০২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, কাল এক দিনের সাধারণ ছুটি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 126

ছবি সংগৃহীত

 

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেই সঙ্গে আগামীকাল বুধবার দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি থাকবে।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা প্রথমেই মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় তাঁর অনন্য অবদান স্মরণ করেন। তিনি দেশবাসীকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে এক অভিভাবকের চলে যাওয়া জাতীয় ক্ষতির মুহূর্ত।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টা সভাপতিত্বে জরুরি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতেই এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং ধর্ম উপদেষ্টা আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করে মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আগামী তিন দিন দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে এবং অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আজ আমরা গভীর শোকের সময় একত্রিত হয়েছি। পুরো জাতি বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করছে। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। দাফন ও জানাজার সব ধরনের সহযোগিতা সরকার নিশ্চিত করবে।”

স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও বলেন, “সর্বশেষ ওনার সঙ্গে দেখা হয়েছিল ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে। সেদিন তিনি অত্যন্ত উৎফুল্ল ছিলেন, দীর্ঘক্ষণ আমার সঙ্গে গল্প করেছেন এবং আমার ও আমার পরিবারের সুস্থতার খোঁজ নিয়েছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া জাতির জন্য বিরাট ক্ষতি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, কাল এক দিনের সাধারণ ছুটি

আপডেট সময় ০২:১০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

 

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেই সঙ্গে আগামীকাল বুধবার দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি থাকবে।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা প্রথমেই মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় তাঁর অনন্য অবদান স্মরণ করেন। তিনি দেশবাসীকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে এক অভিভাবকের চলে যাওয়া জাতীয় ক্ষতির মুহূর্ত।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টা সভাপতিত্বে জরুরি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতেই এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং ধর্ম উপদেষ্টা আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করে মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আগামী তিন দিন দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে এবং অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আজ আমরা গভীর শোকের সময় একত্রিত হয়েছি। পুরো জাতি বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করছে। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। দাফন ও জানাজার সব ধরনের সহযোগিতা সরকার নিশ্চিত করবে।”

স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও বলেন, “সর্বশেষ ওনার সঙ্গে দেখা হয়েছিল ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে। সেদিন তিনি অত্যন্ত উৎফুল্ল ছিলেন, দীর্ঘক্ষণ আমার সঙ্গে গল্প করেছেন এবং আমার ও আমার পরিবারের সুস্থতার খোঁজ নিয়েছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া জাতির জন্য বিরাট ক্ষতি।”