ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

গাজায় ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৭৬, আহত ১৮৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • / 467

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলা আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার (২৩ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৭৬ জন ফিলিস্তিনি। নিহতদের মধ্যে ৫০ জনই গাজার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা ছিলেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৮৫ জন। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ চাপা পড়ে আছেন, ফলে নিহত ও আহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

আরও পড়ুন  গা/জা দখলের পরিকল্পনা নিশ্চিত করলো ই*স*রা*য়েল

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায়। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন ইসরায়েলি নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল পরদিন থেকেই গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে।

১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা অভিযানে গাজায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৫৩ হাজার ৮২২ জন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৮২ জন। নিহত ও আহতদের মধ্যে ৫৬ শতাংশই নারী ও শিশু।

চলমান আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইসরায়েল চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে, ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)। এই দ্বিতীয় দফার অভিযানে গত আড়াই মাসে নিহত হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৬৭৩ জন ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন ১০ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি।

অন্যদিকে, হামাসের হাতে বন্দি থাকা ২৫১ জন জিম্মির মধ্যে এখনো অন্তত ৩৫ জন জীবিত রয়েছে বলে ধারণা করছে ইসরায়েল। তাদের উদ্ধারে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আইডিএফ।

দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সংঘাতে গাজা পরিণত হয়েছে এক মৃত্যুকূপে। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও তা উপেক্ষিতই থেকে যাচ্ছে।

এই ধ্বংসযজ্ঞে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ, বিশেষত নারী ও শিশুরা। মানবিক সহায়তার অভাবে গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি আরও করুণ হয়ে উঠছে দিনদিন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৭৬, আহত ১৮৫

আপডেট সময় ১০:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলা আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার (২৩ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৭৬ জন ফিলিস্তিনি। নিহতদের মধ্যে ৫০ জনই গাজার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা ছিলেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৮৫ জন। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ চাপা পড়ে আছেন, ফলে নিহত ও আহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

আরও পড়ুন  ভারতের ছত্তিশগড়ে ট্রাক ও কার্গো ট্রাকের সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ নিহত ১৩

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায়। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন ইসরায়েলি নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল পরদিন থেকেই গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে।

১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা অভিযানে গাজায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৫৩ হাজার ৮২২ জন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৮২ জন। নিহত ও আহতদের মধ্যে ৫৬ শতাংশই নারী ও শিশু।

চলমান আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইসরায়েল চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে, ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)। এই দ্বিতীয় দফার অভিযানে গত আড়াই মাসে নিহত হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৬৭৩ জন ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন ১০ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি।

অন্যদিকে, হামাসের হাতে বন্দি থাকা ২৫১ জন জিম্মির মধ্যে এখনো অন্তত ৩৫ জন জীবিত রয়েছে বলে ধারণা করছে ইসরায়েল। তাদের উদ্ধারে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আইডিএফ।

দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সংঘাতে গাজা পরিণত হয়েছে এক মৃত্যুকূপে। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও তা উপেক্ষিতই থেকে যাচ্ছে।

এই ধ্বংসযজ্ঞে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ, বিশেষত নারী ও শিশুরা। মানবিক সহায়তার অভাবে গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি আরও করুণ হয়ে উঠছে দিনদিন।