ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

ভারতের স্থলবন্দরে ৯ প্রকার বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • / 633

ছবি: সংগৃহীত

 

ভারত স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ৯ ধরনের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। শুক্রবার (২৭ জুন) ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক এক বিবৃতিতে এ নির্দেশনা দেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের স্থলবন্দর দিয়ে এই নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্যগুলো আর আমদানি করা যাবে না। তবে এগুলো শুধুমাত্র ভারতের নভোসেবা সমুদ্রবন্দর দিয়ে আনা যাবে।

আরও পড়ুন  আজাদ কাশ্মীরে সতর্কতা জারি, অভিযোগের তীর ভারতের দিকে

নিষিদ্ধ হওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে কাঁচা পাট, পাটের রোল, পাটের সুতা এবং বিশেষ ধরনের পাটজাত কাপড়।

এর আগে গত মে মাসে ভারতের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক আমদানিতেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। তখনও একইভাবে পোশাকপণ্য মহারাষ্ট্রের নভোসেবা এবং কলকাতা সমুদ্রবন্দর দিয়ে আনার অনুমতি রেখেছিল ভারত।

বাংলাদেশ প্রতিবছর ভারতে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে। কিন্তু স্থলবন্দর দিয়ে এসব পোশাকপণ্য আমদানি বন্ধ হওয়ায় এ খাতে নেতিবাচক প্রভাবের শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদফতর আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে নেপাল ও ভুটানের উদ্দেশ্যে যেসব পণ্য যাবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। তবে সেসব পণ্য পুনরায় রপ্তানি করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশে নতুন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ছোট ব্যবসায়ী এবং পরিবহন খাতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

উল্লেখ্য, স্থলবন্দর দিয়ে পণ্যের যাতায়াত সহজ এবং কম খরচের হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যে স্থলপথের গুরুত্ব অনেক বেশি। ফলে নতুন এ নিষেধাজ্ঞায় সীমান্তবর্তী অর্থনৈতিক কার্যক্রমে স্থবিরতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাণিজ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, বিষয়টি নিয়ে উভয় দেশের নীতি-নির্ধারকদের দ্রুত আলোচনায় বসা প্রয়োজন, যাতে সামগ্রিক বাণিজ্য সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতের স্থলবন্দরে ৯ প্রকার বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি

আপডেট সময় ১১:০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

 

ভারত স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ৯ ধরনের পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। শুক্রবার (২৭ জুন) ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক এক বিবৃতিতে এ নির্দেশনা দেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের স্থলবন্দর দিয়ে এই নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্যগুলো আর আমদানি করা যাবে না। তবে এগুলো শুধুমাত্র ভারতের নভোসেবা সমুদ্রবন্দর দিয়ে আনা যাবে।

আরও পড়ুন  ভারতের টেস্ট দলের নতুন অধিনায়ক হলেন শুভমান গিল

নিষিদ্ধ হওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে কাঁচা পাট, পাটের রোল, পাটের সুতা এবং বিশেষ ধরনের পাটজাত কাপড়।

এর আগে গত মে মাসে ভারতের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক আমদানিতেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। তখনও একইভাবে পোশাকপণ্য মহারাষ্ট্রের নভোসেবা এবং কলকাতা সমুদ্রবন্দর দিয়ে আনার অনুমতি রেখেছিল ভারত।

বাংলাদেশ প্রতিবছর ভারতে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে। কিন্তু স্থলবন্দর দিয়ে এসব পোশাকপণ্য আমদানি বন্ধ হওয়ায় এ খাতে নেতিবাচক প্রভাবের শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদফতর আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে নেপাল ও ভুটানের উদ্দেশ্যে যেসব পণ্য যাবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। তবে সেসব পণ্য পুনরায় রপ্তানি করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশে নতুন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ছোট ব্যবসায়ী এবং পরিবহন খাতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

উল্লেখ্য, স্থলবন্দর দিয়ে পণ্যের যাতায়াত সহজ এবং কম খরচের হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যে স্থলপথের গুরুত্ব অনেক বেশি। ফলে নতুন এ নিষেধাজ্ঞায় সীমান্তবর্তী অর্থনৈতিক কার্যক্রমে স্থবিরতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাণিজ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, বিষয়টি নিয়ে উভয় দেশের নীতি-নির্ধারকদের দ্রুত আলোচনায় বসা প্রয়োজন, যাতে সামগ্রিক বাণিজ্য সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।