ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৫ জন শিশু: শারমিন মুরশিদ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / 449

ছবি সংগৃহীত

 

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজ কল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন মুরশিদ বলেছেন, দেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো জুলাই অভ্যুত্থানে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৫ জন শিশু শহীদ হয়েছেন। তাদের পরিবারের চোখের জল মুছতে সরকার পাশে থাকতে চায়।

আরও পড়ুন  আবু সাঈদ হত্যা মামলার তদন্ত শেষ: ৩০ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে

রবিবার (৬ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় শহীদ ছয় বছরের শিশু রিয়া গোপের পরিবারের খোঁজখবর নিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

শারমিন মুরশিদ বলেন, “যে শিশুরা শহীদ হয়েছে, আমরা মনের মধ্যে তাদেরকে এক বছরের প্রতিটি মুহূর্তে ধারণ করেছি। নানা ব্যস্ততায় হয়তো এর আগে আসা হয়নি, কিন্তু এবার পুরো জুলাই মাস শহীদদের উৎসর্গ করেছি। আমরা তাদের পরিবারের কাছে গিয়ে বলতে চাই, আমরা তোমাদের ভুলিনি, আর ভুলবো না।”

তিনি আরও বলেন, “যে স্বপ্ন নিয়ে এই শিশুরা প্রাণ দিয়েছে, একটি সুন্দর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাজ করছে। ২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানে যেসব শহীদ নিজেদের জীবন দিয়ে স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশের পথ দেখিয়েছেন, রাষ্ট্র ও দেশের মানুষ চিরকাল তাদের শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে।”

রিয়া গোপের প্রসঙ্গে শারমিন মুরশিদ জানান, “ছোট্ট রিয়ার নামে একটি স্টেডিয়াম তৈরি হয়েছে। যখনই বাচ্চারা সেখানে খেলতে যাবে, রিয়ার নাম দেখবে। তখন সবার মনে প্রশ্ন জাগবে রিয়ার নামে স্টেডিয়াম হলো কেন? তখনই রিয়ার সাহসী গল্প নতুন প্রজন্মের সামনে আসবে। রিয়ার ব্যাপারে অনেকবার ভাবলেও আজকেই তার মায়ের কাছে আসতে পেরেছি।”

উপদেষ্টা বলেন, “সব শহীদের পরিবারে পৌঁছানো সহজ কাজ নয়। তবুও, এই প্রথমবার ১১টি মেয়ে এবং ১৩৫টি শিশু একসঙ্গে শহীদ হয়েছে আমরা তাদের পরিবারের পাশে থাকতে চাই, তাদের কান্না মুছতে চাই। আর সেই সমাজ গড়তে চাই, যাতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ এবং সুন্দর বাংলাদেশ পায়।”

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৫ জন শিশু: শারমিন মুরশিদ

আপডেট সময় ০৪:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

 

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজ কল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন মুরশিদ বলেছেন, দেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো জুলাই অভ্যুত্থানে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৫ জন শিশু শহীদ হয়েছেন। তাদের পরিবারের চোখের জল মুছতে সরকার পাশে থাকতে চায়।

আরও পড়ুন  আবু সাঈদ হত্যা মামলার তদন্ত শেষ: ৩০ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে

রবিবার (৬ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় শহীদ ছয় বছরের শিশু রিয়া গোপের পরিবারের খোঁজখবর নিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

শারমিন মুরশিদ বলেন, “যে শিশুরা শহীদ হয়েছে, আমরা মনের মধ্যে তাদেরকে এক বছরের প্রতিটি মুহূর্তে ধারণ করেছি। নানা ব্যস্ততায় হয়তো এর আগে আসা হয়নি, কিন্তু এবার পুরো জুলাই মাস শহীদদের উৎসর্গ করেছি। আমরা তাদের পরিবারের কাছে গিয়ে বলতে চাই, আমরা তোমাদের ভুলিনি, আর ভুলবো না।”

তিনি আরও বলেন, “যে স্বপ্ন নিয়ে এই শিশুরা প্রাণ দিয়েছে, একটি সুন্দর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাজ করছে। ২৪’র জুলাই অভ্যুত্থানে যেসব শহীদ নিজেদের জীবন দিয়ে স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশের পথ দেখিয়েছেন, রাষ্ট্র ও দেশের মানুষ চিরকাল তাদের শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে।”

রিয়া গোপের প্রসঙ্গে শারমিন মুরশিদ জানান, “ছোট্ট রিয়ার নামে একটি স্টেডিয়াম তৈরি হয়েছে। যখনই বাচ্চারা সেখানে খেলতে যাবে, রিয়ার নাম দেখবে। তখন সবার মনে প্রশ্ন জাগবে রিয়ার নামে স্টেডিয়াম হলো কেন? তখনই রিয়ার সাহসী গল্প নতুন প্রজন্মের সামনে আসবে। রিয়ার ব্যাপারে অনেকবার ভাবলেও আজকেই তার মায়ের কাছে আসতে পেরেছি।”

উপদেষ্টা বলেন, “সব শহীদের পরিবারে পৌঁছানো সহজ কাজ নয়। তবুও, এই প্রথমবার ১১টি মেয়ে এবং ১৩৫টি শিশু একসঙ্গে শহীদ হয়েছে আমরা তাদের পরিবারের পাশে থাকতে চাই, তাদের কান্না মুছতে চাই। আর সেই সমাজ গড়তে চাই, যাতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ এবং সুন্দর বাংলাদেশ পায়।”

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।