ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নাতনি জাইমা রহমানের হাতে খালেদা জিয়ার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ সেন্সর বোর্ডের কাঁচি: ৬৩টি দৃশ্য বাদ দিয়ে প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘ভূত বাংলা’ আইআরজিসির নিয়ন্ত্রণে চীনা গোয়েন্দা স্যাটেলাইট: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য আন্দোরা পাহাড়, পর্যটন আর শান্ত জীবনের ক্ষুদ্র রাষ্ট্র স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের জন্য এবার তামিমের ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ শুক্রবার রাতে ঢাকা ছাড়ছে প্রথম হজ ফ্লাইট: উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আজ আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বিএসএফ ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন: এক জওয়ান নিহত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী

প্রচণ্ড গরমে শরীর সতেজ রাখতে যা খাবেন এবং যা খাবেন না

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 28

ছবি সংগৃহীত

 

গরমে শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে নিচের খাবারগুলো খাদ্যতালিকায় রাখুন:
পানিসমৃদ্ধ ফল ও সবজি: তরমুজ, বাঙ্গি, শসা ও টমেটোর মতো পানিসমৃদ্ধ খাবার শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখে। এগুলো ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যাওয়া পানি ও প্রয়োজনীয় লবণের ঘাটতি পূরণ করে।
প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট: ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটের সেরা উৎস। এ ছাড়া লেবুর শরবত, লাচ্ছি বা ঘোল শরীরের ক্লান্তি দূর করে দ্রুত সতেজতা ফিরিয়ে আনে।
দই ও প্রোবায়োটিক: দই শরীর ঠাণ্ডা রাখার পাশাপাশি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। গরমের দুপুরে টক দই বা ঘোল বেশ আরামদায়ক হতে পারে।
হালকা ও সহজপাচ্য খাবার: অতিরিক্ত তেল-মশলার বদলে পাতলা ঝোল বা হালকা খাবার শরীরের জন্য বেশি উপযোগী। এতে বিপাক প্রক্রিয়ায় শরীর কম উত্তপ্ত হয়।
পুদিনা পাতার জাদু: পুদিনা ও লেবুর শরবত শরীরে তাৎক্ষণিক প্রশান্তি আনে এবং গরমজনিত মাথাব্যথা বা অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে।

গরমে যেসব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো
অসতর্কভাবে ভুল খাবার খেলে শরীরে পানিশূন্যতা ও অসুস্থতা বাড়তে পারে:
ভাজাপোড়া ও তৈলাক্ত খাবার: ডুবো তেলে ভাজা খাবার শরীরে বিপাকীয় তাপ বাড়িয়ে দেয় এবং হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে।
অতিরিক্ত ঝাল ও মশলা: মশলাযুক্ত খাবার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, যার ফলে অতিরিক্ত ঘাম ও অস্বস্তি তৈরি হয়।
ক্যাফেইন ও সফট ড্রিংকস: চা, কফি বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত কোমল পানীয় শরীরকে পানিশূন্য করে তোলে। খুব বেশি ঠাণ্ডা সফট ড্রিংকস সাময়িক আরাম দিলেও দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
প্রসেসড ও ফাস্ট ফুড: পিৎজা, বার্গারের মতো খাবার শরীরকে ভারী করে তোলে এবং অলসতা বাড়িয়ে দেয়।

বাড়তি কিছু টিপস
পর্যাপ্ত পানি: দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই সাথে পানির বোতল রাখুন।
ধীরে পান করুন: প্রচণ্ড গরম থেকে এসে হঠাৎ করে বরফ-ঠাণ্ডা পানি পান করবেন না; এটি শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন: দুপুরের খাবারে শাক-সবজি ও ফলের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাইরে বের হলে ছাতা এবং হালকা রঙের সুতির পোশাক ব্যবহারের চেষ্টা করুন। শরীর বেশি ক্লান্ত মনে হলে দ্রুত স্যালাইন বা ডাবের পানি পান করুন।
সঠিক খাদ্যাভ্যাসই পারে আপনাকে এই তীব্র গরমে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রচণ্ড গরমে শরীর সতেজ রাখতে যা খাবেন এবং যা খাবেন না

আপডেট সময় ০২:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

 

গরমে শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে নিচের খাবারগুলো খাদ্যতালিকায় রাখুন:
পানিসমৃদ্ধ ফল ও সবজি: তরমুজ, বাঙ্গি, শসা ও টমেটোর মতো পানিসমৃদ্ধ খাবার শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখে। এগুলো ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যাওয়া পানি ও প্রয়োজনীয় লবণের ঘাটতি পূরণ করে।
প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট: ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটের সেরা উৎস। এ ছাড়া লেবুর শরবত, লাচ্ছি বা ঘোল শরীরের ক্লান্তি দূর করে দ্রুত সতেজতা ফিরিয়ে আনে।
দই ও প্রোবায়োটিক: দই শরীর ঠাণ্ডা রাখার পাশাপাশি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। গরমের দুপুরে টক দই বা ঘোল বেশ আরামদায়ক হতে পারে।
হালকা ও সহজপাচ্য খাবার: অতিরিক্ত তেল-মশলার বদলে পাতলা ঝোল বা হালকা খাবার শরীরের জন্য বেশি উপযোগী। এতে বিপাক প্রক্রিয়ায় শরীর কম উত্তপ্ত হয়।
পুদিনা পাতার জাদু: পুদিনা ও লেবুর শরবত শরীরে তাৎক্ষণিক প্রশান্তি আনে এবং গরমজনিত মাথাব্যথা বা অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে।

গরমে যেসব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো
অসতর্কভাবে ভুল খাবার খেলে শরীরে পানিশূন্যতা ও অসুস্থতা বাড়তে পারে:
ভাজাপোড়া ও তৈলাক্ত খাবার: ডুবো তেলে ভাজা খাবার শরীরে বিপাকীয় তাপ বাড়িয়ে দেয় এবং হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে।
অতিরিক্ত ঝাল ও মশলা: মশলাযুক্ত খাবার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, যার ফলে অতিরিক্ত ঘাম ও অস্বস্তি তৈরি হয়।
ক্যাফেইন ও সফট ড্রিংকস: চা, কফি বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত কোমল পানীয় শরীরকে পানিশূন্য করে তোলে। খুব বেশি ঠাণ্ডা সফট ড্রিংকস সাময়িক আরাম দিলেও দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
প্রসেসড ও ফাস্ট ফুড: পিৎজা, বার্গারের মতো খাবার শরীরকে ভারী করে তোলে এবং অলসতা বাড়িয়ে দেয়।

বাড়তি কিছু টিপস
পর্যাপ্ত পানি: দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই সাথে পানির বোতল রাখুন।
ধীরে পান করুন: প্রচণ্ড গরম থেকে এসে হঠাৎ করে বরফ-ঠাণ্ডা পানি পান করবেন না; এটি শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন: দুপুরের খাবারে শাক-সবজি ও ফলের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাইরে বের হলে ছাতা এবং হালকা রঙের সুতির পোশাক ব্যবহারের চেষ্টা করুন। শরীর বেশি ক্লান্ত মনে হলে দ্রুত স্যালাইন বা ডাবের পানি পান করুন।
সঠিক খাদ্যাভ্যাসই পারে আপনাকে এই তীব্র গরমে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে।