ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৫ জন শিশু: শারমিন মুরশিদ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / 696

ছবি সংগৃহীত

 

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজ কল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন মুরশিদ বলেছেন, দেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো জুলাই অভ্যুত্থানে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৫ জন শিশু শহীদ হয়েছেন। তাদের পরিবারের চোখের জল মুছতে সরকার পাশে থাকতে চায়।

আরও পড়ুন  জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসন রাষ্ট্রের অঙ্গীকার

রবিবার (৬ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় শহীদ ছয় বছরের শিশু রিয়া গোপের পরিবারের খোঁজখবর নিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

শারমিন মুরশিদ বলেন, “যে শিশুরা শহীদ হয়েছে, আমরা মনের মধ্যে তাদেরকে এক বছরের প্রতিটি মুহূর্তে ধারণ করেছি। নানা ব্যস্ততায় হয়তো এর আগে আসা হয়নি, কিন্তু এবার পুরো জুলাই মাস শহীদদের উৎসর্গ করেছি। আমরা তাদের পরিবারের কাছে গিয়ে বলতে চাই, আমরা তোমাদের ভুলিনি, আর ভুলবো না।”

তিনি আরও বলেন, “যে স্বপ্ন নিয়ে এই শিশুরা প্রাণ দিয়েছে, একটি সুন্দর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাজ করছে। ২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানে যেসব শহীদ নিজেদের জীবন দিয়ে স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশের পথ দেখিয়েছেন, রাষ্ট্র ও দেশের মানুষ চিরকাল তাদের শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে।”

রিয়া গোপের প্রসঙ্গে শারমিন মুরশিদ জানান, “ছোট্ট রিয়ার নামে একটি স্টেডিয়াম তৈরি হয়েছে। যখনই বাচ্চারা সেখানে খেলতে যাবে, রিয়ার নাম দেখবে। তখন সবার মনে প্রশ্ন জাগবে রিয়ার নামে স্টেডিয়াম হলো কেন? তখনই রিয়ার সাহসী গল্প নতুন প্রজন্মের সামনে আসবে। রিয়ার ব্যাপারে অনেকবার ভাবলেও আজকেই তার মায়ের কাছে আসতে পেরেছি।”

উপদেষ্টা বলেন, “সব শহীদের পরিবারে পৌঁছানো সহজ কাজ নয়। তবুও, এই প্রথমবার ১১টি মেয়ে এবং ১৩৫টি শিশু একসঙ্গে শহীদ হয়েছে আমরা তাদের পরিবারের পাশে থাকতে চাই, তাদের কান্না মুছতে চাই। আর সেই সমাজ গড়তে চাই, যাতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ এবং সুন্দর বাংলাদেশ পায়।”

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৫ জন শিশু: শারমিন মুরশিদ

আপডেট সময় ০৪:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

 

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজ কল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন মুরশিদ বলেছেন, দেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো জুলাই অভ্যুত্থানে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৫ জন শিশু শহীদ হয়েছেন। তাদের পরিবারের চোখের জল মুছতে সরকার পাশে থাকতে চায়।

আরও পড়ুন  জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসন রাষ্ট্রের অঙ্গীকার

রবিবার (৬ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় শহীদ ছয় বছরের শিশু রিয়া গোপের পরিবারের খোঁজখবর নিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

শারমিন মুরশিদ বলেন, “যে শিশুরা শহীদ হয়েছে, আমরা মনের মধ্যে তাদেরকে এক বছরের প্রতিটি মুহূর্তে ধারণ করেছি। নানা ব্যস্ততায় হয়তো এর আগে আসা হয়নি, কিন্তু এবার পুরো জুলাই মাস শহীদদের উৎসর্গ করেছি। আমরা তাদের পরিবারের কাছে গিয়ে বলতে চাই, আমরা তোমাদের ভুলিনি, আর ভুলবো না।”

তিনি আরও বলেন, “যে স্বপ্ন নিয়ে এই শিশুরা প্রাণ দিয়েছে, একটি সুন্দর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাজ করছে। ২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানে যেসব শহীদ নিজেদের জীবন দিয়ে স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশের পথ দেখিয়েছেন, রাষ্ট্র ও দেশের মানুষ চিরকাল তাদের শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে।”

রিয়া গোপের প্রসঙ্গে শারমিন মুরশিদ জানান, “ছোট্ট রিয়ার নামে একটি স্টেডিয়াম তৈরি হয়েছে। যখনই বাচ্চারা সেখানে খেলতে যাবে, রিয়ার নাম দেখবে। তখন সবার মনে প্রশ্ন জাগবে রিয়ার নামে স্টেডিয়াম হলো কেন? তখনই রিয়ার সাহসী গল্প নতুন প্রজন্মের সামনে আসবে। রিয়ার ব্যাপারে অনেকবার ভাবলেও আজকেই তার মায়ের কাছে আসতে পেরেছি।”

উপদেষ্টা বলেন, “সব শহীদের পরিবারে পৌঁছানো সহজ কাজ নয়। তবুও, এই প্রথমবার ১১টি মেয়ে এবং ১৩৫টি শিশু একসঙ্গে শহীদ হয়েছে আমরা তাদের পরিবারের পাশে থাকতে চাই, তাদের কান্না মুছতে চাই। আর সেই সমাজ গড়তে চাই, যাতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ এবং সুন্দর বাংলাদেশ পায়।”

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।