ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করাও অপরাধের শামিল : অ্যাটর্নি জেনারেল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / 532

ছবি সংগৃহীত

 

 

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগকে কোনোভাবে সহযোগিতা করা অপরাধের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আরও পড়ুন  হত্যা ও খুন মামলাসহ পুরনো মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

শনিবার (৫ জুলাই) সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগকে ‘নিষিদ্ধ সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এই নিষিদ্ধ সত্তাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যারা সহযোগিতা করছে, তারাও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।”

রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভাজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নানা মতপার্থক্য থাকলেও দেশে ফ্যাসিস্ট শক্তির পুনরাবির্ভাবের কোনো আশঙ্কা নেই।

সংবিধান প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান তুলে ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “সংবিধান নতুন করে লেখা যেতেই পারে। এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে আমাদের সংবিধান রক্তের বিনিময়ে অর্জিত, ১৯৭২ সালের সংবিধান। আমি মনে করি, এটি এখনও বিশ্বের অন্যতম উৎকৃষ্ট সংবিধানগুলোর একটি। বিতর্কিত সংশোধনীগুলো বাদ দিয়ে এটিকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করা সম্ভব।”

এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, আসন্ন নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে কি না। জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এটি সরকারের নীতি-নির্ধারণী বিষয়, এ নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা সঙ্গত নয়।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। তাই আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কাউকে নির্বাচন থেকে বঞ্চিত করার কোনো ইচ্ছে সরকারের নেই।”

অ্যাটর্নি জেনারেল আশা প্রকাশ করেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দল ও প্রার্থীকে মূল্যায়ন করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যে রাজনৈতিক মাঠের উত্তাপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

তবে সরকারপক্ষ জানিয়েছে, সবকিছুই সংবিধান ও আইনের আওতায় থেকে বিবেচনা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করাও অপরাধের শামিল : অ্যাটর্নি জেনারেল

আপডেট সময় ০২:৫৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

 

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগকে কোনোভাবে সহযোগিতা করা অপরাধের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আরও পড়ুন  নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণ বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিলেন নাহিদ ইসলাম

শনিবার (৫ জুলাই) সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগকে ‘নিষিদ্ধ সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এই নিষিদ্ধ সত্তাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যারা সহযোগিতা করছে, তারাও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।”

রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভাজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নানা মতপার্থক্য থাকলেও দেশে ফ্যাসিস্ট শক্তির পুনরাবির্ভাবের কোনো আশঙ্কা নেই।

সংবিধান প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান তুলে ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “সংবিধান নতুন করে লেখা যেতেই পারে। এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে আমাদের সংবিধান রক্তের বিনিময়ে অর্জিত, ১৯৭২ সালের সংবিধান। আমি মনে করি, এটি এখনও বিশ্বের অন্যতম উৎকৃষ্ট সংবিধানগুলোর একটি। বিতর্কিত সংশোধনীগুলো বাদ দিয়ে এটিকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করা সম্ভব।”

এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, আসন্ন নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে কি না। জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এটি সরকারের নীতি-নির্ধারণী বিষয়, এ নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা সঙ্গত নয়।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। তাই আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কাউকে নির্বাচন থেকে বঞ্চিত করার কোনো ইচ্ছে সরকারের নেই।”

অ্যাটর্নি জেনারেল আশা প্রকাশ করেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দল ও প্রার্থীকে মূল্যায়ন করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যে রাজনৈতিক মাঠের উত্তাপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

তবে সরকারপক্ষ জানিয়েছে, সবকিছুই সংবিধান ও আইনের আওতায় থেকে বিবেচনা করা হবে।