০১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

মেসির জাদুতে ইন্টার মায়ামি আবারও শিরোপার দ্বারপ্রান্তে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 176

ছবি সংগৃহীত

 

ফর্মে থাকা লিওনেল মেসির সামনে প্রতিপক্ষ রক্ষণ যেন বারবার অসহায় হয়ে পড়ে। গোল করা হোক কিংবা গোল করানো—দুটো ক্ষেত্রেই তিনি সমান দক্ষ। ওহিওর টিকিউএল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এমএলএস কনফারেন্স কাপের সেমিফাইনালেও ছিল তারই প্রমাণ। সিনসিনাটির বিপক্ষে ৪-০ গোলের দুর্দান্ত জয়ে চার গোলেই সরাসরি অবদান রাখেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। ফলে এমএলএস কাপ জয়ের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেছে ইন্টার মায়ামি।

বাংলাদেশ সময় ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি শুরু থেকেই ছিল একতরফা। ম্যাচের শুরুতে বোঝাই যাচ্ছিল, এটি মায়ামি–সিনসিনাটির লড়াই নয়, বরং সিনসিনাটি বনাম লিওনেল মেসির যুদ্ধ। খেলার ১৯ মিনিটেই মাতেও সিলভেত্তির পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন মেসি। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না হলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি মায়ামির দখলে।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয়ার্ধে দল আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। প্রথম ১১ মিনিট গোল না পেলেও ৫৭তম মিনিটেই ব্যবধান বাড়ায় মায়ামি। এবার মেসির অ্যাসিস্টে গোল করেন সিলভেত্তি। এরপর মাত্র পাঁচ মিনিট পর, ৬২ মিনিটে আবারও মেসির পাস থেকে গোল করেন তাদিও আলেন্দে। তাঁর জোড়া গোলের দ্বিতীয়টি আসে ৭৪তম মিনিটে, তাতেও ছিল মেসির ভূমিকা। সংক্ষেপে বলা যায়—দ্বিতীয়ার্ধের তিন গোলেই সৃষ্টিকর্তার ভূমিকায় ছিলেন মেসি।

৭৬ মিনিটে আলেন্দের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন লুইস সুয়ারেজ। মেসি তাঁর জন্যও গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। ম্যাচের শেষ দিকে ৮৮ মিনিটে সুয়ারেজ গোল করতে ব্যর্থ হন। তার ঠিক দুই মিনিট আগে, ৮৬ মিনিটে মেসির নিখুঁত থ্রু বল থেকে রদ্রিগো দি পল দুর্দান্ত শট নিলেও গোলরক্ষক রোমান সেলেন্তানো তা রুখে দেন। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের বিশাল জয় নিশ্চিত করে মায়ামি।

এদিকে অন্য সেমিফাইনালে নিউইয়র্ক সিটি ১-০ গোলে ফিলাডেলফিয়াকে হারিয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্স ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। আগামী শনিবার সেই নিউইয়র্ক সিটির বিপক্ষেই ফাইনাল খেলবে ইন্টার মায়ামি। ম্যাচটি জিততে পারলে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপের ফাইনালে উঠবে দলটি।

২০২৩ সালের জুলাই থেকে ইন্টার মায়ামি জার্সিতে মেসির পরিসংখ্যানও বিস্ময়কর। এখন পর্যন্ত ৮৬ ম্যাচে তিনি করেছেন ৭৭ গোল এবং অ্যাসিস্ট করেছেন আরও ৪১ গোলে। এ সময়ে তিনি দলকে এনে দিয়েছেন দুইটি বড় শিরোপা—২০২৩ লিগস কাপ এবং ২০২৪ সাপোর্টার্স শিল্ড।

সিনসিনাটির বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচটি যেন আবারও মনে করিয়ে দিল—মেসি যখন ফর্মে থাকেন, তখন ফুটবল হয়ে ওঠে তাঁর একক শিল্প। আর সেই শিল্পের হাত ধরেই আরেকটি শিরোপার স্বপ্নে এগিয়ে যাচ্ছে ইন্টার মায়ামি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মেসির জাদুতে ইন্টার মায়ামি আবারও শিরোপার দ্বারপ্রান্তে

আপডেট সময় ০৩:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

ফর্মে থাকা লিওনেল মেসির সামনে প্রতিপক্ষ রক্ষণ যেন বারবার অসহায় হয়ে পড়ে। গোল করা হোক কিংবা গোল করানো—দুটো ক্ষেত্রেই তিনি সমান দক্ষ। ওহিওর টিকিউএল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এমএলএস কনফারেন্স কাপের সেমিফাইনালেও ছিল তারই প্রমাণ। সিনসিনাটির বিপক্ষে ৪-০ গোলের দুর্দান্ত জয়ে চার গোলেই সরাসরি অবদান রাখেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। ফলে এমএলএস কাপ জয়ের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেছে ইন্টার মায়ামি।

বাংলাদেশ সময় ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি শুরু থেকেই ছিল একতরফা। ম্যাচের শুরুতে বোঝাই যাচ্ছিল, এটি মায়ামি–সিনসিনাটির লড়াই নয়, বরং সিনসিনাটি বনাম লিওনেল মেসির যুদ্ধ। খেলার ১৯ মিনিটেই মাতেও সিলভেত্তির পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন মেসি। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না হলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি মায়ামির দখলে।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয়ার্ধে দল আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। প্রথম ১১ মিনিট গোল না পেলেও ৫৭তম মিনিটেই ব্যবধান বাড়ায় মায়ামি। এবার মেসির অ্যাসিস্টে গোল করেন সিলভেত্তি। এরপর মাত্র পাঁচ মিনিট পর, ৬২ মিনিটে আবারও মেসির পাস থেকে গোল করেন তাদিও আলেন্দে। তাঁর জোড়া গোলের দ্বিতীয়টি আসে ৭৪তম মিনিটে, তাতেও ছিল মেসির ভূমিকা। সংক্ষেপে বলা যায়—দ্বিতীয়ার্ধের তিন গোলেই সৃষ্টিকর্তার ভূমিকায় ছিলেন মেসি।

৭৬ মিনিটে আলেন্দের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন লুইস সুয়ারেজ। মেসি তাঁর জন্যও গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। ম্যাচের শেষ দিকে ৮৮ মিনিটে সুয়ারেজ গোল করতে ব্যর্থ হন। তার ঠিক দুই মিনিট আগে, ৮৬ মিনিটে মেসির নিখুঁত থ্রু বল থেকে রদ্রিগো দি পল দুর্দান্ত শট নিলেও গোলরক্ষক রোমান সেলেন্তানো তা রুখে দেন। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের বিশাল জয় নিশ্চিত করে মায়ামি।

এদিকে অন্য সেমিফাইনালে নিউইয়র্ক সিটি ১-০ গোলে ফিলাডেলফিয়াকে হারিয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্স ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। আগামী শনিবার সেই নিউইয়র্ক সিটির বিপক্ষেই ফাইনাল খেলবে ইন্টার মায়ামি। ম্যাচটি জিততে পারলে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপের ফাইনালে উঠবে দলটি।

২০২৩ সালের জুলাই থেকে ইন্টার মায়ামি জার্সিতে মেসির পরিসংখ্যানও বিস্ময়কর। এখন পর্যন্ত ৮৬ ম্যাচে তিনি করেছেন ৭৭ গোল এবং অ্যাসিস্ট করেছেন আরও ৪১ গোলে। এ সময়ে তিনি দলকে এনে দিয়েছেন দুইটি বড় শিরোপা—২০২৩ লিগস কাপ এবং ২০২৪ সাপোর্টার্স শিল্ড।

সিনসিনাটির বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচটি যেন আবারও মনে করিয়ে দিল—মেসি যখন ফর্মে থাকেন, তখন ফুটবল হয়ে ওঠে তাঁর একক শিল্প। আর সেই শিল্পের হাত ধরেই আরেকটি শিরোপার স্বপ্নে এগিয়ে যাচ্ছে ইন্টার মায়ামি।