ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 143

ছবি সংগৃহীত

সরকার গঠনের তিন সপ্তাহের মাথায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে বনানী, ঢাকা-র টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডের ৩৭ হাজারের বেশি নারীপ্রধান পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ঘরে ঘরে সুফল পৌঁছাবে: বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী

একদিন আগে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ১৩ জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই, একাধিক ভাতা গ্রহণকারীদের বাদ দেওয়া এবং সরকারি চাকরিজীবীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রতিটি নির্বাচিত পরিবারকে একটি করে আধুনিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হবে। স্পর্শবিহীন চিপ ও কিউআর কোড সম্বলিত এই কার্ড নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে জানানো হয়েছে। একটি পরিবারের পাঁচজন সদস্যের জন্য একটি কার্ড দেওয়া হবে। সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়া হবে।

ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে জি-টু-পি (সরকার থেকে ব্যক্তি) পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। অর্থাৎ উপকারভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানো হবে।

তবে কোনো নারী গৃহপ্রধান যদি ইতোমধ্যে অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা পেনশন পান, তাহলে সেই সুবিধা বাতিল বলে গণ্য হবে। এছাড়া পরিবারের কেউ সরকারি চাকরিজীবী হলে, বড় ব্যবসা, গাড়ি, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র থাকলে ওই পরিবার এই ভাতার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

এই পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি ভাতা হিসেবে দেওয়া হবে এবং বাকি অর্থ তথ্য সংগ্রহ, সফটওয়্যার ও কার্ড তৈরির কাজে ব্যয় হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৫৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

সরকার গঠনের তিন সপ্তাহের মাথায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে বনানী, ঢাকা-র টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডের ৩৭ হাজারের বেশি নারীপ্রধান পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  শীর্ষক প্রস্তাবে জামায়াতের সমর্থন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদে সীমা আনার পক্ষে অধিকাংশ দল

একদিন আগে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ১৩ জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই, একাধিক ভাতা গ্রহণকারীদের বাদ দেওয়া এবং সরকারি চাকরিজীবীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রতিটি নির্বাচিত পরিবারকে একটি করে আধুনিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হবে। স্পর্শবিহীন চিপ ও কিউআর কোড সম্বলিত এই কার্ড নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে জানানো হয়েছে। একটি পরিবারের পাঁচজন সদস্যের জন্য একটি কার্ড দেওয়া হবে। সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়া হবে।

ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে জি-টু-পি (সরকার থেকে ব্যক্তি) পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। অর্থাৎ উপকারভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানো হবে।

তবে কোনো নারী গৃহপ্রধান যদি ইতোমধ্যে অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা পেনশন পান, তাহলে সেই সুবিধা বাতিল বলে গণ্য হবে। এছাড়া পরিবারের কেউ সরকারি চাকরিজীবী হলে, বড় ব্যবসা, গাড়ি, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র থাকলে ওই পরিবার এই ভাতার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

এই পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি ভাতা হিসেবে দেওয়া হবে এবং বাকি অর্থ তথ্য সংগ্রহ, সফটওয়্যার ও কার্ড তৈরির কাজে ব্যয় হবে।