ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাধা নেই: আইনমন্ত্রী ফ্রান্সে সহিংসতা-লুটপাট, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, কাল এক দিনের সাধারণ ছুটি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 1892

ছবি সংগৃহীত

 

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেই সঙ্গে আগামীকাল বুধবার দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি থাকবে।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা প্রথমেই মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় তাঁর অনন্য অবদান স্মরণ করেন। তিনি দেশবাসীকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে এক অভিভাবকের চলে যাওয়া জাতীয় ক্ষতির মুহূর্ত।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টা সভাপতিত্বে জরুরি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতেই এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং ধর্ম উপদেষ্টা আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করে মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

আরও পড়ুন  ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আর নেই, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আগামী তিন দিন দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে এবং অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আজ আমরা গভীর শোকের সময় একত্রিত হয়েছি। পুরো জাতি বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করছে। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। দাফন ও জানাজার সব ধরনের সহযোগিতা সরকার নিশ্চিত করবে।”

স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও বলেন, “সর্বশেষ ওনার সঙ্গে দেখা হয়েছিল ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে। সেদিন তিনি অত্যন্ত উৎফুল্ল ছিলেন, দীর্ঘক্ষণ আমার সঙ্গে গল্প করেছেন এবং আমার ও আমার পরিবারের সুস্থতার খোঁজ নিয়েছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া জাতির জন্য বিরাট ক্ষতি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, কাল এক দিনের সাধারণ ছুটি

আপডেট সময় ০২:১০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

 

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেই সঙ্গে আগামীকাল বুধবার দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি থাকবে।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা প্রথমেই মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় তাঁর অনন্য অবদান স্মরণ করেন। তিনি দেশবাসীকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে এক অভিভাবকের চলে যাওয়া জাতীয় ক্ষতির মুহূর্ত।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টা সভাপতিত্বে জরুরি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতেই এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং ধর্ম উপদেষ্টা আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করে মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রীয় শোক উপেক্ষা করে রাজধানীতে আতশবাজি ও ফানুসে বর্ষবরণ

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আগামী তিন দিন দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে এবং অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আজ আমরা গভীর শোকের সময় একত্রিত হয়েছি। পুরো জাতি বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করছে। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। দাফন ও জানাজার সব ধরনের সহযোগিতা সরকার নিশ্চিত করবে।”

স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও বলেন, “সর্বশেষ ওনার সঙ্গে দেখা হয়েছিল ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে। সেদিন তিনি অত্যন্ত উৎফুল্ল ছিলেন, দীর্ঘক্ষণ আমার সঙ্গে গল্প করেছেন এবং আমার ও আমার পরিবারের সুস্থতার খোঁজ নিয়েছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া জাতির জন্য বিরাট ক্ষতি।”