ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পল্লবীতে নিরাপত্তা প্রহরী সালাহউদ্দিন হত্যা: ঘাতক অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে চেন্নাই পুলিশের মামলা বিসিএস ক্যাডার, প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী; এক নজরে সালাহউদ্দিন আহমদ ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে: দাবি ট্রাম্পের সংসার সুখের করতে স্বামীকে কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন আজ খুলনা পুলিশ লাইনে কনস্টেবলের রহস্যজনক আত্মহত্যা জিলকদ মাসের চাঁদ দেখতে সন্ধ্যায় বসছে জাতীয় কমিটি শ্রমিকদের দক্ষতা অনুযায়ী পেশা বদলের অনুমতি দিল কুয়েত সরকার অনুমতি মেলেনি ইরানের, হরমুজ প্রণালিতে আটকা ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসির ক্ষমতা আরও ২ মাস বাড়াল সরকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 314

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা আরও দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। রোববার (১৩ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর বিভিন্ন ধারা এবং দ্যা কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ১৮৯৮ এর ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী সেনাবাহিনীতে কর্মরত ক্যাপ্টেন পদমর্যাদা ও তদূর্ধ্ব কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দেশের যে কোনও স্থানে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এই সুবিধাটি কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে কর্মরত সমপদমর্যাদার কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুন  সেনাবাহিনীকে গাজায় অভিযান বন্ধের নির্দেশ দিলেন নেতানিয়াহু

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই ক্ষমতা জারির দিন থেকে পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এর ফলে সেনাবাহিনীর এসব কর্মকর্তা দেশের বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

সুনির্দিষ্টভাবে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ এবং ১৪২ ধারার অধীনে তারা এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা সাধারণত জননিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, অপরাধ প্রতিরোধ ও নিরসন, তল্লাশি এবং জনস্বার্থে বিভিন্ন তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক পদক্ষেপের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি পরিস্থিতিতে সরকারের প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং সেনাবাহিনীর সদস্যদের আইনগত কাঠামোর মধ্যে এনে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে।

সরকার পূর্বেও বিশেষ পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের এমন ক্ষমতা দিয়ে থাকলেও এবার তা আরও দুই মাসের জন্য বাড়ানো হলো, যা মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসির ক্ষমতা আরও ২ মাস বাড়াল সরকার

আপডেট সময় ০৬:০১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা আরও দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। রোববার (১৩ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর বিভিন্ন ধারা এবং দ্যা কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ১৮৯৮ এর ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী সেনাবাহিনীতে কর্মরত ক্যাপ্টেন পদমর্যাদা ও তদূর্ধ্ব কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দেশের যে কোনও স্থানে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এই সুবিধাটি কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে কর্মরত সমপদমর্যাদার কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুন  আফ্রিকায় সম্মান সূচক রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন সেনাবাহিনী প্রধান

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই ক্ষমতা জারির দিন থেকে পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এর ফলে সেনাবাহিনীর এসব কর্মকর্তা দেশের বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

সুনির্দিষ্টভাবে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ এবং ১৪২ ধারার অধীনে তারা এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা সাধারণত জননিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, অপরাধ প্রতিরোধ ও নিরসন, তল্লাশি এবং জনস্বার্থে বিভিন্ন তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক পদক্ষেপের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি পরিস্থিতিতে সরকারের প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং সেনাবাহিনীর সদস্যদের আইনগত কাঠামোর মধ্যে এনে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে।

সরকার পূর্বেও বিশেষ পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের এমন ক্ষমতা দিয়ে থাকলেও এবার তা আরও দুই মাসের জন্য বাড়ানো হলো, যা মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।