ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

সালমান-আনিসুল-পলকরা ভোট দিলেন কারাগার থেকে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 3537

ছবি সংগৃহীত

 

সালমান-আনিসুল-পলকরাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাবন্দিরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫ হাজার ৯৯০ জন নিবন্ধিত বন্দির মধ্যে ৪ হাজার ৬৭ জন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোট দিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দেশের চলমান সংস্কার বিষয়ক গণভোটেও অংশ নিচ্ছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার এই ভোটগ্রহণের শেষ দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি ১ হাজার ৯২৩ জন নিবন্ধিত বন্দি ভোট দিতে না পারলে তাদের ভোটাধিকার বাতিল হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন  ‘আহার গ্রহণও করা যাবে না’: নির্বাচনে কর্মকর্তাদের কঠোর নিরপেক্ষতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

এই ঐতিহাসিক ভোট প্রক্রিয়ায় কারাগারে থাকা একাধিক সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাসহ প্রায় অর্ধশত ভিআইপি বন্দি অংশ নিয়েছেন। কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা ৩৯ জন উচ্চপ্রোফাইল বন্দির মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু ও জুনাইদ আহমেদ পলক রয়েছেন। নিবন্ধিত ভিআইপিদের মধ্যে ২২ জন রাজনৈতিক নেতা, ১১ জন সাবেক সচিব এবং পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন।

ঢাকা বিভাগকে দুটি সাংগঠনিক অংশে ভাগ করে এই ভোটগ্রহণ পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিভাগ–১ এর আওতায় নিবন্ধিত রয়েছেন ১ হাজার ৪৭৬ জন এবং ঢাকা বিভাগ–২ এর আওতায় ১ হাজার ১৮৩ জন বন্দি।

সহকারী কারা মহাপরিদর্শক উন্নয়ন জান্নাত-উল-ফরহাদ জানান, প্রত্যেক নিবন্ধিত বন্দিকে একটি প্যাকেটে তিনটি করে খাম দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার এবং সংস্কার গণভোটের জন্য ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ সম্বলিত পৃথক ব্যালট পেপার থাকছে। বন্দিরা পছন্দ অনুযায়ী ভোট দিয়ে খামগুলো আঠা দিয়ে বন্ধ করে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিচ্ছেন। পরে সেগুলো ডাক বিভাগের এক্সপ্রেস ব্যবস্থায় নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হচ্ছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটের সঙ্গে এসব পোস্টাল ব্যালট যুক্ত করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সালমান-আনিসুল-পলকরা ভোট দিলেন কারাগার থেকে

আপডেট সময় ০৫:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

সালমান-আনিসুল-পলকরাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাবন্দিরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫ হাজার ৯৯০ জন নিবন্ধিত বন্দির মধ্যে ৪ হাজার ৬৭ জন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোট দিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দেশের চলমান সংস্কার বিষয়ক গণভোটেও অংশ নিচ্ছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার এই ভোটগ্রহণের শেষ দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি ১ হাজার ৯২৩ জন নিবন্ধিত বন্দি ভোট দিতে না পারলে তাদের ভোটাধিকার বাতিল হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন  সংস্কার কম চাইলে ডিসেম্বরেই হতে পারে নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা 

এই ঐতিহাসিক ভোট প্রক্রিয়ায় কারাগারে থাকা একাধিক সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাসহ প্রায় অর্ধশত ভিআইপি বন্দি অংশ নিয়েছেন। কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা ৩৯ জন উচ্চপ্রোফাইল বন্দির মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু ও জুনাইদ আহমেদ পলক রয়েছেন। নিবন্ধিত ভিআইপিদের মধ্যে ২২ জন রাজনৈতিক নেতা, ১১ জন সাবেক সচিব এবং পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন।

ঢাকা বিভাগকে দুটি সাংগঠনিক অংশে ভাগ করে এই ভোটগ্রহণ পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিভাগ–১ এর আওতায় নিবন্ধিত রয়েছেন ১ হাজার ৪৭৬ জন এবং ঢাকা বিভাগ–২ এর আওতায় ১ হাজার ১৮৩ জন বন্দি।

সহকারী কারা মহাপরিদর্শক উন্নয়ন জান্নাত-উল-ফরহাদ জানান, প্রত্যেক নিবন্ধিত বন্দিকে একটি প্যাকেটে তিনটি করে খাম দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার এবং সংস্কার গণভোটের জন্য ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ সম্বলিত পৃথক ব্যালট পেপার থাকছে। বন্দিরা পছন্দ অনুযায়ী ভোট দিয়ে খামগুলো আঠা দিয়ে বন্ধ করে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিচ্ছেন। পরে সেগুলো ডাক বিভাগের এক্সপ্রেস ব্যবস্থায় নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হচ্ছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটের সঙ্গে এসব পোস্টাল ব্যালট যুক্ত করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করবে।