ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

গাজায় রক্তপাত চলছেই, তবু নেতানিয়াহুকে চাপ দেন না ট্রাম্প—কেন?”

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
  • / 562

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় চলমান সংঘাত ও রক্তপাতের মাঝে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীরবতা এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি তার সমর্থনের কারণগুলো বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের প্রতি একগুঁয়ে সমর্থন প্রদর্শন করেছে। তার সময় ইসরায়েলের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল। ট্রাম্পের নীতিমালা, যেমন জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি, তাকে ইসরায়েলি নেতাদের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে।

আরও পড়ুন  গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাবে ট্রাম্প ও ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডেরিকসনের মধ্যে উত্তপ্ত ফোনালাপ

ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি ইসরায়েলি সমর্থনে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছে। এ কারণে তিনি নেতানিয়াহুর প্রতি চাপ দিতে পারেননি, কারণ এটি তার রাজনৈতিক ভিত্তিকে দুর্বল করতে পারে।

ট্রাম্পের প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইসরায়েলিদের সাথে কাজ করার চেষ্টা করেছে। নেতানিয়াহুর সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে তিনি আরব দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নত করার লক্ষ্য রেখেছিলেন।

ট্রাম্প জানেন যে, গাজায় ঘটে চলা সংঘাত নিয়ে যদি তিনি সমালোচনা করেন, তবে এটি তার সমর্থকদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই তিনি বিষয়টিকে এড়িয়ে চলছেন।

গাজায় রক্তপাত চলমান থাকলেও ট্রাম্পের নীরবতা রাজনৈতিক কৌশল ও সম্পর্কের কারণে। তিনি নেতানিয়াহুর সমর্থনে থাকতে চান, কারণ এটি তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করতে পারে। ভবিষ্যতে যদি পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়, তবে তার অবস্থানেও পরিবর্তন আসতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় রক্তপাত চলছেই, তবু নেতানিয়াহুকে চাপ দেন না ট্রাম্প—কেন?”

আপডেট সময় ০৩:৫০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

 

গাজায় চলমান সংঘাত ও রক্তপাতের মাঝে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীরবতা এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি তার সমর্থনের কারণগুলো বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের প্রতি একগুঁয়ে সমর্থন প্রদর্শন করেছে। তার সময় ইসরায়েলের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল। ট্রাম্পের নীতিমালা, যেমন জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি, তাকে ইসরায়েলি নেতাদের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে।

আরও পড়ুন  গাজায় বোমা বর্ষণ: এক ঘণ্টায় ইসরায়েলি বিমান থেকে ৩০ বার হামলা

ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি ইসরায়েলি সমর্থনে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছে। এ কারণে তিনি নেতানিয়াহুর প্রতি চাপ দিতে পারেননি, কারণ এটি তার রাজনৈতিক ভিত্তিকে দুর্বল করতে পারে।

ট্রাম্পের প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইসরায়েলিদের সাথে কাজ করার চেষ্টা করেছে। নেতানিয়াহুর সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে তিনি আরব দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নত করার লক্ষ্য রেখেছিলেন।

ট্রাম্প জানেন যে, গাজায় ঘটে চলা সংঘাত নিয়ে যদি তিনি সমালোচনা করেন, তবে এটি তার সমর্থকদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই তিনি বিষয়টিকে এড়িয়ে চলছেন।

গাজায় রক্তপাত চলমান থাকলেও ট্রাম্পের নীরবতা রাজনৈতিক কৌশল ও সম্পর্কের কারণে। তিনি নেতানিয়াহুর সমর্থনে থাকতে চান, কারণ এটি তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করতে পারে। ভবিষ্যতে যদি পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়, তবে তার অবস্থানেও পরিবর্তন আসতে পারে।