ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়া সকলের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে শিবগঞ্জে পোনামাছ অবমুক্ত বাংলাদেশ-হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় কমাতে ব্যবস্থা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরে গিয়ে আবেগাপ্লুত রাষ্ট্রপতি, দেখলেন প্রামাণ্যচিত্র হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনা, নিহত ২ সেনাসদস্য রাজধানীর যেসব এলাকায় বৃহস্পতিবার ৮ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ থাকবে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য-মাননীয়’ নয় স্থানীয় নির্বাচনে আইনে বাধা না থাকলে সবাই প্রার্থী হতে পারবেন: সিইসি

কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ: শিবগঞ্জে শিক্ষামন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 133

ছবি সংগৃহীত

 

পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষের বিশেষ ক্ষণে দেশের কৃষকদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও ভাগ্য বদলাতে বহুল প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ পৌরসভার উথলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে এই মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এদিন শিবগঞ্জ পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডের ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষক ও কৃষাণীর হাতে এই ডিজিটাল কার্ড তুলে দেওয়া হয়। একইসাথে পরিবেশ রক্ষায় প্রতিটি কৃষককে একটি করে ফলজ ও বনজ চারাগাছ উপহার দেওয়া হয়।

ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, কৃষক কার্ড চালুর মাধ্যমে কৃষি সহায়তায় পূর্ণ স্বচ্ছতা আসবে এবং প্রান্তিক কৃষকের অর্থনৈতিক অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরকারি ভর্তুকি, সার ও বীজের সুবিধা সরাসরি কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। পহেলা বৈশাখের এই বিশেষ দিনে দেশজুড়ে ১৪টি উপজেলায় একযোগে ২২ হাজার কৃষকের মাঝে এই কার্ড বিতরণের ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু হলো।

আরও পড়ুন  দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে শিবগঞ্জে পোনামাছ অবমুক্ত

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ডিজিটাল এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের তথ্যভাণ্ডার তৈরি হওয়ায় তাদের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনা সহজ হবে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। বক্তারা উল্লেখ করেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি ঋণ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিপ্লব নিয়ে আসবে। পহেলা বৈশাখের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি এমন কার্যকর সরকারি সহায়তা পেয়ে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ: শিবগঞ্জে শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:১৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

 

পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষের বিশেষ ক্ষণে দেশের কৃষকদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও ভাগ্য বদলাতে বহুল প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ পৌরসভার উথলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে এই মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এদিন শিবগঞ্জ পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডের ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষক ও কৃষাণীর হাতে এই ডিজিটাল কার্ড তুলে দেওয়া হয়। একইসাথে পরিবেশ রক্ষায় প্রতিটি কৃষককে একটি করে ফলজ ও বনজ চারাগাছ উপহার দেওয়া হয়।

ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, কৃষক কার্ড চালুর মাধ্যমে কৃষি সহায়তায় পূর্ণ স্বচ্ছতা আসবে এবং প্রান্তিক কৃষকের অর্থনৈতিক অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরকারি ভর্তুকি, সার ও বীজের সুবিধা সরাসরি কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। পহেলা বৈশাখের এই বিশেষ দিনে দেশজুড়ে ১৪টি উপজেলায় একযোগে ২২ হাজার কৃষকের মাঝে এই কার্ড বিতরণের ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু হলো।

আরও পড়ুন  শিবগঞ্জে পানিবন্দি হাজার হাজার পরিবার

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ডিজিটাল এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের তথ্যভাণ্ডার তৈরি হওয়ায় তাদের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনা সহজ হবে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। বক্তারা উল্লেখ করেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি ঋণ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিপ্লব নিয়ে আসবে। পহেলা বৈশাখের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি এমন কার্যকর সরকারি সহায়তা পেয়ে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।