ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যাত্রাবাড়ীতে তরুণীর অভিযোগে ধরা পড়ল সিরিয়াল প্রতারক আলবেনিয়া—ইউরোপের লুকানো সৌন্দর্য ও ইতিহাসের দেশ বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা পৌনে ২ লাখের বেশি, বাড়ানো হচ্ছে না ভাতা ৫ লাখ পদে নিয়োগ ও পেপাল চালুর উদ্যোগ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে বাবা-ছেলে দগ্ধ নারীদের সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ সেল গঠন ও আইন সংশোধনের ঘোষণা ময়মনসিংহে মাত্র ১০ টাকার বিরোধে চাচিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা: ঘাতক ভাতিজা গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানের সেরা বিভিন্ন স্কলারশিপ নীলফামারীতে ট্রাকচাপায় দুই ভাই নিহত: আহত মা-সহ ৩ জন রাজধানীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনা

সালমান-আনিসুল-পলকরা ভোট দিলেন কারাগার থেকে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 753

ছবি সংগৃহীত

 

সালমান-আনিসুল-পলকরাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাবন্দিরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫ হাজার ৯৯০ জন নিবন্ধিত বন্দির মধ্যে ৪ হাজার ৬৭ জন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোট দিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দেশের চলমান সংস্কার বিষয়ক গণভোটেও অংশ নিচ্ছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার এই ভোটগ্রহণের শেষ দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি ১ হাজার ৯২৩ জন নিবন্ধিত বন্দি ভোট দিতে না পারলে তাদের ভোটাধিকার বাতিল হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন  দ্রুত নির্বাচন দিন, দেশের প্রয়োজন জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি সরকার: ভিপি নূর

এই ঐতিহাসিক ভোট প্রক্রিয়ায় কারাগারে থাকা একাধিক সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাসহ প্রায় অর্ধশত ভিআইপি বন্দি অংশ নিয়েছেন। কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা ৩৯ জন উচ্চপ্রোফাইল বন্দির মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু ও জুনাইদ আহমেদ পলক রয়েছেন। নিবন্ধিত ভিআইপিদের মধ্যে ২২ জন রাজনৈতিক নেতা, ১১ জন সাবেক সচিব এবং পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন।

ঢাকা বিভাগকে দুটি সাংগঠনিক অংশে ভাগ করে এই ভোটগ্রহণ পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিভাগ–১ এর আওতায় নিবন্ধিত রয়েছেন ১ হাজার ৪৭৬ জন এবং ঢাকা বিভাগ–২ এর আওতায় ১ হাজার ১৮৩ জন বন্দি।

সহকারী কারা মহাপরিদর্শক উন্নয়ন জান্নাত-উল-ফরহাদ জানান, প্রত্যেক নিবন্ধিত বন্দিকে একটি প্যাকেটে তিনটি করে খাম দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার এবং সংস্কার গণভোটের জন্য ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ সম্বলিত পৃথক ব্যালট পেপার থাকছে। বন্দিরা পছন্দ অনুযায়ী ভোট দিয়ে খামগুলো আঠা দিয়ে বন্ধ করে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিচ্ছেন। পরে সেগুলো ডাক বিভাগের এক্সপ্রেস ব্যবস্থায় নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হচ্ছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটের সঙ্গে এসব পোস্টাল ব্যালট যুক্ত করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সালমান-আনিসুল-পলকরা ভোট দিলেন কারাগার থেকে

আপডেট সময় ০৫:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

সালমান-আনিসুল-পলকরাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাবন্দিরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫ হাজার ৯৯০ জন নিবন্ধিত বন্দির মধ্যে ৪ হাজার ৬৭ জন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোট দিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দেশের চলমান সংস্কার বিষয়ক গণভোটেও অংশ নিচ্ছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার এই ভোটগ্রহণের শেষ দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি ১ হাজার ৯২৩ জন নিবন্ধিত বন্দি ভোট দিতে না পারলে তাদের ভোটাধিকার বাতিল হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন  শিগগিরই ভোটের তারিখ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন: নিরাপত্তা উপদেষ্টা

এই ঐতিহাসিক ভোট প্রক্রিয়ায় কারাগারে থাকা একাধিক সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাসহ প্রায় অর্ধশত ভিআইপি বন্দি অংশ নিয়েছেন। কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা ৩৯ জন উচ্চপ্রোফাইল বন্দির মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু ও জুনাইদ আহমেদ পলক রয়েছেন। নিবন্ধিত ভিআইপিদের মধ্যে ২২ জন রাজনৈতিক নেতা, ১১ জন সাবেক সচিব এবং পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন।

ঢাকা বিভাগকে দুটি সাংগঠনিক অংশে ভাগ করে এই ভোটগ্রহণ পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিভাগ–১ এর আওতায় নিবন্ধিত রয়েছেন ১ হাজার ৪৭৬ জন এবং ঢাকা বিভাগ–২ এর আওতায় ১ হাজার ১৮৩ জন বন্দি।

সহকারী কারা মহাপরিদর্শক উন্নয়ন জান্নাত-উল-ফরহাদ জানান, প্রত্যেক নিবন্ধিত বন্দিকে একটি প্যাকেটে তিনটি করে খাম দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার এবং সংস্কার গণভোটের জন্য ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ সম্বলিত পৃথক ব্যালট পেপার থাকছে। বন্দিরা পছন্দ অনুযায়ী ভোট দিয়ে খামগুলো আঠা দিয়ে বন্ধ করে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিচ্ছেন। পরে সেগুলো ডাক বিভাগের এক্সপ্রেস ব্যবস্থায় নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হচ্ছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটের সঙ্গে এসব পোস্টাল ব্যালট যুক্ত করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করবে।