় কাজের মধ্য দিয়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

না ফেরার দেশে বলিউডের দাপুটে অভিনেতা ভরত কাপুর

আপডেট সময় ১১:৪৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

 

বলিউডের রুপালি পর্দার এক সময়ের চিরচেনা ও দাপুটে অভিনেতা ভরত কাপুর আর নেই। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ৩টার দিকে মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।

সত্তর দশকে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করা ভরত কাপুর তাঁর সংযত অভিনয় ও চমৎকার সংলাপ উপস্থাপনের মাধ্যমে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন। বড় পর্দার পাশাপাশি থিয়েটারেও ছিল তাঁর সমান বিচরণ। বিশেষ করে খলনায়কের সহচর, আইনজীবী কিংবা পুলিশ—প্রতিটি চরিত্রেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাবলীল।

আরও পড়ুন  বলিউড তারকা মালাইকা আরোরার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে— ‘নুরি’ (১৯৭৯), ‘রাম বলরাম’ (১৯৮০), ‘লাভ স্টোরি’ (১৯৮১), ‘বাজার’ (১৯৮২), ‘আখরি রাস্তা’ (১৯৮৬), ‘স্বর্গ’ (১৯৯০), ‘খুদা গাওয়া’ (১৯৯২) এবং ‘মীনাক্ষী: এ টেল অফ থ্রি সিটিজ’ (২০০৪)।

সিনেমার পাশাপাশি ভারতীয় টেলিভিশনেরও জনপ্রিয় মুখ ছিলেন তিনি। ‘ক্যাম্পাস’, ‘শাঁস’, ‘আমানত’, ‘তারা’ ও ‘চুনোতি’-র মতো কালজয়ী সব মেগা ধারাবাহিকের মাধ্যমে তিনি ঘরে ঘরে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। মূল চরিত্রে না থেকেও শুধু অভিনয় দক্ষতা দিয়ে আলাদা নজর কাড়তে পারতেন তিনি।

ভরত কাপুরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তাঁর দীর্ঘ ৫০ বছরের বন্ধু ও সহকর্মী অবতার গিল। তিনি জানান, অভিনেতা বেশ কয়েকদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে ভরত কাপুর স্ত্রী লোপা এবং দুই ছেলে রাহুল ও সাগরকে রেখে গেছেন। এর আগে তাঁর একমাত্র কন্যা কবিতা অকালপ্রয়াত হন।

তাঁর প্রয়াণে বলিউডের অভিনয় জগতে এক শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে পর্দার এই গুণী শিল্পী আজীবন বেঁচে থাকবেন তাঁর অসংখ্য জনপ্রিয় কাজের মধ্য দিয়ে।