ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নাতনি জাইমা রহমানের হাতে খালেদা জিয়ার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ সেন্সর বোর্ডের কাঁচি: ৬৩টি দৃশ্য বাদ দিয়ে প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘ভূত বাংলা’ আইআরজিসির নিয়ন্ত্রণে চীনা গোয়েন্দা স্যাটেলাইট: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য আন্দোরা পাহাড়, পর্যটন আর শান্ত জীবনের ক্ষুদ্র রাষ্ট্র স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের জন্য এবার তামিমের ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ শুক্রবার রাতে ঢাকা ছাড়ছে প্রথম হজ ফ্লাইট: উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আজ আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বিএসএফ ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন: এক জওয়ান নিহত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী

গাজায় রক্তপাত চলছেই, তবু নেতানিয়াহুকে চাপ দেন না ট্রাম্প—কেন?”

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
  • / 297

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় চলমান সংঘাত ও রক্তপাতের মাঝে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীরবতা এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি তার সমর্থনের কারণগুলো বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের প্রতি একগুঁয়ে সমর্থন প্রদর্শন করেছে। তার সময় ইসরায়েলের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল। ট্রাম্পের নীতিমালা, যেমন জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি, তাকে ইসরায়েলি নেতাদের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে।

আরও পড়ুন  গাজা পুনর্গঠনে মিশরের প্রস্তাব গ্রহণ করল আরব দেশগুলো, ট্রাম্পের পরিকল্পনায় অনড় যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি ইসরায়েলি সমর্থনে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছে। এ কারণে তিনি নেতানিয়াহুর প্রতি চাপ দিতে পারেননি, কারণ এটি তার রাজনৈতিক ভিত্তিকে দুর্বল করতে পারে।

ট্রাম্পের প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইসরায়েলিদের সাথে কাজ করার চেষ্টা করেছে। নেতানিয়াহুর সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে তিনি আরব দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নত করার লক্ষ্য রেখেছিলেন।

ট্রাম্প জানেন যে, গাজায় ঘটে চলা সংঘাত নিয়ে যদি তিনি সমালোচনা করেন, তবে এটি তার সমর্থকদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই তিনি বিষয়টিকে এড়িয়ে চলছেন।

গাজায় রক্তপাত চলমান থাকলেও ট্রাম্পের নীরবতা রাজনৈতিক কৌশল ও সম্পর্কের কারণে। তিনি নেতানিয়াহুর সমর্থনে থাকতে চান, কারণ এটি তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করতে পারে। ভবিষ্যতে যদি পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়, তবে তার অবস্থানেও পরিবর্তন আসতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় রক্তপাত চলছেই, তবু নেতানিয়াহুকে চাপ দেন না ট্রাম্প—কেন?”

আপডেট সময় ০৩:৫০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

 

গাজায় চলমান সংঘাত ও রক্তপাতের মাঝে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীরবতা এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি তার সমর্থনের কারণগুলো বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের প্রতি একগুঁয়ে সমর্থন প্রদর্শন করেছে। তার সময় ইসরায়েলের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল। ট্রাম্পের নীতিমালা, যেমন জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি, তাকে ইসরায়েলি নেতাদের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্প চাননি জেলেনস্কির ওয়াশিংটন সফর

ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি ইসরায়েলি সমর্থনে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছে। এ কারণে তিনি নেতানিয়াহুর প্রতি চাপ দিতে পারেননি, কারণ এটি তার রাজনৈতিক ভিত্তিকে দুর্বল করতে পারে।

ট্রাম্পের প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইসরায়েলিদের সাথে কাজ করার চেষ্টা করেছে। নেতানিয়াহুর সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে তিনি আরব দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নত করার লক্ষ্য রেখেছিলেন।

ট্রাম্প জানেন যে, গাজায় ঘটে চলা সংঘাত নিয়ে যদি তিনি সমালোচনা করেন, তবে এটি তার সমর্থকদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই তিনি বিষয়টিকে এড়িয়ে চলছেন।

গাজায় রক্তপাত চলমান থাকলেও ট্রাম্পের নীরবতা রাজনৈতিক কৌশল ও সম্পর্কের কারণে। তিনি নেতানিয়াহুর সমর্থনে থাকতে চান, কারণ এটি তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করতে পারে। ভবিষ্যতে যদি পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়, তবে তার অবস্থানেও পরিবর্তন আসতে পারে।