ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

ওপেক প্লাসের উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে তেলের বাজারে দামে পতন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৩:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / 170

ছবি: সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা কমে আসা এবং আগামী আগস্ট থেকে ওপেক প্লাস জোটের তেল উৎপাদন বাড়ানোর আভাসে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশের মতো কমে গেছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে আগস্ট ডেলিভারির ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৬ সেন্ট বা প্রায় ০.৯৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬৭ দশমিক ১১ ডলারে। একইভাবে, সেপ্টেম্বরের চুক্তির দাম ৮৩ সেন্ট কমে হয়েছে ৬৫ দশমিক ৯৭ ডলার।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের শুল্ক যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ছুঁতে পারে ৩৭০০ ডলার

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও প্রভাবিত হয়েছে। ব্যারেলপ্রতি এই তেলের দাম ৯৪ সেন্ট বা ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে নেমে এসেছে ৬৪ দশমিক ৫৮ ডলারে।

এর আগে, ১৩ জুন ইরান-ইসরাইল সংঘাত শুরু হলে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালালে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারের উপরে চলে যায়। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে, ফলে দাম পুনরায় ৬৭ ডলারে নেমে আসে।

আইজি মার্কেটের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর মতে, যুদ্ধবিরতির ফলে তেলের দামে যে ভূ-রাজনৈতিক প্রিমিয়াম তৈরি হয়েছিল, তা অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে।

অন্যদিকে, ওপেক প্লাসের চারজন প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মে, জুন ও জুলাই মাসে উৎপাদন বৃদ্ধি করার পর আগস্ট মাসে দৈনিক আরও ৪ লাখ ১১ হাজার ব্যারেল উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। আগামী ৬ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি হবে উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পর পঞ্চম দফার বৃদ্ধি।

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয় তেল রিগের সংখ্যা গত সপ্তাহে ছয়টি কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩২টিতে, যা অক্টোবর ২০২১ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে তেল-গ্যাস সেবা প্রতিষ্ঠান বেকার হিউজেস।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীল পরিস্থিতি ও উৎপাদন বৃদ্ধির এই সম্ভাবনা বাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে, যার ফলে দাম কিছুটা স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ওপেক প্লাসের উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে তেলের বাজারে দামে পতন

আপডেট সময় ১০:১৩:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

 

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা কমে আসা এবং আগামী আগস্ট থেকে ওপেক প্লাস জোটের তেল উৎপাদন বাড়ানোর আভাসে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশের মতো কমে গেছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে আগস্ট ডেলিভারির ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৬ সেন্ট বা প্রায় ০.৯৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬৭ দশমিক ১১ ডলারে। একইভাবে, সেপ্টেম্বরের চুক্তির দাম ৮৩ সেন্ট কমে হয়েছে ৬৫ দশমিক ৯৭ ডলার।

আরও পড়ুন  শুল্ক কমাতে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের ঐতিহাসিক চুক্তি, বিশ্ববাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও প্রভাবিত হয়েছে। ব্যারেলপ্রতি এই তেলের দাম ৯৪ সেন্ট বা ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে নেমে এসেছে ৬৪ দশমিক ৫৮ ডলারে।

এর আগে, ১৩ জুন ইরান-ইসরাইল সংঘাত শুরু হলে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালালে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারের উপরে চলে যায়। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে, ফলে দাম পুনরায় ৬৭ ডলারে নেমে আসে।

আইজি মার্কেটের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর মতে, যুদ্ধবিরতির ফলে তেলের দামে যে ভূ-রাজনৈতিক প্রিমিয়াম তৈরি হয়েছিল, তা অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে।

অন্যদিকে, ওপেক প্লাসের চারজন প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মে, জুন ও জুলাই মাসে উৎপাদন বৃদ্ধি করার পর আগস্ট মাসে দৈনিক আরও ৪ লাখ ১১ হাজার ব্যারেল উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। আগামী ৬ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি হবে উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পর পঞ্চম দফার বৃদ্ধি।

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয় তেল রিগের সংখ্যা গত সপ্তাহে ছয়টি কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩২টিতে, যা অক্টোবর ২০২১ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে তেল-গ্যাস সেবা প্রতিষ্ঠান বেকার হিউজেস।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীল পরিস্থিতি ও উৎপাদন বৃদ্ধির এই সম্ভাবনা বাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে, যার ফলে দাম কিছুটা স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে।